প্রথম চুমুর পর 'তিক্ত' অভিজ্ঞতা, টানা ১ মাস শারীরিক সম্পর্ক ছিল না সইফ-অমৃতার - Bengali News | When saif ali khan and amrita singh had a fight after first kiss - 24 Ghanta Bangla News
Home

প্রথম চুমুর পর ‘তিক্ত’ অভিজ্ঞতা, টানা ১ মাস শারীরিক সম্পর্ক ছিল না সইফ-অমৃতার – Bengali News | When saif ali khan and amrita singh had a fight after first kiss

Spread the love

সইফ আলি খান ও অমৃতা আরোরা, যাঁদের সম্পর্ক নিয়ে নানা জল্পনা নানা সময় বলিউডের অন্দরমহলে জায়গা করে নিয়েছে। তাঁদের প্রেম থেকে শুরু করে, অসম বয়সে বিয়ে, সন্তান হওয়া এমনকি বিচ্ছেদ, সবটাই যেন খোলা বইয়ের মত। এই জুটির জীবনের প্রতিটা ধাপে কী কী ঘটেছে তা সবটাই জানা রয়েছে ভক্তদের। তবে জানেন কি, এই জুটির প্রথম চুম্বনের পর ঠিক কী ঘটেছিল? সইফ আলি খান ও অমৃতা একে অপরকে পছন্দ করতেন, এমনই সময় একদিন অমৃতার বাড়িতে ডিনার করতে গিয়েছিলেন সইফ আলি খান। সে সময় অমৃতা বাড়িতে বসে নিজের মেকআপ তুলছিলেন। অমৃতার আসল রূপ দেখে সাইফ নিজের চোখকে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না। যদি অমৃতার মধ্যে নাকি তখন কোথাও বিন্দুমাত্র অস্বস্তি দেখা যায়নি সেই মুহূর্তে।

এক সাক্ষাৎকারে সইফ আলি খান জানান, অমৃতা তখন খুব সহজভাবেই বলেছিলেন ‘এটাই আমি এটাই আমার আসল রূপ। দেখে নাও।’ অমৃতা সেই সততা আরও যেন মন জয় করেছিল সাইফ আলি খানের। এই জুটি তখন একে অন্যকে ছাড়া আর কিছুই বুঝতে পারতেন না। তবুও একমাস কোনও শারীরিক সম্পর্ক ছাড়াই একসঙ্গে ছিলেন তাঁরা। তার কারণও দ্বিধাবোধ না করেই সাইফ আলি খান জানিয়েছিলেন। কাছাকাছি আসার পর একে অপরকে যখন প্রথম চুম্বন করেন তাঁরা, সেই সময় সইফ বলেছিলেন, ‘আই লাভ ইউ আমি তোমায় ভালবাসি’। উত্তরে অমৃতাও জানিয়েছিল, ‘আমিও তোমায় ভালবাসি। তবে ভালবাসতাম না, এই মুহূর্তটার অনুভূতিটা কেমন যেন অন্যরকম ছিল, তাই…।’

কথাটা শোনার পর অবাক হয়েছিলেন সইফ আলি খান। এরপর তাঁরা একই ছাদের তলায় থাকলেও তাঁরা এক মাস শারীরিক সম্পর্কে লিপ্ত হননি। সইফ আলি খানের কথায় ‘একই বাড়িতে থাকলেও আমি আলাদা ঘরেই ঘুমতাম’। যদিও এই জুটির একে অপরের কাছে আসতে খুব বেশি সময় লাগেনি, তারপর বিয়ে এবং দুই সন্তান সবটাই চলছিল ভীষণ সুন্দরভাবে। যদিও ভাগ্যেই ছিল অন্য লিখন, একটা সময়ের পর তাঁরা যখন একে অপরে হাত ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন, সেই চর্চা তাঁদের প্রেমের চর্চা কেউ ছাপিয়ে যায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *