UGC-NET Cancelled: কেন রাতারাতি বাতিল হল NET পরীক্ষা? ১১ লক্ষ পরীক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ কী? মুখ খুলল শিক্ষা মন্ত্রক – Bengali News | UGC NET Cancelled: Education ministry speaks about NET exam, why cancelled, what is the new date
শিক্ষা মন্ত্রকের সচিবImage Credit source: PTI
কলকাতা: পরীক্ষা হওয়ার ২৪ ঘণ্টা পরই বাতিল হল ইউজিসি নেট (UGC NET)। কার্যত নজিরবিহীন ঘটনা। যে লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী দীর্ঘ প্রস্তুতির পর পরীক্ষায় বসেছিলেন, তাঁরা রীতিমতো বিভ্রান্ত। কেন এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হল, আবার কবে পরীক্ষা হবে, তা বুঝে উঠতে পারছেন না তাঁরা। বুধবার রাতে পরীক্ষা বাতিল করার কথা ঘোষণা করা হয়। বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রকের তরফে করা হল সাংবাদিক বৈঠক।
শিক্ষা মন্ত্রকের যুগ্ম সচিব গোবিন্দ জয়সওয়াল বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে বলেন, “১১ লক্ষ ছাত্রছাত্রী পরীক্ষা দিয়েছিলেন, ২৪ ঘণ্টা পরই সে পরীক্ষা বাতিল করে দেওয়া হয়েছে। সাইবার ক্রাইম কোঅর্ডিনেশন সেন্টারের তরফ থেকে তথ্য পাওয়ার পরই তড়িঘড়ি পরীক্ষা বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।” একইসঙ্গে সিবিআই-এর হাতে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
কবে নতুন করে পরীক্ষা নেওয়া হবে, তা এখনও জানানো হয়নি। শীঘ্রই সেই তথ্য প্রকাশ করা হবে বলে উল্লেখ করেছে শিক্ষা মন্ত্রক। শিক্ষা সচিবের বক্তব্য, কোনও রকম ভুল হলে পদক্ষেপ করতে পিছপা হবে না শিক্ষা মন্ত্রক।
কিন্তু ঠিক কী কারণে বাতিল করল ইউসিজি নেট পরীক্ষা? তার সদুত্তর পাওয়া যায়নি। শিক্ষা সচিব বলেন, ‘এই পর্যায়ে এর থেকে বেশি কিছু বলা সম্ভব নয়। এনটিএ-র নিজস্ব কিছু পদ্ধতি আছে। সবটাই তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
গত মঙ্গলবার ইউজিসি-নেট পরীক্ষা নেওয়া হয়। বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর পদের জন্য এবং জুনিয়র রিসার্চ ফেলোশিপের জন্য এই পরীক্ষা নেওয়া হয়। ওএমআর শিটের মাধ্যমেই সেই পরীক্ষা নেওয়া হয়েছিল। বুধবার সেই পরীক্ষা বাতিল বলে জানিয়ে দেওয়া হয়। এই সিদ্ধান্তের পর বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন পরীক্ষার্থীরা।
নেট পরীক্ষা নেয় ন্যাশনাল টেস্টিং এজেন্সি। ইতিমধ্যেই মেডিক্যালের প্রবেশিকা পরীক্ষা নিট নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েছে ওই এজেন্সি। সেই পরীক্ষাতেও উঠেছে বেনিয়মের অভিযোগ। নিট নিয়ে ইতিমধ্যেই প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন বিরোধীরা, তারই মধ্যে নেট পরীক্ষা বাতিল হয়ে যাওয়ায়, নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে।
বুধবারই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনস্থ ন্যাশনাল সাইবার ক্রাইম থ্রেট অ্যানালিসিস ইউনিটের তরফ থেকে সন্দেহজনক কিছু তথ্য দেওয়া হয় বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনকে। সেখানেই ইউজিসি-নেট পরীক্ষায় বেনিয়মের তথ্য সামনে আসে। এরপরই বাতিল করে দেওয়া হয় পরীক্ষা।