Duttapukur: কমিউনিটি হলের পাশেই রামোজি ফিল্প সিটির প্রাক্তন আর্ট ডিরেক্টরকে দেখে আগুন চড়ল পড়শিদের মাথায় - Bengali News | Duttapukur Body of former Art Director of Ramoji Film City recovered - 24 Ghanta Bangla News
Home

Duttapukur: কমিউনিটি হলের পাশেই রামোজি ফিল্প সিটির প্রাক্তন আর্ট ডিরেক্টরকে দেখে আগুন চড়ল পড়শিদের মাথায় – Bengali News | Duttapukur Body of former Art Director of Ramoji Film City recovered

Spread the love

উত্তর ২৪ পরগনা:   রামোজি  ফিল্ম সিটির এক জন আর্ট ডিরেক্টর ছিলেন। তাঁর হাত ধরে রামোজি ফিল্ম সিটিতে অনেকের চাকরিও হয়েছে। অবসর নেওয়ার পর বারাসতে একটি কমিউনিটি হলও তৈরি করেন। সেই কমিউনিটি হলের পাশেই গাছের ডালে ঝুলছিল আর্ট ডিরেক্টরের দেহ। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার দত্তপুকুরে। দত্তপুকুরের বুলবুল কমিউনিটি হলের মালিকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার ঘিরে চাঞ্চল্য। পুলিশ জানিয়েছে, মৃতের নাম সমীর পাল (৬৩)। পরিবার তথা স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, খুন করা হয়েছে সমীরকে। সমীরকে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। প্রতিবাদে ৩৫ নম্বর জাতীয় সড়ক কাঠের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করেন এলাকার মানুষজন।  ঘটনাস্থলে দত্তপুকুর থানার পুলিশ ।

সমীর পাল দত্তপুকুর থানার টালিখোলা বুলবুল কমিউনিটি হলের মালিক কমিউনিটি হলের মালিক। মঙ্গলবার সকালে হলের পাশেই একটি গাছে ঝুলন্ত দেহ দেখতে পায় এলাকার মানুষজন । এলাকার মানুষের দাবি, তাঁকে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে এই অভিযোগ তুলে ৩৫ নম্বর জাতীয় সড়ক কাঠের গুঁড়ি ফেলে অবরোধ করেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

তাঁদের দাবি, মৃতদেহ যেভাবে রয়েছে, তা দেখে নিশ্চিত মনে হচ্ছে তাঁকে খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। সমীর পাল রামোজি ফিল্ম সিটির একজন আর্ট ডিরেক্টর ছিলেন । দত্তপুকুর এলাকার প্রচুর মানুষ তার হাত ধরে রামোজি ফিল্ম সিটিতে কাজও পেয়েছেন । তিনি অবসর নেওয়ার পর দত্তপুকুর বাজারের কাছেই বুলবুল কমিউনিটি সেন্টার তৈরি করেন। আর সেই কমিউনিটি সেন্টারেই পাশে একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখতে পায় পরিবারের লোকজন। যেভাবে মৃতদেহ দেখতে পায় এলাকার মানুষের অভিযোগ তাকে মেরে ঝুলিয়ে দেয়া হয়েছে। দোষীদেরকে গ্রেফতার করতে হবে, এই দাবি তুলেই ৩৫ নম্বর জাতীয় সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মানুষজন ।

পুলিশ প্রশাসনের আশ্বাসের পর অবরোধ প্রত্যাহার করেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মৃতদেহ উদ্ধার করে ইতিমধ্যেই ময়নাতদন্তের জন্য বারাসাত হাসপাতালে পাঠানো হয়। কী কারণে খুন, গোটা বিষয়ে তদন্ত করে দেখছে দত্তপুকুর থানার পুলিশ।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *