Fatty Liver in Kid: আপনার বাচ্চাও ভুগতে পারে ফ্যাটি লিভারে, সন্তানকে সুরক্ষিত রাখবেন যে টোটকায়
ফ্যাটি লিভারের সমস্যা এখন ঘরে ঘরে। মূলত খাদ্যাভ্যাস এবং শরীরচর্চার অনীহার কারণেই ফ্যাটি লিভারের সমস্যা বাড়ে। কিন্তু আজকাল বড়দের পাশাপাশি বাচ্চারাও ফ্যাটি লিভারে ভুগছে। এটা উদ্বেগজনক।
বাচ্চাদের মধ্যে ফাস্ট ফুড ও মিষ্টি খাবার খাওয়ার চল বেশি। আর খেলাধুলোর সময় কম। এর জেরেই বাচ্চাদের লিভারের ক্ষতি হচ্ছে। ঠিক যেমন অনেক বাচ্চাই কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যায় ভোগে।
বাচ্চাদের মধ্যে ফ্যাটি লিভারের সমস্যাকে প্রতিরোধ করতে হবে বাবা-মাকেই সচেতন হতে হবে। খাওয়া-দাওয়া নিয়ে সতর্ক না হলে ফ্যাটি লিভার, ওবেসিটির মতো নানা সমস্যা আরও জাঁকিয়ে বসবে।
আপনার সন্তান যদি ফ্যাটি লিভারের সমস্যায় ভোগে, তাহলে ওজন কমানো জরুরি। খেলাধুলোর পাশাপাশি বাচ্চাকে যোগব্যায়ামে ভর্তি করুন। ছোট বয়সে যত বেশি শরীরচর্চা করবে, শারীরিক বিকাশ হবে। পাশাপাশি রোগের হাত থেকে সুরক্ষিত রাখতে পারবে।
বায়না করলেই বাইরের খাবার কিনে দেন? এই অভ্যাস মোটেও ভাল নয়। চিপস, বার্গার, ফ্রায়েড চিকেন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাইয়ের মতো খাবার থেকে যত দূরে থাকবে, আপনার সন্তানও সুস্থ থাকবে। বাচ্চার ডায়েটে শাকসবজি, ফল, দানাশস্য, বাদাম বেশি করে খান।
বেরিজাতীয় ফল, আপেল, কমলালেবু, কলা, খেজুর, মুসাম্বি লেবু, ব্রকোলি, বেলপেপার, রাঙা আলু, গাজর, টমেটো, বেগুন, বিভিন্ন ধরনের শাক, বিভিন্ন ধরনের ডাল, বিভিন্ন ধরনের বাদাম, মাছ, চিকেন ইত্যাদি ডায়েটে রাখুন।
মুখরোচক খাবার কার না খেতে ভাল লাগে! বাচ্চার যদি ফাস্ট ফুড খেতে ইচ্ছে করে, সেই খাবার বাড়িতেই বানিয়ে নিন। চাউমিন, বিরিয়ানি, চিলি চিকেনের মতো মুখরোচক খাবার বাড়িতে বানিয়ে খাওয়া অনেক বেশি স্বাস্থ্যকর। এতে লিভারের উপর চাপ পড়ে না।
আইসক্রিম, কোল্ড ড্রিংক্স, কেক, কুকিজের মতো খাবার কৃত্রিম চিনি থাকে। এগুলো আপনার সন্তানের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী নয়। এই ধরনের প্রক্রিয়াজাত খাবার থেকে সন্তানকে দূরে রাখুন। এতে ওবেসিটির ঝুঁকিও এড়াতে পারবেন খুব সহজেই।







