Soumitrisha Kundu: ‘প্রেম তো প্রেমটাই করতে…’, বারবার আদৃতকে নিয়ে প্রশ্ন করায় অভিমান সৌমির – Bengali News | When soumitrisha kundu opens up on adrit marriage issue what she said on her relationship
সৌমিতৃষা কুণ্ডু। সকলের কাছে আজও তিনি চোখের মণি মিঠাই। ধারাবাহিক থেকে যাত্রা শুরু করে আজ তিনি বড় পর্দার অভিনেত্রী। একের পর এক ভাল কাজের অফার পলকে ফিরিয়েছেন সৌমি শুধু তারিখ না থাকায়। তিনি যখন যে কাজ করেন, সেই কাজেই নিজেকে যুক্ত রাখতে চান। একসঙ্গে একাধিক কাজে সম্মতি জানানোর পক্ষপাতী তিনি নন। যে কারণে হাতছাড়া হয়েছে বহু চিত্রনাট্য, যা তাঁর কেরিয়ারে অন্যতম সংযোজন হতে পারত। সৌমি এখন তাঁর কেরিয়ারের এমনই নানা সিদ্ধান্ত নিয়ে ব্যস্ত। কোন প্রস্তাব গ্রহণ করবেন, কোন প্রস্তাব তারিখ না মেলায় গ্রহণ করা হচ্ছে না, ওটিটি না বড় পর্দা, অভিনয়ে আরও বলিষ্ঠ হয়ে ওঠা, ইত্যাদি। তাই বলে নিত্যদিন প্রেম নিয়ে টানাপোড়েন? ‘সোশ্যাল মিডিয়ায় এখন কিছু পোস্ট করার আগেও ভাবতে হয় জানেন…’, TV9 বাংলাকে আক্ষেপের সুরে বললেন পর্দার রুমি। আদৃত রায়, সৌমিতৃষার সঙ্গে যাঁর জুটি পলকে ঝড় তুলেছিল টিভির পর্দায়। অধিকাংশেরই দাবি, তাঁরা নাকি সম্পর্কে ছিলেন। ফলে আদৃতের বিয়ের খবরে মাঝখান থেকে নাজেহাল সৌমিতৃষা।
আদৃতের পর্দার স্ত্রী সৌমি বললেন, ”বৃষ্টি পড়লেই আমি ভিজতে ভালবাসি, আপনাকে কয়েকদিন আগে তেমনটা জানিয়েছিলাম। আপনি লিখেওছিলেন। যথারীতি আদৃতের বিয়ের দিন বৃষ্টি হয়েছে, আর আমি বাড়িতেই ছিলাম, তাই বারান্দায় বেশ মজা করে ভিজেছি। এর কিছুক্ষণ পরই দেখি সোশ্যাল মিডিয়ায় কয়েকজন এসে লিখে গিয়েছে, বৃষ্টিতে ভিজে আমি চোখের জল লুকোচ্ছি, কারণ সেদিন আদৃতের বিয়ে। আমি পড়ে অবাক। বিশ্বাস করুন, আমি প্রেম করতে আসিনি, প্রেমটা ছিল না, কোনও সম্পর্কই ছিল না। আমি অভিনয় করতে এসেছি। মানুষ সেটা নিয়ে কথা বলুক, ঠিক-ভুল ধরিয়েদিক। ও বিয়ে করছে, আমি ফোনের পর ফোন পাচ্ছি…। সোশ্যাল মিডিয়ায় কিছু মানুষের সত্যি কোনও কাজ নেই। তবে বিষয়টা সোশ্যাল মিডিয়া অবধি থাকলেও হত। দেখুন, কোনও সিনেমা কিংবা ধারাবাহিকের জুটির মাঝে প্রেমের খবর রটা মানে পর্দায় তাঁদের চরিত্র সার্থক। তাঁরা অভিনেতা-অভিনেত্রী হিসেবে সফল। তাই এই রটনায় কোনও আপত্তি নেই আমার। তবে সমস্যা হচ্ছে, ধারাবাহিকও শেষ, আমরা যে যার জীবনে এগিয়ে গিয়েছি, ভাল আছি, ও ভাল আছে, এগুলো কি মানুষ দেখতে পায় না?”
এখানেই শেষ না, তিনি আরও বললেন, ”আমি তো প্রেমটাই করতে চাইনি, আমি তো প্রেম করে খবরে আসতেই চাইনি। ওটা আমার ব্যক্তি জীবন। মানুষ অবশ্যই তা নিয়ে কথা বলবেন। তবে যেটা নেই, যেটা ছিলই না কখনও, সেটা কি জোর করে, ১০০০ বার বলেও সত্যি করা যায়? এভাবে চাপিয়ে দেওয়া যায়? খুব অবাক হয়েছি আমি বিষয়টায়। এটাতে যেমন আমার খারাপ লেগেছে, অপর ব্যক্তিরও খারাপ লাগার কথা।”