বৃদ্ধ বাবা ধর্মেন্দ্রকে একা-একাই ভোট দিতে ছেড়ে দিলেন তাঁর দুই পুত্র সানি-ববি, নেটপাড়ায় তুলোধনা শুরু - Bengali News | Did you know sunny deol and bobby deol did not take their father dharmendra to cast his vote - 24 Ghanta Bangla News
Home

বৃদ্ধ বাবা ধর্মেন্দ্রকে একা-একাই ভোট দিতে ছেড়ে দিলেন তাঁর দুই পুত্র সানি-ববি, নেটপাড়ায় তুলোধনা শুরু – Bengali News | Did you know sunny deol and bobby deol did not take their father dharmendra to cast his vote

দায়িত্বজ্ঞানহীনের মতো কাজ করলেন ধর্মেন্দ্রর দুই পুত্র সানি দেওল এবং ববি দেওল! বাবাকে ভোট দিতে নিয়ে যাননি তাঁরা। সেই ক্ষোভ ধর্মেন্দ্রর কণ্ঠে ধরা পড়ে পোলিং বুথের সামনে গাড়িতে ওঠার সময়। ২০ মে, সোমবার, মুম্বইয়ে ছিল লোকসভা নির্বাচনের ভোট দান পর্ব। গোটা শহরবাসী তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেছেন এ দিন। জনসাধারণের সঙ্গে মুম্বইয়ের তামাম সেলিব্রিটি মহলও এদিন বিভিন্ন বুথে ভোট দিতে গিয়েছিলেন। পরিবারের সঙ্গে ভোট দিতে গিয়েছিলেন সানি দেওল এবং ববি দেওল। কিন্তু তাঁরা বাবা ধর্মেন্দ্রকে সঙ্গে নিয়ে যাননি।

ধর্মেন্দ্র এদিন কিছু সহকারীর সঙ্গে একাই ভোট দিতে গিয়েছিলেন কেন্দ্রে। তাঁকে ভিতরে ঢুকতে দেখা যায়। তারপর সহকারীদের সঙ্গে বাইরে বেরিয়ে এসে কালি লাগানো আঙুলটি ত্যাগ করেন ক্যামেরার দিকে। গাড়িতে ওঠার সময় সংবাদমাধ্যমের কর্মীদের সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প করেন তিনি। তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে বার্তা দিতে বলায় মেজাজ হারালেন ধর্মেন্দ্র। বলে বসলেন, “বাবা-মাকে ভালবাসো। এটাই তো অনেক।” তা হলে কি ধর্মেন্দ্রর মনে খুব দুঃখ জমা পড়েছে। ছেলেরা তাঁকে ভোট দিতে নিয়ে আসেনি, তাতে কি তিনি ক্ষুব্ধ? এমন নানা প্রশ্ন উঁকি দিচ্ছে নেটিজ়েনদের মনে। কেউ-কেউ তো এ কথাও বলেছেন, “বৃদ্ধ বাবাকে ভোট দিতে নিয়ে আসলে কি খুব ক্ষতি হয়ে যেত সানি এবং ববির।”

পরিবার অন্তঃপ্রাণ ধর্মেন্দ্র। দুটো বিয়ে করেছেন তিনি। প্রথমজন পরিবারের পছন্দ-করা পাত্রী প্রকাশ কৌর। দ্বিতীয়জন বলিউডের ড্রিম গার্ল হেমা মালিনী। দ্বিতীয় বিয়ে করলেও, প্রথম স্ত্রী প্রকাশের সঙ্গেই থাকেন ধর্মেন্দ্র। কালেভদ্র দেখা করতে যান হিমা মালিনীর সঙ্গে। ধর্মেন্দ্র তাঁর ছেলেদের সঙ্গেই সুখে শান্তিতে রয়েছেন। কিন্তু পুত্ররা কেন বাবাকে একা ছেড়ে দিলেন ভোটের দিন, সেই প্রশ্ন অনেককেই ভাবাচ্ছে। নেটিজ়েনদের কেউ-কেউ বৃদ্ধ ধর্মেন্দ্রর নুয়ে পড়া চেহারা দেখে দুঃখ প্রকাশ করে লিখেছেন, “বাবাকে কীভাবে একা ছেড়ে দিল, এটা ঠিক হয়নি”।

এই খবরটিও পড়ুন

ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে লড়েছিলেন ধর্মেন্দ্র। তিনি সাংসদও ছিলেন। রাজনীতির আঙিনার খেলা তাঁর অনেকদিনের চেনা। পাঁচ বছর সাংসদ থাকার পর স্বেচ্ছায় রাজনীতি ছেড়েছিলেন মানুষটি। তারপর বাড়িতে পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে শুরু করেছিলেন একসময়কার বলিউডে সুপারস্টার। ৮৭ বছরের ধর্মেন্দ্রর কিন্তু জীবনীশক্তি প্রচুর। এখনও নিয়মিত এক্সারসাইজ় করেন তিনি। তাঁর শেষ অভিনীত ছবি করণ জোহরের পরিচালনায় তৈরি ‘রকি ও রানি কি প্রেম কাহানি’। সেখানে জয়া বচ্চনের স্বামী এবং শাবানা আজ়মির প্রেমিকের চরিত্রে কাস্ট করা হয়েছিল ধর্মেন্দ্রকে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *