Adhir Chowdhury: অধীরকে কি সরানো হচ্ছেই? বাংলায় এবার বিশেষ নজর দিল্লির – Bengali News | There are reports that the Congress high command has called a meeting in Delhi between July 8 and 10 to discuss the Bengal unit
কলকাতা: এবার কি তবে সত্যিই প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির মুখ হিসাবে অধীর চৌধুরীকে বদলাতে চলেছে দিল্লি। লোকসভা ভোটে অধীর চৌধুরীর হারের পর থেকেই এই বদলের জল্পনা শুরু হয়। গুঞ্জন ছড়িয়েছিল, বেশ কয়েকদিন আগেই নাকি দিল্লিতে কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের কাছে তাঁর পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছিলেন অধীর। যদিও প্রদেশ কংগ্রেসের তরফে এই জল্পনা ভিত্তিহীন বলেই দাবি করা হয়। এরইমধ্যে নতুন করে আবারও চর্চা শুরু। শোনা যাচ্ছে, প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে এবার দিল্লিতে তলব করা হয়েছে বঙ্গের নেতাদের।
সূত্রের খবর, চলতি মাসের ৮ থেকে ১০ তারিখের মধ্যেই বাংলা নিয়ে দিল্লিতে একটি বিশেষ বৈঠক ডাকা হচ্ছে কংগ্রেসের তরফে। এই বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ নেতৃত্বের তরফে কমপক্ষে ২৫ জনকে ডাকা হবে বলেও সূত্রের দাবি।
সম্প্রতি এআইসিসির তরফে প্রতিনিধি দল এসেছিল বাংলায়। যেখানে প্রদেশ নেতৃত্বের সঙ্গে তারা কথা বলে, মতামতও নেয় বলে খবর। সূত্রের দাবি, ওই বৈঠক থেকে স্থির হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের প্রদেশ সভাপতি কে হবেন তা নিয়ে যাবতীয় সিদ্ধান্তের ভার কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের উপর ন্যস্ত করা হয়েছে।
সর্বসম্মতি ক্রমে এই সিদ্ধান্ত গ্রহণের পর প্রদেশ কংগ্রেস নেতৃত্বের গুরুত্বপূর্ণ নেতাদের নিয়ে বসেন অল ইন্ডিয়া কংগ্রেস কমিটি বা এআইসিসির প্রতিনিধিরা। তাঁরা সবার মতামতও নেন বলে খবর। সেই মতামত নিয়ে দিল্লিতে কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে জমা দিয়েছে ওই প্রতিনিধি দল। এবার খবর, দিল্লিতে ডাকা হচ্ছে বাংলার প্রদেশ নেতৃত্বকে।
সব থেকে বড় কথা, এবার কি তবে বদলে যাবে প্রদেশ সভাপতি? সত্যিই কি বঙ্গ রাজনীতিতে অধীর-জমানা শেষ এবার? এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে। সম্প্রতি কলকাতায় দিল্লির কংগ্রেস নেতৃত্ব বৈঠক করেছিলেন। সেই বৈঠকের পরই অধীরের গলায় শোনা গিয়েছিল ‘আবেগ’-এর সুর।
অধীর বলেছিলেন, তিনি ‘অস্থায়ী সভাপতি’। সে ক্ষেত্রে এখন প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক, আবারও কি তাঁকেই প্রদেশের মুখ করে রাখবে কংগ্রেস? নাকি নতুন কোনও মুখ এবার প্রদেশ কংগ্রেস দিক নির্দেশক হবে। ইতিমধ্যেই বহু জেলা সভাপতি অধীরের সঙ্গে দেখা করে তাকে প্রদেশ সভাপতি হিসাবে কাজ করার অনুরোধ জানিয়ে এসেছেন বলে খবর। তবে এক্ষেত্রে অবশ্য চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন কংগ্রেস হাই কমান্ড।