Rinku Singh: সেলিব্রেট করার জন্য এনেছিলাম মিষ্টি-বাজি, কিন্তু… রিঙ্কুর পরিবারের অবস্থা এখন কেমন? – Bengali News | We bought sweets and crackers to celebrate says Rinku Singh’s father after T20 World Cup 2024 snub
বিশ্বকাপ টিমে সুযোগ না পাওয়ায় রিঙ্কু সিংয়ের মন কেমন? জানালেন তাঁর বাবা
Image Credit source: X
কলকাতা: ভারতের বিশ্বকাপ টিমে রিঙ্কু সিংয়ের জায়গা কার্যত পাকা ভেবেছিল তাঁর পরিবার। শুধু রিঙ্কুর পরিবারই নয়, একাধিক ক্রিকেট প্রেমীও ভেবেছিলেন রোহিত শর্মার নেতৃত্বে এ বারের টি-২০ বিশ্বকাপে (T20 World Cup) খেলতে দেখা যাবে রিঙ্কু সিংকে। কিন্তু কোথায় কী! বিশ্বকাপের জন্য ভারতের ১৫ সদস্যের টিম ঘোষণা হয়েছে। একাদশে সুযোগ পাননি রিঙ্কু। এখনও রিঙ্কু সিংয়ের (Rinku Singh) টি-২০ বিশ্বকাপে খেলার আশা রয়েছে। তা অবশ্য টিম টিম করে জ্বলতে থাকা প্রদীপের সলতের মতো আশা। কারণ রিজার্ভ ক্রিকেটারের তালিকায় রয়েছেন রিঙ্কু। বিশ্বকাপের মূল টিমে সুযোগ না পাওয়ায় রিঙ্কুর মনের অবস্থা কেমন? তা রিঙ্কুর বাবা এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন।
নাইট তারকা রিঙ্কু সিং যে বিশ্বকাপ টিমে সুযোগ পাবে, সেই আশায় বুক বেঁধেছিল তাঁর পরিবার। বিশ্বকাপ স্কোয়াডে ছেলের জায়গা পাকা ভেবে কেকেআর তারকার বাবা খানচন্দ্র সিং আগে থেকেই মিষ্টি ও বাজি কিনে এনেছিলেন। কিন্তু সেলিব্রেট করা হল না রিঙ্কুর আলিগড়ের বাড়িতে। এক সাক্ষাৎকারে রিঙ্কু সিংয়ের বাবা বলেন, ‘আশা তো অনেক ছিল। বিশ্বকাপ টিমে ও সুযোগ পেল না বলে একটু দুঃখও রয়েছে। মিষ্টি ও বাজি কিনে এনেছিলাম। ভেবেছিলাম একাদশে সুযোগ পাবে। যার ফলে কষ্ট হচ্ছে।’
বিশ্বকাপের স্বপ্নপূরণ না হওয়ার পর মন কেমন রিঙ্কু সিংয়ের? তাঁর বাবা জানান, মা-কে ফোন করে নিজের মনের অবস্থা জানিয়েছেন বাঁ হাতি ব্যাটার। এই প্রসঙ্গে রিঙ্কু সিংয়ের বাবা বলেন, ‘ওর মন খারাপ ঠিকই, কিন্তু হৃদয় ভেঙেছে এমনটা নয়। ও ওর মাকে ফোন করেছিল। তারপর জানিয়েছে একাদশে নাম নেই। তবে ১৫ সদস্যের মধ্যে নাম রয়েছে। টিমের সঙ্গে যাবে।’
Rinku Singh’s Father : Uska Dil toota hai 🙂
Chin up Champ @rinkusingh235 💪🏻💜
Long way to go 🇮🇳 pic.twitter.com/Nnsv288gIR
— Video Embed karne waale ki mkc. (@Hurricanrana_27) May 1, 2024
কুড়ি-বিশের বিশ্বকাপ টিমে রিঙ্কু সুযোগ পাননি। কিন্তু ছেলে আরও এগিয়ে যাবে সেই আশাই করছেন রিঙ্কুর বাবা। তিনি বলেন, “আমি তো এটাই চাই যে ছেলে ভারতের হয়ে আগামীতে খেলে যেন সফল হয়। ছেলের জন্য আমি পরিচিতি পেয়েছি। সকলে এখন আমাকে ওর জন্যই চেনে। বলে দেখো, ‘রিঙ্কুর বাবা যাচ্ছে’। গর্ববোধ হয়। রিঙ্কু আমার নাম উজ্জ্বল করেছে।”