EPFO Issue: ইপিএফের সুদ গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে কবে? - Bengali News | EPFO Fund: Will the interest be deposited in accounts? - 24 Ghanta Bangla News
Home

EPFO Issue: ইপিএফের সুদ গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে কবে? – Bengali News | EPFO Fund: Will the interest be deposited in accounts?

Spread the love

চলতি আর্থিক বছরে ৮.২৫ শতাংশ হারে সুদ পাবেন এমপ্লয়িজ প্রভিডেন্ট ফান্ডের গ্রাহকরা। গত ফেব্রুয়ারিতে এই সুদের হার ঘোষণা করে ইপিএফও। ইপিএফের সুদ গ্রাহকদের অ্যাকাউন্টে জমা পড়বে কবে? প্রশ্নটা উঠছে, কারণ গত কয়েক বছর ধরে একেবারে নিয়ম করে সুদ জমা পড়ার দিন পিছিয়েই যাচ্ছে। শেষ তিন বছরের কথাই ধরুন। ২০২০-২১, ২০২১-২২ ও ২০২২- ২৩ অর্থবর্ষে ইপিএফের সুদ জমা পড়েছে দীপাবলির পর। মানে সেই অক্টোবর পার করে। অথচ এপ্রিল- মে মাসেই ইপিএফের সুদ জমা পড়ার কথা। ইপিএফও-র তথ্যও বলছে, ২০১৭ সাল পর্যন্ত মোটামুটি নির্দিষ্ট সময়েই সুদ জমা পড়েছে। এরপর থেকেই সেটা পিছোতে পিছোতে এখন অক্টোবর – নভেম্বরে সুদ পাচ্ছেন গ্রাহকরা। স্ট্রেট কাটের এক দর্শক আমাকে প্রশ্ন করেছেন, এই যে নির্দিষ্ট সময়ের প্রায় ৬ মাস পর সুদ জমা পড়ছে, এতে কি গ্রাহকরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন না? ধরুন ২০২৪ সালের ৩১ মার্চ পর্যন্ত এ বাবুর পিএফ অ্যাকাউন্টে সুদযোগ্য ১ লক্ষ টাকা জমেছে। তিনি এপ্রিলে ৮ হাজার টাকা সুদ পেলেন। এতে কী হবে? এ বাবু ওই এপ্রিল মাস থেকে ১ লক্ষ ৮ হাজার টাকার উপর তার সুদ পেতে শুরু করবেন। সেখানে তিনি যদি নভেম্বরে গিয়ে সুদের টাকা পান, তা হলে কি তাঁর আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে না? প্রশ্ন তাঁর। দেশের প্রাক্তন এক অর্থসচিবও টুইটে এনিয়ে ইপিএফও-কে প্রশ্ন করেছেন। তাঁর প্রশ্ন, প্রতিবার সুদ জমা পড়তে এত দেরি হলে গ্রাহকের আর্থিক ক্ষতি তো হচ্ছেই, সঙ্গে ইপিএফের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এ ব্যাপারে ইপিএফের উচিত নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা। তাঁদের জানানো উচিত, কেন প্রতি বছর সুদ জমা পড়তে এত দেরি হচ্ছে। জবাবে ইপিএফও জানায়, চলতি আর্থিক বছরে সুদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এটি বেশ দীর্ঘ প্রক্রিয়া ও তাই এক্ষেত্রে অনেকটা সময় লাগে। অদ্ভুত কথা। অর্থমন্ত্রকের অনুমোদন আসার পরই তো সুদের হার ঘোষণা হয়, তা হলে আবার নতুন কী প্রক্রিয়া? ইপিএফও-র এক আধিকারিক আমাকে বললেন, নতুন অর্থবর্ষে সুদ দেওয়ার আগে সরকারিভাবে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রকে প্রস্তাব পাঠাতে হয়। সেটা পাঠায় কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক। অর্থমন্ত্রক তাতে অনুমোদন দিলে, তবেই সুদ দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। দেরিতে সুদ জমা পড়ার পিছনে এগুলো কি কোনও যুক্তি হতে পারে? আমার তো মনে হয়, এসব কোনও যুক্তিই নয়। কেননা, যখন সময়ে সুদ জমা পড়ত, তখনও তো এই এক পদ্ধতি মেনেই হত। তা হলে এখন দেরি হচ্ছে কেন? আরও খোঁজখবর নিতে গিয়ে বুঝলাম, কেন্দ্রীয় শ্রমমন্ত্রক থেকে প্রয়োজনীয় নথি অর্থমন্ত্রকে পাঠাতে যথেষ্টই দেরি হচ্ছে। গত তিন- চার বছর ধরে এই সমস্যা। ফল পুরো প্রক্রিয়াটাই পিছিয়ে যাচ্ছে। ইপিএফও-র এক শীর্ষকর্তা আমাকে বললেন, এই সুদ জমার বিষয়টা নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি আছে। ইপিএফের সুদ মাসিক ভিত্তিতে হিসাব করা হয় ও আর্থিক বছরের শেষে একসঙ্গে গ্রাহকের অ্যাকাউন্টে জমা দেওয়া হয়। তাই সুদ পেতে দেরি হলেও গ্রাহকের আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা নেই। তাঁর আশ্বাস, যদি কোনও গ্রাহক ইপিএফের পুরো টাকা তুলেও নেন, তা হলেও তাঁকে শেষদিন পর্যন্ত হিসাব করে সুদ সহ টাকা মিটিয়ে দেওয়া হয়। দেখুন, ইপিএফের এই দাবি কতটা ঠিক – কতটা ভুল – তা সবসময় বুঝে ওঠা অনেকের পক্ষেই সম্ভব হয় না। তাই কয়েক কোটি ইপিএফ গ্রাহকের হয়ে আমাদের দাবি, ইপিএফে সুদ দিতে দেরির কারণ খতিয়ে দেখা হোক। এবং খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। ইপিএফের টাকা সাধারণ মানুষের কষ্টের টাকা। সরকার এখানে এক টাকাও দেয় না। তাই এই টাকায় সময়ে সুদ পাওয়া যে কোনও গ্রাহকেরই অধিকার। যত দ্রুত সম্ভব তা নিশ্চিত করতে হবে কেন্দ্রকে।

বহুদিন ধরে এই অপেক্ষাতেই ছিল বিজ্ঞানী ও চিকিত্‍সকদের একটি অংশ। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী এমআরআই মানুষের মাথার স্ক্যান করে কেমন ছবি তোলে, সেই ছবি থেকে অজানা, অধরা প্রশ্নগুলোর উত্তর মেলে কীনা – তা নিয়েই ছিল দীর্ঘ অপেক্ষা। এবং অবশেষে অপেক্ষার অবসান। গত সোমবার ও মঙ্গলবার বেশ কয়েক দফায় মানব মস্তিষ্কের ছবি তুলল ইসেলট। ইসেলট দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী এমআরআই মেশিন। ইসেলটের আগে মানুষের হাতে সবচেয়ে শক্তিশালী এমআরআই মেশিন বলতে ছিল ব্রেমেট। ইসেলট ব্রেমেটের তুলনায় ৫০ গুণ বেশি শক্তিশালী। ফটিকের মতো স্বচ্ছ, নির্ভুল মানব মস্তিষ্কের ছবি। ইসেলট প্রকল্পে যুক্ত এক বিজ্ঞানী সংবাদসংস্থা এপি-কে জানিয়েছেন, ইসেলটের আগে এত স্বচ্ছ, এত স্পষ্ট মানব মস্তিষ্কের ছবি মানুষের হাতে আসেনি। মানব মস্তিষ্ক এখনও এমন এক ধাঁধা, যার অনেক কিছুই এখনও মানুষের অজানা। ২০১৪ সালে দুনিয়ার একদল বিজ্ঞানী ও চিকিত্‍সক অভিনব এক প্রকল্পে কাজ শুরু করেন। প্রজেক্ট ব্রেন। উদ্দেশ্য মূলত তিনটি। এক, মাথার এক রহস্যজনক অংশের খোঁজ, বিজ্ঞানীরা মজা করে যাঁর নাম দিয়েছেন বাই ডিফল্ট। দ্বিতীয়ত, ব্রেন কোন সময়ে, কোন পরিস্থিতিতে কাজ করা বাড়াচ্ছে বা কমাচ্ছে, তার ম্যাপিং করা। তিন, মানুষ ছোট, ছোট জিনিস কেন ভুলে যাচ্ছে, সেই রহস্য উদঘাটন করা। এই প্রশ্নের উত্তর পেতে মানব মস্তিষ্কের একটা স্পষ্ট ছবি হাতে আসাটা খুবই দরকার ছিল। ইসেলট এমআরআই মেশিন হাতে আসায় এবার সেই তিনটে প্রশ্নের খোঁজার কাজটা হয়ত একটু সহজ হবে। বিষয়টা নিয়ে ঘাঁটাঘাঁটি করতে গিয়েই জানতে পারলাম, তিনটি উদ্দেশ্যের মধ্যে প্রথমটা অর্থাত্‍ বাই ডিফল্ট নিয়েই নাকানিচোবানি খাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। তাঁরা দেখেছেন, আমাদের একটা অদ্ভুত ব্রেন আছে, যা বাই ডিফল্টের দিকেই কাত হয়ে থাকে। তখন আপনার ব্রেন যা স্টোর করে, তা অনেক দীর্ঘস্থায়ী ভাবে ধরে রাখে। বিষয়টা একটু খুলে বলা দরকার। ধরা যাক, আপনি গাড়িতে বা বাসে করে অফিস যাচ্ছেন। যাওয়ার সময় রাস্তায় কোনও কিছুর দিকেই সেভাবে মন দিচ্ছেন না। আপনার ব্রেন কিন্তু তখন থেমে নেই। সে নিজের কাজ করে যাচ্ছে। তাই আপনি না চাইলেও আপনার স্মৃতিতে নানা ঘটনা, গান কিংবা মুহূর্তের ছবি ভেসে উঠছে ও মিলিয়ে যাচ্ছে। কোন ঘটনাগুলো ভেসে উঠছে? যেগুলো বাই ডিফল্ট আমার – আপনার মাথায় রয়ে গিয়েছে, সেইগুলো…

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *