Indian Army: ফিউচার ওয়ারফেয়ারের জন্য তৈরি ভারত, শত্রুর খেল খতম করবে সেনার এই নতুন এলিট টিম – Bengali News | Indian Army New Elite Unit STEAG all you need to know about this team
নয়া দিল্লি: ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য প্রস্তুতি লম্বা লাফ দিল ভারতীয় সেনা। এবার শত্রুবিনাশে প্রস্তুত ভারতীয় সেনার নতুন এলিট ইউনিট স্টিগ (STEAG)। পুরো নাম সিগনালস টেকনোলজি ইভালিউশন অ্যান্ড অ্যাডপ্টেশন গ্রুপ। সংক্ষেপে স্টিগ। ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য সবরকমভাবে প্রস্তুত থাকবে এই স্পেশাল ইউনিট, যা ভারতীয় সেনায় এই প্রথম। ভবিষ্যতের প্রযুক্তি যেমন আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, ফাইভ জি প্রযুক্তি, সিক্স জি প্রযুক্তি, মেশিন লার্নিং, কোয়ান্টাম প্রযুক্তি এবং প্রতিরক্ষা সংক্রান্ত অ্যাপ্লিকেশন সব থাকবে এই এলিট ইউনিটের নখদর্পণে।
ভারতীয় সেনাকে পরবর্তী প্রজন্মের যুদ্ধশৈলী ও ক্ষমতার সঙ্গে সজ্জিত করার টার্গেটের পথে আরও এক বড় ধাপ এই স্টিগ টিম। গত বছরই সাইবার যুদ্ধের প্রস্তুতির জন্য ভারতীয় সেনা সাইবার অপারেশনস কমান্ড ও সাপোর্ট উইংস (CCOSW) চালু করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। স্টিগ ইউনিট মূলত মোবাইল কমিউনিকেশনস, সফ্টওয়ার ডিফাইড রেডিয়ো, ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেমের মতো গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রগুলির উপর কাজ করবে। তারযুক্ত (wired) বা তারবিহীন (wireless) উভয় প্রকার সিস্টেমের উপরেই কাজ করতে সিদ্ধহস্ত হবে এই স্টিগ টিম। ভবিষ্যতের যুদ্ধ কেমন হবে, সেকথা মাথায় রেখে ভারতীয় সেনার জন্য অত্যাধুনিক প্রযুক্তি সম্ভার সাজিয়ে তুলবে এই এলিট ইউনিট।
যুদ্ধের প্রকৃতি যেভাবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে বদলাচ্ছে, তাতে নতুন প্রযুক্তি যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ সে বিষয়ে আগেই আলোকপাত করেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে। প্রযুক্তি যেভাবে সর্বক্ষেত্রে নিজের অস্তিত্ব প্রমাণ করছে, তাতে যুদ্ধের ময়দানের অদূর ভবিষ্যতে প্রযুক্তি একটি বড় গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হয়ে উঠতে পারে বলে মনে করছেন অনেকে। সেক্ষেত্রে কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, মেশিন লার্নিং, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ফাইভ জি ও সিক্স জি নেটওয়ার্ক – এসবের গুরুত্বও বাড়বে। এমন অবস্থায় তাই আগে থেকে সেই অদূর ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে রাখছে ভারতীয় সেনা।
একইসঙ্গে ভারতীয় সেনার এই নায় হাই-টেক ইউনিট দেশের প্রতিরক্ষায় আত্মনির্ভর হওয়ার পথেও একটি লম্বা লাফ দেবে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল। ভারতীয় সেনার এই স্টিগ ইউনিট একদিকে যেমন দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সঙ্গে শিল্প-প্রযুক্তির সেতুবন্ধন করবে, অন্যদিকে শিক্ষার বিকাশের সঙ্গেও এক নিবিড় সেতুবন্ধন করবে বলে মনে করা হচ্ছে।