Kerala fish death: পেরিয়ার নদীতে ভাসছে হাজার-হাজার মরা মাছ, ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় মানুষ - Bengali News | Kerala: Mass fish death in Periyar river sparks protests in Kochi - 24 Ghanta Bangla News
Home

Kerala fish death: পেরিয়ার নদীতে ভাসছে হাজার-হাজার মরা মাছ, ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় মানুষ – Bengali News | Kerala: Mass fish death in Periyar river sparks protests in Kochi

Spread the love

মঙ্গলবার রাত থেকেই পেরিয়ার নদীতে ভাসছে হাজার হাজার মরা মাছImage Credit source: ANI

কোচি: কেরলের এর্নাকুলামের পেরিয়ার নদীতে ভাসছে হাজার-হাজার মৃত মাছ। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে, বুধবার (২২ মে), তীব্র ক্ষোভ দেখান স্থানীয় কৃষক ও এলাকার অন্যান্য বাসিন্দারা। তাদের দাবি, আশেপাশের কারখানাগুলি থেকে অবৈধভাবে রাসায়নিক বর্জ্য ফেলা হয় নদীতে। যার জেরে নদীর জলে ব্যাপক পরিমাণে দূষণ ছড়াচ্ছে। আর এই কারণেই গণ হারে মৃত্যু হয়েছে মাছগুলির। সংবাদ সংস্থা এএনআই-এর পক্ষ থেকে, সোশ্যাল মিডিয়ায় পেরিয়ার নদীতে ভাসতে থাকা শয়ে শয়ে মৃত মাছের একটি ভিডিয়ো পোস্ট করা হয়েছে। স্থানীয় মৎস চাষীরা, বিশেষ করে যারা খাঁচা লাগিয়ে মাছ চাষ করেন, তাঁরা জানিয়েছেন, এই ব্যাপক হারে মাছের মৃত্যুর ফলে, তাদের কয়েক লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তাদের দাবি, মঙ্গলবার থেকেই ভারাপুঝা, কদামাক্কুডি এবং চেরানাল্লুরের মতো পঞ্চায়েত এলাকাগুলির মৎসচাষের ফার্মগুলিতে প্রচুর পরিমাণে মাছের মৃত্যু হয়েছে।

এদিন, মৎসচাষীরা রাস্তায় নেমে ক্ষোভ দেখান। ইলুরে স্থানীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের অফিসে মৎস চাষি, স্থানীয় মানুষ, পরিবেশকর্মী এবং কংগ্রেস কর্মীরা ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান। মরা মাছ এনে অফিসের সামনে ফেলে দেন বিক্ষোভকারীরা। বোর্ডের আধিকারিকদের বিরুদ্ধে স্লোগান দেওয়া হয়। তাদের অভিযোগ, পেরিয়ার নদীতে নিয়মিত রাসায়নিক বর্জ্য ফেলা হয় জেনেও, কারখানাগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিচ্ছে না বোর্ড। ক্ষোভের মুখে, নড়ে-চড়ে বসেছে জেলা প্রশাসন। রাজ্য দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদকে জরুরি ভিত্তিতে মাছের মৃত্যুর বিষয়ে তদন্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন জেলাশাসক এনএসকে উমেশ। ফোর্ট কোচি সাব-কালেক্টরের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ কমিটিও গঠন করেছে সরকার। কমিটিকে এই ঘটনা নিয়ে গবেষণা করে এক সপ্তাহের মধ্যে একটি প্রতিবেদ জমা দিতে বলা হয়েছে।

ইতিমধ্যে ঘটনাস্থল থেকে জল এবং মৃত মাছের নমুনা সংগ্রহ করেছেন দূষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের আধিকারিকরা। বিস্তারিত পরীক্ষার জন্য কেরল ইউনিভার্সিটি অব ফিশারিজ অ্যান্ড ওশান স্টাডিজের পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে নমুনাগুলি। দুষণ নিয়ন্ত্রণ বোর্ডের মকর্তাদের প্রাথমিক অনুমান, সম্ভবত আচমকা নদীর জলে ব্যাপক হারে অক্সিজেনের মাত্রা কমে গিয়েছে। তাতেই মাছের মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে।

তবে এলাকাটি শিল্পাঞ্চল। তাই, কারখানার রাসায়নিক বর্জ্য থেকেনদীর জল দূষিত হওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। রাসায়নিক বর্জ্য নদীতে ফেলার কারণে মাছের মৃত্যু ঘটেছে কিনা, সেই বিষয়েও একটি রিপোর্ট চেয়েছেন জেলাশাসক। দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদের পরিবেশ বিষয়ক ইঞ্জিনিয়ারকে এই রিপোর্ট দিতে হবে। জেলাশাসক আরও বলেছেন, সিসিটিভি ক্যামেরার ছবি পরীক্ষা করা হবে। যদি দেখা যায়, কারখানার রাসায়নিক বর্জ্য নদীর জলে ফেলা হচ্ছে, সেই ক্ষেত্রে যত দ্রুত সম্ভব, এই ধরনের প্রতিষ্ঠানগুলির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী, পি রাজীব জানিয়েছেন, এই বিষয়ে স্থানীয় জনগণের উদ্বেগ দূর করতে সমস্ত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। অক্সিজেনের মাত্রা কমে যাওয়া বা বর্জ্য নিঃসরণ মাছের ব্যাপক হারে মৃত্যুর কারণ কিনা, তা পরীক্ষা করলেই জানা যাবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *