Kolkata: গার্ডেনরিচ কাণ্ড থেকে শিক্ষা নিয়ে কোন পথে আটকাবে বেআইনি নির্মাণ? সামনে এসে গেল রূপরেখা – Bengali News | How to prevent illegal construction by learning from Gardenrich incident, outline came
বড় সিদ্ধান্তের পথে কলকাতা পুরনিগমImage Credit source: Facebook
কলকাতা: গার্ডেনরিচ কাণ্ডের পর নড়েচড়ে বসেছে প্রশাসন। বেআইনি নির্মাণ রোধে কঠোর কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। এদিনই লালবাজারের পদস্থ কর্তাদের সঙ্গে বৈঠকও করেন। পুলিশ ও আইনজ্ঞদের সঙ্গে বৈঠকের পর নতুন করে নোটিফিকেশন করা হয়েছে কমিশনারের তরফে। কলকাতা পুরনিগমের ৪০১ এর এ ধারা অনুযায়ী অবৈধ নির্মাণকারীর পাঁচ বছর পর্যন্ত জেল হতে পারে। এই আইনকেই কমপক্ষে ৭ বছর বা তার বেশি করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। এই আইনের ধারার সঙ্গে প্রতারণা, জোচ্চুরির ক্ষেত্রে আইনের যে ধারাগুলি দেওয়া হয় সেগুলি যোগ করা যায় কিনা তার জন্য শহরের বিশিষ্ট আইনজীবী এবং পুলিশকে একটি রিপোর্ট তৈরি করতে বলা হয়েছে বলে খবর। তৈরি হয়েছে এওপি বা স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিউর।
কী বলছে এই এসওপি? বলা হচ্ছে, একজন সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারকে প্রতিদিন নিজের ওয়ার্ডে ঘুরতে হবে এবং অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করতে হবে। একইসঙ্গে অবৈধ নির্মাণের কাজ বন্ধ করে প্রোমোটার বা মালিককে কলকাতা পুরসভার বিল্ডিং আইনের ৪০১ ধারায় নোটিশ দিতে হবে। স্পষ্ট করে এটাও বলা দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে জটিলতা কোথায় সেই নোটিসের কপি স্থানীয় থানার ওসিকে দিতে হবে এবং বেআইনি নির্মাণ তৈরির কাজ বন্ধ করতে বলতে হবে। এই কপি ডেপুটি পুলিশ কমিশনার এবং যুগ্ম পুলিশ কমিশনারের কাছে পাঠিয়ে দিতে হবে।
এই খবরটিও পড়ুন
একইসঙ্গে একজন অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ারকে অত্যন্ত দায়িত্ব নিয়ে নজরদারি করতে হবে যে সাব অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার বেআইনি নির্মাণ চিহ্নিত করার পর সেটা ভাঙার জন্য সঠিক নকশা তৈরি করছে কিনা সে বিষয়ে। অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার যদি দেখেন কলকাতা পুরসভার দেওয়া ৪০১ ধারায় নোটিশ অগ্রাহ্য করে বেআইনি নির্মাণের তৈরির কাজ চলছে, তাহলে কলকাতা পুরসভার ৪০১ (এ) ধারা অনুযায়ী ওই অ্যাসিস্ট্যান্ট ইঞ্জিনিয়ার থানায় এফআইআর করবে। বরোর ইঞ্জিনিয়ারদের তরফে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনে জানানোর পরেও যদি বেআইনি নির্মাণ ভাঙতে দেরি হয় তাহলে সংশ্লিষ্ট বরো থেকে এক্সিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার কলকাতা পুরসভা বিল্ডিং বিভাগের ডিজিকে জানাবেন। ডিজি জানাবেন কলকাতা পুরসভার কমিশনারকে। কলকাতা পুরসভার কমিশনার কলকাতা পুলিশের কমিশনারের সঙ্গে কথা বলে যাবতীয় ব্যবস্থা নেবেন। দেওয়া হয়েছে সেই নির্দেশও।