Sheikh Shahjahan: ‘ওকে গুলি করে মারা হোক’, শাহজাহানকে দেখেই চোর চোর স্লোগান, তপ্ত জোকা ইএসআই - Bengali News | Chor chor slogans at Joka ESI hospital seeing Seikh Shahjahan of Sandeshkhali - 24 Ghanta Bangla News
Home

Sheikh Shahjahan: ‘ওকে গুলি করে মারা হোক’, শাহজাহানকে দেখেই চোর চোর স্লোগান, তপ্ত জোকা ইএসআই – Bengali News | Chor chor slogans at Joka ESI hospital seeing Seikh Shahjahan of Sandeshkhali

Spread the love

জোকা ইএসআই হাসপাতালে চোর চোর স্লোগান Image Credit source: TV-9 Bangla

কলকাতা: জোকা ইএসআই হাসপাতালে শাহজাহানকে দেখে চোর চোর স্লোগান। স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য নিয়ে যাওয়া হলে শাহজাহানকে দেখে লাগাতার স্লোগান, বিক্ষোভ। পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের পর এই নিয়ে দ্বিতীয়বার তৃণমূলের কোনও নেতাকে দেখে জোকা ইএসআই হাসপাতালে চোর চোর স্লোগান দেওয়া হল। সূত্রের খবর, শেখ শাহজাহানকে যখন মেডিকেল চেক আপ করে বের করা হয় তখন সেখানে উপস্থিত রোগীর পরিজনেরা চোক স্লোগান তোলেন। 

শুধু স্লোগান তোলাই নয় তাঁর নিরাপত্তায় থাকা বাহিনীদের সন্দেশখালিতে পাঠানোর দাবি ওঠে। অনেকেই বলেন, শাহজাহানকে নিরাপত্তা না দিয়ে সন্দেশখালিতে যে সমস্ত বুথ রয়েছে সেখানে নিরাপত্তা জোরদার করা হোক। এর যাতে বুথ দখল করতে না পারে সেই কারণে সেখানের নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হোক। একজন তো চেঁচিয়ে বলেন, “একজন তো চেঁচিয়ে বলে উঠলেন, এদের গুলি করে মেরে ফেলা হোক। এনকাউন্টার করা হোক। না হলে তিহাড় জেলে পাঠানো হোক। এরা সন্দেশখালির ত্রাস।”

এই খবরটিও পড়ুন

প্রসঙ্গত, বর্তমানে ইডি হেফাজতে আছেন সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। রেশন দুর্নীতিতে যুক্ত থাকার অভিযোগ রয়েছে এই শাহজাহানের বিরুদ্ধে। একইসঙ্গে সন্দেশখালির সাধারণ মানুষের জমি-ভেড়ি জবর দখলেরও অভিযোগ রয়েছে শাহজাহান বাহিনীর বিরুদ্ধে। এদিকে এদিন হাসপাতালেই ফের মুখ খুলতে দেখা যায় শাহজাহানকে। গত বুধবারও আদালতে পেশের আগের জোকা ইএসআই হাসপাতালে তাঁকে নিয়ে গিয়েছিল ইডি। সেখানেও ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করতে দেখা যায় তাঁকে। স্পষ্ট বলেছিলেন, “সব মিথ্যা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র হচ্ছে।” কিন্তু কারা করছে ষড়যন্ত্র? উত্তরে শাহজাহান বলেছিলেন ‘বুঝতেই পারছেন…।’ এদিন তাঁর মুখে শোনা গেল প্রায় একই কথা। এদিনও বলেন, ”এটা রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র। জানেন না ভোটের সময় কারা এগুলি ব্যবহার করে।” 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *