Sonarpur: শিকলে উল্টো ঝুলিয়ে স্বামীকে মার, বেতের বাড়ি মহিলাকেও, সোনারপুরের 'ত্রাস' জামালউদ্দিন - Bengali News | Woman Accused That One Person Of Sonarpur Harassed Woman And Man West bengal, MLA Lovely Moitra - 24 Ghanta Bangla News
Home

Sonarpur: শিকলে উল্টো ঝুলিয়ে স্বামীকে মার, বেতের বাড়ি মহিলাকেও, সোনারপুরের ‘ত্রাস’ জামালউদ্দিন – Bengali News | Woman Accused That One Person Of Sonarpur Harassed Woman And Man West bengal, MLA Lovely Moitra

Spread the love

এই সেই জামালউদ্দিন সর্দার
Image Credit source: Tv9 Bangla

সোনারপুর: সোনারপুরের জামালউদ্দিন সর্দারের বিরুদ্ধে এবার মুখ খুলছেন একের পর এক মহিলারা। এলাকাবাসী বলছিলেন জামাল তৃণমূল কর্মী। সম্প্রতি এক মহিলাকে শিকলে বেঁধে তাঁকে অত্যাচারের অভিযোগ উঠেছিল। এবার এই জামালের বিরুদ্ধে রুবিজান বিবি নামে আরও এক গৃহবধূ মুখ খুললেন। তাঁর অভিযোগ, স্বামী শাহরুখ শেখকে শিকলের সাহায্যে উল্টো করে ঝুলিয়ে সারারাত মারধর করেছে এই জামাল। তাঁকে বাঁচাতে হাত-পা ধরলেও রেহাই মেলেনি। যদিও, জামালউদ্দিনের সঙ্গে তৃণমূলের সঙ্গে কোনও যোগ নেই বলে জানিয়েছেন সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক লাভলী মৈত্র।

রুবিজান বলেন, “আমাদের পারিবারিক ঝামেলা হচ্ছিল। আমার মামা শ্বশুর ওকে জানাতেই আমার স্বামীকে তুলে নিয়ে যায়। ওকে শিকল দিয়ে উল্টো করে টাঙিয়ে মারধর করে।” লাভলী বলেছেন, “ঘটনা যে ঘটিয়েছে তার শাস্তি চাই। এই ঘটনার সঙ্গে রাজনৈতিক সম্পর্ক নেই। উনি নিজেই বলছেন। তবে ওনার অভিযোগ জামাল অত্যাচার করেছে। শিকলে বেঁধে মারধর করা হয়েছে। জামাল পলাতক। ওর খোঁজ চলছে। তবে এই ব্যক্তি তৃণমূল কংগ্রেসের কেউ নন। প্রশাসনিক কোনও পদেই নেই।”

উল্লেখ্য, গতকাল প্রথম সোনারপুরের জামালের কথা প্রকাশ্যে আসে। সেখানে রশিদা বিবি নামে এক মহিলা অভিযোগ করেন তাঁর ছেলেকে বেধড়ক মেরেছে এই জামাল। নিজেও ‘অত্যাচারিত’ হয়েছেন রশিদা বিবি নিজেও। সেই ঘটনা জানাজানি হতেই সেখানে সকালে পৌঁছন বিজেপি নেত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। আবার রাতে ওই মহিলার বাড়ি যান সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক লাভলী মৈত্র। রশিদা বিবি যদিও বলেছেন, এর সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। তিনি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যের কাছে গিয়েছিলেন কিন্তু বিচার পাননি। সেই কারণেই তিনি বিজেপির অগ্নিমিত্রা পাল এর দারস্থ হয়েছিলেন। এই বিষয়ে সোনারপুর দক্ষিণের বিধায়ক লাভলী মৈত্র জানান, স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য কেন সাহায্য করেনি তার দলীয়ভাবে খতিয়ে দেখা হবে।রশিদা বলেন, “আমরা রাজনীতি চাই না। জামাল আমার ছেলেকে মেরেছে। সহদেব নামে পার্টির সদস্যকে বলেছি। কিন্তু উনি কোনও পদক্ষেপ করছিলেন না। বিধায়ক আজ সাহস দিয়ে গিয়েছেন।”

এ দিকে, যে জামালের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ উঠছে আপাতত সে পলাতক। তার সন্ধানে বিভিন্ন জায়গায় তল্লাশি অভিযান চালানো হচ্ছে বলে সোনারপুর থানার পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *