CBI summon TMC Leaders: এবার একযোগে ৩০ জন তৃণমূল নেতাকে নোটিস পাঠাল CBI, কারা রয়েছেন তালিকায়? – Bengali News | In Kanthi purba Medinipur 30 TMC leader get CBI Notice before lok Sabha election 2024
সিবিআই এর চিঠি গেল ৩০ জন তৃণমূল নেতার কাছেImage Credit source: TV9 Bangla
কাঁথি: ভূপতিনগরে এনআইএ (NIA)-র উপর হামলার পর থেকে অব্যাহত শাসক-বিরোধী তরজা। এই আবহে একসঙ্গে তিরিশ জন শাসক নেতাকে তলব করল সিবিআই। বিজেপি নেতা খুনের মামলায় একযোগে এই তিরিশ জন তৃণমূল নেতাকে ডেকে পাঠানো হয়েছে বলে খবর। কিন্তু নির্বাচনের কারণ দেখিয়ে পাল্টা নোটিশ তৃণমূল নেতৃত্বদের। তাদের দাবি, একাধিক কর্মসূচি রয়েছে তাই সিবিআই দফতরে হাজিরা দিতে পারবেন না। তদন্তের জন্য ফোনে কথা বলতে পারেন।
সূত্রের খবর, ২০২১ এর ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় কাঁথি ৩ ব্লকে ভাজাচাউলি এলাকায় বিজেপি নেতা জন্মেঞ্জয় দলাই খুনের ঘটনায় এই তিরিশজনকে তলব করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন কাঁথি ৩ ব্লকের সমিতির সভাপতি তথা কাঁথি সংগঠনিক জেলার আইএনটিইউসি (INTTUC) সভাপতি বিকাশ চন্দ্র বেজ। রয়েছেন কাঁথি ৩ ব্লকের একাধিক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান, উপপ্রধান ও তৃণমূলের বুধ অঞ্চল নেতৃত্বরা রয়েছেন।
কাঁথি ৩ ব্লকের সমিতির সভাপতি তথা কাঁথি সংগঠনীক জেলার তৃণমূল কংগ্রেস আইএনটিইউসি (INTTUC) সভাপতি বিকাশ চন্দ্র বেজ বলেন ” লোকসভা নির্বাচনে মাঠ ফাঁকা করতেই বিজেপি নেতাদের চক্রান্তে সিবিআই কাজ করছে। একুশে বিধানসভার মতনই ২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে বৈতরণি বারবার চেষ্টা করছে বিজেপি।”
এনিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছে রাজ্যের বিরোধী দল বিজেপি। কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি অরূপ কুমার দাস বলেন, ” অপরাধীকে অজুহাত খুঁজতে হয়। এই ঘটনাও তার ব্যতিক্রম নয়। র্মী সমর্থককে মিথ্যা মামলা দিয়েছে। এনআইএ ও সিবিআই ঘটনা গুলো ঘটেছে, তার তদন্ত করছে “।
উল্লেখ্য, গত বিধানসভা নির্বাচনে কাঁথি ৩ ব্লকের তৃণমূল নেতার নন্দদুলাল মাইতিকে বেধড়ক মারধরের অভিযোগ উঠে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। রক্তাক্ত জখম অবস্থায় ওই তৃণমূল নেতা নন্দদুলাল মাইতিকে কাঁথি মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ভোট পরবর্তী হিংসায় পাল্টা বিজেপি নেতা জন্মোঞ্জয় দলাইকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে তৃণমূল কর্মী সমর্থকদের বিরুদ্ধে। এরপর ফাঁকা মাঠে বিজেপি নেতা জন্মোঞ্জয় দলাইয়ের দেহ মেলে। বিজেপি নেতৃত্ব থেকে পরিবারের সদস্যদের দাবি ছিল তৃণমূল নেতৃত্বরা খুন করে দেহ ফাঁকা মাঠে ফেলে দিয়ে গিয়েছে। এই ঘটনায় প্রথমে মারিশদা থানায় পুলিশ তদন্ত করে। মৃত বিজেপি নেতা পরিবারে সদস্যদের দাবি ছিল সিবিআই তদন্ত চাই। সেই মতো মারিশদা থানা থেকে তদন্তের দায়ভার নেয় সিবিআই।