'ওঁর মুখ থেকে মদের গন্ধ বেরচ্ছিল...', ক্ষোভে ফুঁসছেন মা, জন্মদিনে স্কুলে যাওয়াটা এত বড় অপরাধ! - Bengali News | Student alleges police attacked him in drunk state without any reason - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘ওঁর মুখ থেকে মদের গন্ধ বেরচ্ছিল…’, ক্ষোভে ফুঁসছেন মা, জন্মদিনে স্কুলে যাওয়াটা এত বড় অপরাধ! – Bengali News | Student alleges police attacked him in drunk state without any reason

আক্রান্ত ছাত্রের মাImage Credit source: TV9 Bangla

হাওড়া: জন্মদিন ছিল বলে ছেলেকে স্কুলে যেতে নিষেধ করেছিলেন মা। মায়ের কথা শুনে বাড়িতেই ছিল ছাত্র। কিন্তু জন্মদিনে উপহার দেবে বলে অপেক্ষা করছে বন্ধুরা। তাই স্কুলের সময় না গেলেও ছুটির সময় দেখা করতে যায় সপ্তম শ্রেণির ছাত্র। স্কুলের সামনেই দাঁড়িয়ে ছিল সে। আর সেটাই এত বড় অপরাধ হয়ে গেল! পেট-বুক লক্ষ্য করে চলল ঘুষি। হাতে-পায়ে কাটা দাগ। কোনও রকমে বাঁচল কিশোর। ক্ষোভে ফুঁসছে তার পরিবার। হাওড়ার জগাছা থানা এলাকার ঘটনা।

জগাছার মুচিপাড়া এলাকার বাসিন্দা সপ্তম শ্রেণির ওই ছাত্রকে মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েও ফিরতে হয়েছে পরিবারকে! ছাত্রের মা বলছেন, অভিযোগ জানাতে চাই, ওই পুলিশ কর্মীর শাস্তি চাই।

অভিযোগ, স্কুলের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল ওই ছাত্র। সেই সময় জগাছা থানার চারজন পুলিশ কর্মী হঠাৎই তাকে জিজ্ঞাসা করে সে সেখানে কী করছে। এরপর যখন ওই ছাত্র জানায় যে সে বন্ধুদের থেকে তার জন্মদিনের শুভেচ্ছা নিতে এসেছে, তখনই এক পুলিশকর্মী তাকে মারধর করে বলে অভিযোগ। মদ্যপ অবস্থায় তার পিঠে-বুকে ঘুষি মারা হয় বলে অভিযোগ। পাশাপাশি তার পায়ে একাধিক জায়গায় লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়েছে বলেও দাবি করেছে ১৩ বছরের ওই ছাত্র।

ছাত্রের মায়ের অভিযোগ, তিনি জগাছা থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে সেখানে পুলিশ অভিযোগ না নিয়েই তাঁদেরকে ফিরিয়ে দেয়। তিনি বলেন, “বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করতে ছুটির সময় গিয়েছিল ও। খুব মারধর করেছে ওকে। পরে ওই পুলিশকর্মীর সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে দেখি, মুখ থেকে মদের গন্ধ বেরচ্ছে। পুলিশ কর্মী বলেছেন, ওকে ভয় দেখাচ্ছিলাম।”

উল্লেখ্য, পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ জানানোর জন্য সম্প্রতি একটি কমিটি গঠন করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ কমিশনার, ডিজি, স্বরাষ্ট্র সচিবকে নিয়ে তৈরি করা হয়েছে সেই কমিটি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *