Jayanta Singh: ‘মশা-মাছি কিচ্ছু মারেনি, তাহলে ক্রিমিনাল কেন?’ প্রশ্ন তুলছেন জয়ন্তর ফুটবলার ভাই – Bengali News | Kamarhati Ariadaha Jayanta Singh Brother reaction on the recent issue
কী বলছেন জয়ন্ত সিংয়ের ভাই?Image Credit source: TV9 Bangla
বেলঘরিয়া: একের পর এক মারধরের ঘটনায় শিউরে উঠেছে বঙ্গবাসী। কামারহাটিতে মা ও ছেলেকে রাস্তায় ফেলে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠে এসেছে। ঘটনার যে সিসিটিভি ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে, তা ভয়াবহ। বেলঘরিয়া থানার পুলিশ ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। কিন্তু মূল অভিযুক্ত জয়ন্ত সিং এখনও অধরা। কোথায় ‘বাহুবলী’ জয়ন্ত সিং? খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশও। টিভি নাইন বাংলার প্রতিনিধিও পৌঁছে গিয়েছিলেন জয়ন্ত সিংয়ের বাড়িতে। জয়ন্তর ভাই প্রিয়ন্ত সিং পেশায় ফুটবলার। ময়দানের পরিচিত গোলকিপার। একাধিক ক্লাবে খেলেছেন। বর্তমানে ভবানীপুরের হয়ে খেলেন। টিভি নাইন বাংলার ক্যামেরার সামনে তাঁর স্পষ্ট দাবি, জয়ন্ত সিং এসব ঘটনার সঙ্গে একেবারেই জড়িত নন।
জয়ন্ত সিং কোথায়? প্রশ্ন শুনেই প্রিয়ন্ত বললেন, “দাদা বাড়িতে নেই। কোথায় আছে আমি জানি না। আমি জানিই না দাদা কোথায় গিয়েছে। তাঁর ফোন বন্ধ। কোনও যোগাযোগ করতে পারছি না তাঁর সঙ্গে।” তাঁর দাবি, ঘটনার কথা প্রথমে তিনি জানতেনই না। গতকাল তাঁদের খেলা ছিল। ড্রেসিংরুমে ঢুকে মোবাইল বন্ধ রেখে দিতে হয়েছিল। পরে জানতে পারেন গোটা বিষয়টি। প্রিয়ন্ত বলেন, “শুনেছি দাদার নামে এফআইআর করা হয়েছে। মিথ্যা অভিযোগ করা হয়েছে দাদার নামে। বলা হচ্ছে, দাদা নাকি এই গন্ডগোলে ছিল, দাদা নাকি মেরেছে তাঁদের। সত্যি বলতে দাদা এই গন্ডগোলে ছিলই না। সিসিটিভি ফুটেজে কোথাও দেখা যায়নি দাদা মারছে। দাদা বাড়ি ফিরছিল, তখন দেখে গন্ডগোল হচ্ছে।”
দাদার ব্যাপারে কথা বলতে বলতেই প্রিয়ন্ত বললেন, “মশা মাছি কিছু মারেনি, তাহলে ক্রিমিনাল কেন?” কিন্তু একইসঙ্গে এই প্রশ্নও উঠে আসছে, যদি জয়ন্ত সিং কিছু নাই করেন, যদি তিনি সত্যিই নির্দোষ হন, তাহলে এলাকা থেকে বেপাত্তা কেন? সেই প্রশ্ন কামারহাটিতে মারধরের ঘটনায় অভিযুক্তের ভাই বললেন, “ওর নামে মিথ্যা অভিযোগে এফআইআর করেছে। এফআইআর যখন হয়, পুলিশ তদন্ত করে তাঁকে গ্রেফতার করবে। আমার মনে হয়, এই এফআরআরের জন্য ও ভয়ে পালিয়ে গিয়েছে। আমি দাদার খোঁজ নিইনি তা নয়, দাদার বন্ধুদের জিজ্ঞেস করেছি, কিন্তু কেউই বলতে পারছে না। পুলিশও এসেছিল। তাঁরাও জানতে চাইছে দাদা কোথায়। তাঁদেরও আমি কিছু বলতে পারিনি।”