সন্তান ভাল নেই? নাতাশার পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য, খোঁজ পড়ল হার্দিকেরও - Bengali News | Natasa stankovic shared a cryptic post on social media - 24 Ghanta Bangla News
Home

সন্তান ভাল নেই? নাতাশার পোস্ট ঘিরে চাঞ্চল্য, খোঁজ পড়ল হার্দিকেরও – Bengali News | Natasa stankovic shared a cryptic post on social media

Spread the love

ছেলে অগস্ত্যকে নিয়ে সুদূর সার্বিয়াতে রয়েছেন নাতাশা স্তানকোভিচ। হার্দিক পান্ডিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর আপাতত সেখানেই রয়েছেন তিনি। একের পর এক কটাক্ষের মুখোমুখিও হতে হচ্ছে নাতাশাকে। এ সবের মধ্যেই হঠাৎই নাতাশার প্রোফাইলে ভেসে এল এক পোস্ট যা দেখে নেটিজেনদের একটাই বক্তব্য, ‘হার্দিক কোথায়?’

কী লিখেছেন নাতাশা? নাতাশার পোস্টে লেখা, “সন্তানের প্রতি এত নিষ্ঠুর হোয়ো না। কারণ এই পৃথিবী বড্ড কঠিন। এই ভালবাসা শক্ত নয়। যখন কেউ তোমার মধ্যে থেকে জন্ম নেয় তাঁদের কাছে তুমিই পৃথিবী। তোমার কাছে সেই একমাত্র ভালবাসা।” অনেকেই মনে করছে, এই পোস্ট নিছকই পোস্ট নয়। এর মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে ইঙ্গিতও। একজন লিখেছেন, “বাবা মায়ের বিচ্ছেদের কষ্ট পায় সন্তানই। তাঁর কথা ভুলে আবারও এক হওয়া যায় না?” তা যে সম্ভব নয়, তা ইতিমধ্যেই স্পষ্ট করেছেন হার্দিক ও নাতাশা। সম্পর্ক ভেঙে গেলেও এখনও ইনস্টাগ্রামে দু’জন দু’জনকে অনুসরণ করেন ওঁরা। রয়েছে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক। কিছু দিন আগেই ইনস্টাগ্রামে ছেলের সঙ্গে একটি পোস্ট করেছিলেন নাতাশা। সেখানে ভালবাসার ইমোজিও দিতে দেখা যায় হার্দিককে।

প্রসঙ্গত, দিন কয়েক আগেই এক যৌথ বিবৃতিতে নিজেদের সম্পর্ক ভাঙার কথা জানান হার্দিক ও নাতাশা। সেখানে তাঁরা লেখেন, “চার বছর একসঙ্গে থাকার পর আমি ও নাতাশা (স্তানকোভিচ) আলাদা হচ্ছি। আমরা আমাদের সেরাটা দিয়েছিলাম। চেষ্টা করেছিলাম এই সম্পর্ককে টিকিয়ে রাখার। পারিনি। তাই যা হয়েছে সেটাই আমাদের জন্য ভাল। আমাদের জন্য এটি ছিল একটি কঠিন সিদ্ধান্ত। পরিবার বাড়তেই যে সম্মান, ভালবাসা নিয়ে বেড়ে উঠছিলাম সেই সব মাথায় রেখে এই কাজ মোটেও সহজ ছিল না।” এখানেই না থেমে তাঁরা আরও লেখেন, “আমাদের ছেলে অগস্ত্য আমাদের জীবনে খুবই স্পেশ্যাল। ওকে পেয়ে আমরা ধন্য। তাই দু’জনে মিলেই ওর প্রতিপালন করব। ওর খুশির জন্য যা দরকার সবটাই দেব এই কঠিন সময়ে সবার কাছে একটাই অনুরোধ কিছু জিনিস ব্যক্তিগত রাহতে দিন। ধন্যবাদান্তে, হার্দিক ও নাতাশা।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *