Weight Loss: রোজ এই শুকনো ফল ভেজানো জল খেলে আর জিমে যাওয়ার দরকার পড়বে না – Bengali News | Drinking raisin water can help in weight loss, know how to consume it
মেদ ঝরানো মোটেও সহজ কাজ নয়। অনেকের কাছে ওজন কমানো ‘mission impossible’-এর মতো। স্বাস্থ্যকর খাওয়া-দাওয়া করেও এক চুল সরে না ওজন মেশিনের কাঁটা। এমনকি জিমে গিয়ে ঘাম ঝরানোর পরও পুরনো জামায় ফিট হতে পারেন না। সবসময় বলা হয়, ডায়েট আর ব্যায়াম করলেই ওজন কমানো যায়। তার সঙ্গে ৭ ঘণ্টার ঘুম জরুরি, মানসিক চাপ কমানো আর ধূমপান ও মদ্যপানের মতো অভ্যাস থেকেও দূরে থাকতে হয়। অর্থাৎ, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন দরকার। আর এসব কিছুর সঙ্গে রোজ এক গ্লাস করে কিশমিশ ভেজানো জল খান। ওজন কমানো থেকে আপনাকে আর কেউ আটকাতে পারবে না।
কিশমিশকে সুপারফুড বলতে পারেন। এই শুকনো ফল হাড়কে মজবুত করা থেকে শুরু করে রক্তচাপ কমানো, ফুসফুসকে ডিটক্সিফাই করা এবং মেটাবলিজম বাড়িয়ে ওজন কমাতে সহায়ক। আপনি যখনই কিশমিশ ভেজানো জল খাবেন, এটি আপনার ওজন কমানোর প্রক্রিয়ার গতিকে বাড়িয়ে দেবে। তবে, শুধু কিশমিশ খেলে চলবে না। আপনাকে কিশমিশ ভেজানো জল খেতে হবে।
কিশমিশের মধ্যে উচ্চ পরিমাণে ফাইবার রয়েছে, যা পেটকে দীর্ঘক্ষণ ভর্তি রাখে। এটি আপনাকে অতিরিক্ত খাওয়া ও মুখরোচক খাবার খাওয়া থেকে দূরে রাখবে। এমনকি মিষ্টিজাতীয় খাবার খাওয়ার প্রতি যে আকাঙ্ক্ষা সেটাও কমিয়ে দেবে কিশমিশ ভেজানো জল। কিশমিশ মধ্যে প্রাকৃতিক শর্করা রয়েছে, যা এনার্জি জোগাতে সাহায্য করে। অন্যদিকে, কিশমিশ ভেজানো জল শরীরে জমে থাকা সমস্ত টক্সিন বের করে দেয়। পাশাপাশি দেহে প্রয়োজনীয় মিনারেল ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রদান করে। এতে হজম স্বাস্থ্য উন্নত হয় এবং মেটাবলিক রেট বাড়ে। এর জেরেই ওজন কমে।
এই খবরটিও পড়ুন
কীভাবে বানাবেন কিশমিশের জল এবং কখন খাবেন?
সসপ্যানে ২ কাপ জল ফুটিয়ে নিন। গ্যাস বন্ধ করে জল ঘরের তাপমাত্রায় আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করুন। এরপর এতে ১ কাপ কিশমিশ ভিজিয়ে দিন। কমপক্ষে ৮ ঘণ্টা কিশমিশগুলো জলে ভিজিয়ে রাখতে হবে। এরপর কিশমিশগুলো ছেঁকে ফেলে দিন। তারপর আবার ওই কিশমিশ ভেজানো জল মাইক্রোওয়েভে গরম করে নিন। কিশমিশ ভেজানোর কাজটা রাতেই সেরে ফেলুন। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে পান করুন এই কিশমিশ ভেজানো জল। দিনের শুরুতে কিশমিশ ভেজানো জল খেলে ওজন কমানো সহজ হবে।