নারী সুরক্ষা থেকে শিক্ষা-চাকরি, নতুন সরকারের কাছে কী আর্জি টলিপাড়ার? – Bengali News | Tollywood actor actress opens up on what they expect from new government
৯ জুন। সন্ধেবেলাই মন্ত্রীসভা গঠন। নতুন সরকারের কাছে কী আবেদন রাখছে টলিপাড়ার তারকারা? আর্টিস্ট ফোরামের উদ্যোগে রক্তদান শিবিরের ব্যবস্থা করা হয়। আর সেখানেই TV9 বাংলার মুখোমুখি টলিপাড়ার একাধিক সেলিব্রিটি। জানালেন সরকারের কাছ থেকে ঠিক কী কী আশা রাখছেন তাঁরা?
দেবলীনা দত্ত– নাগরিক হিসেবে আমার প্রথম আশা, প্রথম বলব না, প্রথম, দ্বিতীয়, তৃতীয় সবটাই এটা কেন্দ্রীক, আর তা হল নারী-সুরক্ষা। আমি যেন একজন স্বাধীন মহিলা নাগরিক হিসেবে ২৪ ঘণ্টা স্বাধীনভাবে এই শহরে বিচরণ করতে পারি। আমার সঙ্গে এমন একটা ঘটনা ঘটেছিল, ভাগ্যবশত আমি সেই সময় পাশে একজন রাজ্য পুলিশকে পেয়েছিলাম। আমার মনে হয় এই সেফটি বিষয়টার সঙ্গে চেইনের মতো অনেক কিছু পাল্টে যাবে। অনেক দুর্নীতি বন্ধ হয়ে যাবে, তবেই তো সমাজ সুরক্ষিত হবে। বাচ্চা থেকে বয়ষ্কমানুষ, রাস্তায় সুক্ষিতভাবে চলাফেরা করলেই আমার মনে হবে আমরা অনেকটা এগিয়ে গেলাম।
বাসব দত্তা– যিনিই থাকুন না কেন সরকারে, সাধারণ নাগরিক হিসেবে আমার একটাই দাবি, তিনি যেন সাধারণ মানুষের কথা ভাবেন। তাঁরা যাতে ভাল থাকতে পারেন, সেইটুকু দেখলেই হবে। এটাই আমার চাহিদা। তাঁদের সুবিধে অসুবিধে, কী করলে তাঁদের জন্য ভাল হবে, যেটার জন্য ভোট দিয়ে মানুষ তাঁদেরকে আনেন, সেই মানুষের কথা সরকার ভাবুক, এইটুকুই আমি চাই।
বিদিপ্তা চক্রবর্তী — যেগুলো নিয়ে আমরা চিৎকার করি বা আমাদের ক্ষোভ, মানে সুরক্ষা থেকে শুরু করে, শিক্ষা থেকে শুরু করে, চাকরি থেকে শুরু করে, সবটা যদি ভেঙে পড়ে, তবে একটা দেশ তো মাথা তুলে দাঁড়াতে পারে না। তাই মূল খুঁটিগুলো একটু শক্ত হওয়া উচিত। আর এই হানাহানি, হিংসা, নেওয়া যাচ্ছে না। এগুলো যতটা সম্ভব, এই গুন্ডামী বন্ধ হওয়া দরকার। একটু শান্তিতে থাকতে চাই।
গৌরব চট্টোপাধ্যায়– যেই সরকার আসুক, সেই সরকার থাকুক, সবসময় তো সবার ইচ্ছে মত সবটা হয় না। দেশের যাতে আরও ভাল হয়, আমরা যেন তার প্রভাব বুঝতে পারি, বেশি মানুষ যে খুশি থাকেন, সবাই যাতে একটা একটা পর্যায় থাকেন, যাতে নিজের প্রয়োজনটুকু মিটিয়ে নেওয়ার ক্ষমতা তারা রাখেন, সেগুলোই আশা করি।
কুশল চক্রবর্তী– আশা এটাই যে ভারতকে সঠিক পথে যেন এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। জাতি-ধর্ম সবের উর্দ্ধে উঠে যেন এক সার্বিক উন্নতি হয়। এটাই আশা রাখব।