Scandal: গায়ে একটা সুতোও নেই, ব্যাকসিটে ছাত্র-শিক্ষিকার চলছিল উদ্দাম যৌনতার 'খেলা'! চরম মুহূর্তে কাঁচে টোকা... - Bengali News | US Teacher Caught Having Physical Relation in Car with 17 Year old Student - 24 Ghanta Bangla News
Home

Scandal: গায়ে একটা সুতোও নেই, ব্যাকসিটে ছাত্র-শিক্ষিকার চলছিল উদ্দাম যৌনতার ‘খেলা’! চরম মুহূর্তে কাঁচে টোকা… – Bengali News | US Teacher Caught Having Physical Relation in Car with 17 Year old Student

Spread the love

নেব্রাস্কা: মাঝ রাতে রাস্তার ধারে দাঁড়ানো কালো রঙের সেডান। ঘনঘন দুলছিল গাড়িটা। উকি মারতেই দেখা গেল ভয়ঙ্কর দৃশ্য। গাড়ির পিছনের সিটে বসে সম্পূর্ণ নগ্ন এক মহিলা। আর সামনের সিট থেকে পিছনের সিটে যাওয়ার চেষ্টা করছে কিশোর। পুলিশকে দেখতে পেয়েই কোনও মতে আন্ডারওয়্যারটা পরেই গাড়ি স্টার্ট দিয়ে পালানোর চেষ্টা করে সে। কিন্তু বেশিদূর পালাতে পারল না। সামনেই একটি জায়গায় গিয়ে ধাক্কা মারে। গাড়ি থেকেই গ্রেফতার করা হয় মধ্যবয়সী এক মহিলা ও ১৭ বছরের কিশোরকে। জানা গেল, ওই কিশোর যে স্কুলে পড়ে, সেখানকারই শিক্ষিকা ওই মহিলা। স্কুলের বাইরেই তারা অবৈধ যৌন সম্পর্ক স্থাপন করতে গিয়ে ধরা পড়লেন তাঁরা।

ঘটনাটি ঘটেছে আমেরিকার নেব্রাস্কায়। বছর পঁয়তাল্লিশের এক শিক্ষিকাকে গ্রেফতার করা হয়েছে ১৭ বছরের এক কিশোর, যে তাঁর স্কুলের পড়ুয়া, তার সঙ্গে যৌন সম্পর্ক স্থাপন করার জন্য। নেব্রাস্কায় সম্মতির বয়স ১৬ হলেও, ওই শিক্ষিকার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, যা প্রমাণ হলে ২০ বছর অবধি জেল হতে পারে ওই শিক্ষিকার।

জানা গিয়েছে, এরিন ওয়ার্ড নামক ওই শিক্ষিকা তাঁর স্বামীর গাড়িতেই স্কুলের এক পড়ুয়ার সঙ্গে যৌনতায় মেতেছিলেন। মাঝ রাতে রাস্তার ধারে গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে, এক বাসিন্দার সন্দেহ হয়। তিনি পুলিশে খবর দেন। পুলিশ এসে গাড়িতে উঁকি দিতেই ‘চরম অবস্থায়’ দেখা গেল ছাত্র ও শিক্ষিকাকে। পুলিশকে দেখতে পেয়েই গাড়ি নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে কিশোর। কিন্তু কিছুদূর গিয়েই নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ধাক্কা মারে ওই গাড়ি। শিক্ষিকাকে বিবস্ত্র অবস্থায় ফেলে রেখেই পালিয়ে যায় কিশোর।

পুলিশ ধাওয়া করে কয়েকটি ব্লক পেরিয়েই ধরে ফেলে ওই কিশোরকেও। তখন ওই কিশোরের পরনে ছিল শুধু একটি টি-শার্ট ও অন্তর্বাস। শিক্ষিকার ব্যাগ তল্লাশি করে স্কুলের আইডি কার্ড খুঁজে পাওয়া যায়।  পরে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, ওই শিক্ষিকার স্বামী প্রতিরক্ষা বিভাগের শীর্ষ আধিকারিক।

ওই শিক্ষিকা জানান, অনেক বছর আগে বিয়ে হয়েছে, তিন সন্তানও রয়েছে। কিন্তু স্বামী সরকারি শীর্ষ আধিকারিক হওয়ায় অধিকাংশ সময়ই বাড়ির বাইরে থাকেন। বাড়িতে যেটুকু সময় আসেন, তাও ছেলেমেয়ের পিছনেই খরচ করেন। স্ত্রীর সঙ্গে বিশেষ মুহূর্ত কাটানোর মতো সময় নেই তাঁর হাতে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *