'সুদীপ্তা-বিদীপ্তার বোন বলেই আমি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পাচ্ছি না', চাঁচাছোলা বিদিশা - Bengali News | This is the pain that actress bidisha chakraborty is facing currently - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘সুদীপ্তা-বিদীপ্তার বোন বলেই আমি ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ পাচ্ছি না’, চাঁচাছোলা বিদিশা – Bengali News | This is the pain that actress bidisha chakraborty is facing currently

Spread the love

মন খুব খারাপ অভিনেত্রী বিদিশা চক্রবর্তীর। তিনি কাজ পাচ্ছেন না ইন্ডাস্ট্রিতে। তিনি প্রয়াত অভিনেতা বিপ্লবকেতন চক্রবর্তীর মেজো কন্যা। বিদিশার দিদির নাম অভিনেত্রী বিদীপ্তা চক্রবর্তী। ছোট বোনের নাম অভিনেত্রী সুদীপ্তা চক্রবর্তী। এমন এক তারকা-পরিবারের মেয়ে হয়েও ইন্ডাস্ট্রিতে তাঁর জন্য কাজ নেই। বিদিশা চক্রবর্তী বলেছেন, “বিখ্যাত বাবা এবং বিখ্যাত দিদি-বোন থাকাটা আমার কাছে অভিশাপ। এর জন্যই আমি কাজ পাচ্ছি না।” সেটা কীভাবে? তা টিভি নাইন বাংলা ডিজিটালকে ব্যক্ত করেছেন বিদিশা।

তারকা-পরিবারের লোকজন অনায়াসে ইন্ডাস্ট্রি সুযোগ পেয়ে যান–এই ধারণা আজকের নয়। নেপোটিজ়ম নিয়ে কম জলঘোলাও হয়নি। বিদিশা জানিয়েছেন, নেপোটিজ় তাঁর ক্ষেত্রে মোটেও ফলপ্রদ হয়নি। বরং উলটপূরাণ। তাঁর সম্পর্কে ভ্রান্তধারণা পোষণ করেন ইন্ডাস্ট্রির অনেকে, দাবী অভিনেত্রীর। তিনি বলেছেন, “আমাকে কাজ দেওয়ার সময় ইন্ডাস্ট্রির লোকজন বলছেন, ‘তুই তো ওই পরিবারের মেয়ে। তোর তো কাজ জুটে যাবেই’। বিশ্বাস করুন, এমনটা সকলে বলছেন বলেই আমার আর কাজ জুটছে না। আমি শেষ কাজ করেছিলাম ‘অষ্টমী’ সিরিয়ালে। টানা ১০-১২দিন ডেট ছিল আমার। তারপর সিরিয়াল চলল না টিআরপির কারণে। আমিও আর কাজ পাচ্ছি না।”

এই খবরটিও পড়ুন

সুদীপ্তা-বিদীপ্তার সঙ্গে বিদিশা।

‘গুড্ডি’ ধারাবাহিকে হিরোর মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে নজর কেড়েছিলেন বিদিশা। কিন্তু আর তেমন সুযোগ আসেনি। অভিনেত্রীর সংযোজন, “দিদি এবং বোন আমার কথা কাস্টিংয়ের জন্য বলতে কিছুক্ষেত্রে কুণ্ঠিত। এবং সেটাই স্বাভাবিক। তাঁরাই বা কেন আমার কথা বলতে যাবেন। বিষয়টা তো ভালও দেখায় না। সত্য এটাই, লোকের এমন একটা ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে যে, পারিবারিক পরিচিতির কারণেই নাকি আমি কাজ পেয়ে যাব। লোকে ডেকে-ডেকে আমাকে কাস্ট করবেন তাঁদের প্রোজেক্টে। সকলকে অনুরোধ করছি, এমন ভাবনা থেকে বেরিয়ে আসুন। আমি কাজ করতে আগ্রহী। সেটা আমাকে করতে দিন।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *