Hair Fall Problem: চুল পড়ার পরিমাণ দিন দিন বেড়েই চলেছে, কোন-কোন খাবার খেলে মুক্তি পাবেন এই সমস্যা থেকে? – Bengali News | 6 nutrient rich foods to boost healthy hair growth
চুল পড়ার যেন কোনও মরশুম নেই। শীত, গ্রীষ্ম, বর্ষা, সারাবছর চুল উঠছে। তার সঙ্গে বছরভর আপনিও চুলে নানা ধরনের প্রসাধনী ব্যবহার করে চলেছেন। কিন্তু ফারাক চোখে পড়ছে না। চুল পড়া আটকাতে বেশিরভাগ সময়ই তেল, শ্যাম্পুতে বদল আনেন। কিন্তু রোজকারের পাতে নজর দেন না। দেহে পুষ্টির ঘাটতি থাকলে কিন্তু চুল পড়বেই। আয়রন, ভিটামিন বি কমপ্লেক্স, ভিটামিন ডি, বায়োটিনের মতো পুষ্টি চুলের দেখভাল করে। চুলের ফলিকলকে পুষ্টি জোগাতে গেলে খাওয়া-দাওয়া নিয়ে সচেতন থাকতেই হবে। আর কোন খাবারগুলো খেতেই হবে, জানেন?
প্রোটিন ও বায়োটিনের জন্য ডিম: চুলের যত্নে ডিম দুর্দান্ত কাজ করে। ডিমের মধ্যে প্রোটিন ও বায়োটিন চুলের জন্য অপরিহার্য। ডিমের মধ্যে জিঙ্ক, সেলেনিয়ামও রয়েছে, যা চুলের জন্য উপকারী।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্টের জন্য বেরি: বেরিজাতীয় ফলের মধ্যে ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে। এসব পুষ্টি চুলের ফলিকলকে ক্ষয়ের হাত থেকে রক্ষা করে। স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, র্যাশবেরির মতো ফল খান।
এই খবরটিও পড়ুন
ভিটামিন ও আয়রনের জন্য পালং শাক: ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, আয়রন ও ফোলেটের মতো পুষ্টি পাওয়া যায় পালং শাক। এগুলো চুলের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। চুলের স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে পালং শাক।
ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের জন্য মাছ: সামুদ্রিক মাছের মধ্যে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে। এই পুষ্টি চুলের স্বাস্থ্যকে উন্নত করে। ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিডের পাশাপাশি মাছের মধ্যে সেলেনিয়াম, ভিটামিন ডি৩, বি-এর মতো পুষ্টি পাওয়া যায়। এগুলোও চুলের জন্য উপযোগী।
বিটা-ক্যারোটিনের জন্য মিষ্টি আলু: বিটা-ক্যারোটিন পাওয়া যায় ভিটামিন এ থেকে। দেহে এই পুষ্টির ঘাটতি থাকলে চুল পড়ার সমস্যা বাড়ে। যে সব খাবারের মধ্যে ভিটামিন এ রয়েছে, সেগুলো সবই খেতে পারেন। মিষ্টি আলুর পাশাপাশি গাজরেও এই বিটা-ক্যারোটিন পাওয়া যায়।
স্বাস্থ্যকর ফ্যাটের জন্য বাদাম: আমন্ড, আখরোট, ফ্ল্যাক্স সিড, চিয়া সিডের মতো বাদাম ও বীজের মধ্যে ভিটামিন ই, ভিটামিন বি, জিঙ্ক রয়েছে। স্বাস্থ্যকর ফ্যাট রয়েছে বাদাম ও বীজের মধ্যে। এই ধরনের পুষ্টিগুলো চুল পড়ার সমস্যা রোধ করতে সাহায্য করে।