HC On Mathurapur OC: 'অভিযুক্তের স্ত্রীর অভিযোগে FIR নিলেন, আর গুরুতর অভিযোগে নিলেন না?' মথুরাপুরের OCকে শোকজ - Bengali News | Hc on mathurapur oc Calcutta High Court has condemned the OC of Mathurapur police station - 24 Ghanta Bangla News
Home

HC On Mathurapur OC: ‘অভিযুক্তের স্ত্রীর অভিযোগে FIR নিলেন, আর গুরুতর অভিযোগে নিলেন না?’ মথুরাপুরের OCকে শোকজ – Bengali News | Hc on mathurapur oc Calcutta High Court has condemned the OC of Mathurapur police station

Spread the love

কলকাতা: মথুরাপুরের তৃণমূল প্রার্থী বাপি হালদার এবং তাঁর স্ত্রী তথা তৃণমূলের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান শিলি হালদারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ পেয়েও এফআইআর দায়ের না করায় মথুরাপুর থানার ওসিকে শো-কজ় করল কলকাতা হাই কোর্ট।
একমাস পরেও অভিযোগ না নেওয়ায় মথুরাপুর থানার ওসি-কে শোকজ করেছেন হাইকোর্টের বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত। বিচারপতি প্রশ্ন করেন,  “ভূপতিনগরের সময়ে অনুসন্ধান না করেই শুধু অভিযুক্তের স্ত্রীর বক্তব্যে FIR নিলেন, আর এক্ষেত্রে গুরুতর অভিযোগ থাকার পরেও FIR নয় কেন?”

বিচারপতি স্পষ্ট করে দেন, ওসি-কে ১৫ দিনের মধ্যে জানাতে হবে, কেন এক মাসের উপরে FIR না করে অভিযোগ ফেলে রেখেছেন। এসপি সুন্দরবন পুলিশ জেলাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, কোনওভাবে অভিযোগকারীদের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, সে বিষয়টি সুনিশ্চিত করতে হবে। রাজ্যের বক্তব্য, “অনুসন্ধান করা হচ্ছে। বিডিও দেখছেন গোটা বিষয়।” কিন্তু রাজ্যের বক্তব্য শোনা মাত্রই বিরক্ত হন বিচারপতি জয় সেনগুপ্ত।

বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “হঠাৎ অনুসন্ধান কেন? আবার বিডিও এখানে আসছেন কোথা থেকে? কোর্ট কেন অর্ডার দেবে? যেখানে প্রাথমিক ভাবে অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে, সেখানে আবার অনুসন্ধান কেন?” তখনই বিচারপতি প্রশ্ন করেন, “আপনারা ভূপতিনগরে ক্ষেত্রে ধৃতের স্ত্রীর অভিযোগের ভিত্তিতে অনুসন্ধান না করেই FIR করে দিলেন। আর এখানে অভিযোগে যা রয়েছে, তাতে অভিযোগ জানানোর এক মাস পরেও FIR করার মতো জায়গায় পৌঁছল না পুলিশ! তথ্য নথি নষ্ট করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য এটা চেষ্টা নয়! আপনার যদি মনে হয় অভিযোগে অপরাধের কোনও ইঙ্গিত নেই, তাহলে আপনি খোলা এজলাসে অভিযোগ পড়ুন।” তারপরই তিনি ওসি-কে শোকজ করেন।

প্রসঙ্গত, আলোচনায় যে পঞ্চায়েত, মথুরাপুরের কৃষ্ণচন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত বর্তমানে বিজেপির দখলে। আগে এই গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন বাপি হালদার। পরে এই পঞ্চায়েত মহিলাদের জন্য সংরক্ষিত করা হয়। তখন প্রধান হন বাপির স্ত্রী শিলি। অভিযোগ, শিলি খাতায় কলমে প্রধান হলেও, সব কিছু দেখভাল করতেন বাপিই। ২০২৩ সালে বিজেপি এই পঞ্চায়েতের দখল নেয়। তারপর অভিযোগ তোলে, ২০১৮-১৯ সালের পর থেকে এই পঞ্চায়েতে ব্যাপর দুর্নীতি হয়েছে। তার ভিত্তিতেই মামলা দায়ের হয়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *