Breast Cancer: কম বয়সিদের মধ্যে ব্রেস্ট ক্যানসারের ঝুঁকি কতটা বেশি? জানুন এই মারণ রোগের ৫ কারণ – Bengali News | Common risk factor Of Breast Cancer And Prevention tips for women
স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত অভিনেত্রী হিনা খান। স্তন ক্যানসারের তৃতীয় পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছে ‘ইয়ে রিস্তা কেয়া কেহলাতা হ্যায়’-এর ‘অক্ষরা’। যদিও শুধু হিনা খান নয়, স্তন ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করছেন দেশের প্রায় ২৮ শতাংশ মহিলা। গত ২৬ বছর ধরে ভারতে স্তন ক্যানসারের আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। তাছাড়া মহিলাদের মধ্যে খুব কমন হয়ে দাঁড়িয়েছে স্তন ও জরায়ু মুখের ক্যানসার। সচেতন না থাকলে আপনি-আমিও আক্রান্ত হতে পারি এই ক্যানসারে।
স্টেজ ৩ মানেই প্রাণের ঝুঁকি রয়েছে, এমনটাও নয়। এই পর্যায়ে ক্যানসার স্তন থেকে স্তনের কাছাকাছি লিম্ফ নোড, স্তনের ত্বক বা বুকের দেওয়ালে ছড়িয়ে পড়ে। যদিও প্রথম থেকে সচেতন থাকলে এবং স্টেজ ১-এই ক্যানসার ধরা পড়লে সুস্থ হয়ে ওঠার সম্ভাবনা বেশি থাকে। এছাড়া বয়স ও শারীরিক অবস্থার উপর নির্ভর করছেন আপনি কতটা দ্রুত হারে সুস্থ হয়ে উঠতে পারবেন।
স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার কমন ফ্যাক্টর-
এই খবরটিও পড়ুন
১) ওবেসিটি ব্রেস্ট ক্যানসারের অন্যতম কারণ। দেহের ওজন বেশি হলে আপনি স্তন ক্যানসারে আক্রান্ত হতে পারেন। প্রক্রিয়াজাত খাবারও অনেকাংশে দায়ী ক্যানসারের পিছনে।
২) পরিবারের ক্যানসারের ইতিহাস থাকলে আপনার মধ্যেও এই মারণ রোগের ঝুঁকি থাকতে পারে। ৫-১০ শতাংশ মানুষ জিনগত কারণে স্তন ক্যানসারের আক্রান্ত হন।
৩) সাধারণত কম বয়সিদের মধ্যে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি নেই। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই মেনোপজের সময় বা পরে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। তবে, বয়স কম হোক বা বেশি, প্রথম থেকেই সচেতন থাকা দরকার। নিয়মিত ম্যামোগ্রাম পরীক্ষা করান।
৪) নতুন মা হওয়ার পর স্তনদুগ্ধ পান না করালেও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়ে। এমনকি বেশি বয়সে গর্ভধারণ করলেও এই মারণ রোগের ঝুঁকি তৈরি হয়।
৫) কম বয়সে (১২ বছরের আগে) ঋতুস্রাব শুরু হলে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি থাকে।
স্তন ক্যানসারের প্রাথমিক লক্ষণ-
১) স্তন ফুলে যায়
২) স্তনের কোনও অংশে স্ফীতভাব দেখা যায়
৩) স্তনবৃন্ত চ্যাপ্টা হয়ে যায়
৪) স্তনের রং বদলাতে শুরু করে
৫) স্তনের চারপাশের ত্বক শুকিয়ে যায়
৬) স্তনবৃন্ত থেকে অস্বাভাবিক তরল নিঃসৃত হতে থাকে
স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা-
ব্রেস্ট সার্জারি ও লম্পেক্টমি—এই পদ্ধতিতে অস্ত্রপচারের মাধ্যমে টিউমারের অংশ ও পার্শ্ববর্তী কিছু টিস্যু বাদ দিয়ে দেওয়া হয়। সার্জারির পর হরমোন থেরাপি হয়। রেডিয়েশনের মাধ্যমে ক্যানসারের কোষ নির্মূল করা হয়। এছাড়া কেমোথেরাপির মাধ্যমেও স্তন ক্যানসারের চিকিৎসা করা হয়ে থাকে।