Brain Tumor Symptoms: দিনের এই সময়ে মাথা ব্যথা হলে হালকাভাবে নেবেন না, হতে পারে ব্রেন টিউমারের লক্ষণ – Bengali News | Brain Tumor cause symptoms and treatment details know in here
সারা বিশ্বে ব্রেন টিউমারের সমস্যা বাড়ছে। এটি এমন একটি রোগ যে সময়মতো চিকিৎসা না করলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। এই রোগ সম্পর্কে মানুষকে সচেতন করতে প্রতি বছর ৮ জুন বিশ্ব টিউমার দিবস পালিত হয়। তবু অনেকেই প্রথমদিকে এর উপসর্গগুলি উপেক্ষা করেন। ফলে মাথার ভিতরেই টিউমার বড় হতে থাকে। এটি ক্যান্সার এবং নন-ক্যান্সার উভয়ই হতে পারে। কিন্তু, সময়মতো চিকিৎসা না হলেই দু-ধরনের টিউমারই বিপজ্জনক হতে পারে।
গুরুগ্রামের নারায়ণা হাসপাতালের নিউরো সার্জারির ডিরেক্টর এবং এইচওডি ডা. উৎকর্ষ ভগত জানান, যখন মস্তিষ্কে টিউমার বেশি বৃদ্ধি পায়, তখন মস্তিষ্কের অভ্যন্তরে পরিবর্তন ঘটতে শুরু করে। এতে মস্তিষ্কের ক্ষতি হয়। কারও যদি ক্যান্সারজনিত ব্রেইন টিউমার থাকে তবে তা চিকিৎসার পরেও ফিরে আসতে পারে এবং অন্যান্য অংশেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। তবে ক্যান্সারবিহীন টিউমার ফিরে আসার সম্ভাবনা কম।
ব্রেন টিউমারের কারণ কী হতে পারে?
ব্রেন টিউমারের নির্দিষ্ট কোনও কারণ না থাকলেও কিছু কারণ এর জন্য দায়ী হতে পারে। যেমন, যদি কোনও ব্যক্তি আয়নাইজিং রেডিয়েশনের সংস্পর্শে আসেন, পারিবারিক ইতিহাসে কারও এই রোগ হয়ে থাকে, তাহলে ব্রেন টিউমার হওয়ার ঝুঁকি বেড়ে যায়। এছাড়া মাথায় গুরুতর আঘাত লাগলে এবং লিউকেমিয়ায় আক্রান্তদেরও ব্রেন টিউমারের ঝুঁকি থাকতে পারে।
ব্রেন টিউমারের উপসর্গ
ধর্মশীলা নারায়ণা সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের নিউরো সার্জারি বিভাগের এইচওডি ডা. আশিস শ্রীবাস্তব জানান, ব্রেন টিউমারের অনেক ধরনের লক্ষণ রয়েছে। যেমন- ধীরে ধীরে মাথাব্যথা বাড়তে থাকা, ভাবতে ও বুঝতে অসুবিধা হওয়া, দৃষ্টি ঝাপসা হওয়া, অলসতা এবং ক্লান্তি এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণ।
যদি কারও প্রায়ই মাথাব্যথা হয় বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর যদি প্রচণ্ড মাথাব্যথা হয় এবং ঝাপসা দেখেন তাহলে এটা একেবারেই উপেক্ষা করা উচিত নয়। এই লক্ষণগুলি ব্রেন টিউমারের উপসর্গ হতে পারে। এই ধরনের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা কি?
সুশ্রুত ব্রেন এন্ড স্পাইন এর সিনিয়ার কনসালটেন্ট ডা. যশপাল সিং বুন্দেলা জানান, ব্রেন টিউমার প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে এর চিকিৎসা করা যায়। টিউমারটি যত তাড়াতাড়ি শনাক্ত করা যায়, ততই ভাল। টিউমার ছোট হলে রেডিয়েশন ও ওষুধ দিয়ে সেটা নিষ্ক্রিয় করা যায়। টিউমার বড় হলে অস্ত্রোপচার করতে হয়।