গয়না পরতে ভালবাসতেন, 'বাপ্পিদা'র সেই তাল তাল সোনা এখন কোথায় জানেন? - Bengali News | Bappi Lahiri Left Behind Gold Jewellery Worth Rs. 38 Lakh, where it is now - 24 Ghanta Bangla News
Home

গয়না পরতে ভালবাসতেন, ‘বাপ্পিদা’র সেই তাল তাল সোনা এখন কোথায় জানেন? – Bengali News | Bappi Lahiri Left Behind Gold Jewellery Worth Rs. 38 Lakh, where it is now

Spread the love

‘বাপ্পিদা’র সেই তাল তাল সোনা এখন কোথায় জানেন?

২০২২ সালে স্লিপ অ্যাপনিয়ায় মৃত্যু হয়েছিল বাপ্পি লাহিড়ির। তাঁর আচমকা প্রয়াণে তামাম বিশ্ব হয়েছিল বাকরুদ্ধ। বাপ্পি লাহিড়ি মানেই গা ভর্তি গয়না, সোনার হার ও সানগ্লাস। গয়না পরতে খুবই ভালবাসতেন তিনি। হাতে, গলায় পরে থাকতেন লক্ষ লক্ষ টাকার অলঙ্কার। তাঁর মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে সেই সব গয়নাও কি হয়ে গিয়েছে পঞ্চভূতে বিলীন? নাকি বদলে গিয়েছে মালিকানা? কার কাছে এখন সেই গয়না? রইল বিস্তারিত। ইন্ডিটা টুডের এক রিপোর্ট জানাচ্ছে, ২০১৪ সালেই এক এফিডেবিট করে গিয়েছিলেন বাপ্পি। সেখানে উল্লেখ ছিল তাঁর কাছে মোট ৭৫৪ গ্রাম সোনা রয়েছে। যার বাজারমূল্য সেই সময় ছিল ভারতীয় মুদ্রায় ৩৮ লক্ষ ৭১ হাজার ৭৯০ টাকা। সেখানে আরও লেখা ছিল তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর যাবতীয় অলঙ্কারের দায়িত্ব পাবেন ছেলে বাপ্পা ও মেয়ে রিমা। তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর ইচ্ছাকে মর্যাদা দিয়ে সেই অলঙ্কার গচ্ছিত রয়েছে রিমা ও বাপ্পার কাছেই। তবে তা তাঁরা বিক্রি করেননি মোটেও। রিপোর্ট জানাচ্ছে, বাবার স্মৃতি হিসেবে তা গচ্ছিত আছে পরিবারের অন্দরেই।

তবে বাপ্পি লাহিড়ি যে শুধু গয়নারই মালিক ছিলেন তা নয়। গাড়িরও শখ ছিল তাঁর। ছিল বিমএমডব্লিউ, টেসলা এক্স, অডির মতো দামি গাড়ি। প্রায় ২২ কোটি টাকা সম্পত্তি আগামী প্রজন্মের জন্য রেখে গিয়েছেন এই গায়ক। কেন এত সোনায় গয়না পরতেন? সে বিষয়ে জীবিত থাকাকালীন মুখ খুলেছিলেন ডিস্কো কিং। জানিয়েছিলেন, সোনা তাঁর লাকি চার্ম। সেই কারণেই সব জায়গাতে সোনা নিয়ে যেতেন তিনি। যত্ন করতেন অলঙ্কারের।

মাত্র ১৯ বছর বয়সে সঙ্গীত জগতে প্রবেশ করেছিলেন বাপ্পি লাহিড়ি। বলিউডের ‘ডিস্কো বয়’ নামেই পরিচিত বাপ্পি লাহিড়ি তাঁর হাসিমুখ, সকলের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার স্বভাবই সঙ্গীত জগৎ থেকে সাধারণ মানুষের মধ্যে তিনি ছিলেন জনপ্রিয়। ২০২২ সালে আচমকাই তাঁর প্রয়াণে সঙ্গীতজগৎ হারায় এক উজ্জ্বল নক্ষত্রকে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *