Russia Voting: আজ থেকে শুরু ‘পুতিনের নির্বাচন’, ভোট দিচ্ছে ইউক্রেনের ডনবাসও – Bengali News | Voting for presidential elections begin in Russia, Donbass citizens to also participate
পঞ্চমবার জয়ের অপেক্ষায় পুতিনImage Credit source: PTI
মস্কো: শুক্রবার (১৫ মার্চ) থেকে শুরু হচ্ছে রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। ১৭ মার্চ পর্যন্ত চলবে ভোটগ্রহণ। রাশিয়ার সুদূর পূর্বাঞ্চলে, বিশেষ করে কামচাটকা এবং চুকোটকা প্রদেশে ইতিমধ্যেই ভোটকেন্দ্র খোলা হয়েছে বলে জানিয়েছে রুশ সংবাদমাধ্যম। কামচাটকার গভর্নর ভ্লাদিমির সোলোডভ প্রথম আঞ্চলিক প্রধান হিসেবে ভোটদান করেছেন। এবারের রুশ নির্বাচনে প্রথমবারের জন্য ডনবাস এবং নভোরোশিয়ার জনগণ রুশ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ভোট দেবে। ডনবাস এলাকা ইউক্রেনের অংশ ছিল। ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ চলাকালীন এই এলাকাটি দখল করে নিয়েছে রুশ বাহিনী। বর্তমান প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ছাড়া, আরও চারজন প্রার্থী আছেন প্রেসিডেন্টের দৌড়ে। তবে, জেতার বিষয়ে অনেক এগিয়ে আছেন পুতিন।
শুরুতে অবশ্য ৯ জন দলীয় প্রার্থী এবং ২৪ জন নির্দল প্রার্থী ছিলেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের দৌড়ে। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত মনোনয়নপত্র জমা দেন মাত্র ১৫ জন। মনোনয়ন যাচাইয়ের পর প্রার্থীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১১ জনে। শেষ পর্যন্ত মাত্র চারজন প্রার্থীই এই দৌড়ে টিকে রয়েছেন। এই প্রথম রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট নির্বাচন তিনদিন ধরে হচ্ছে। প্রতিদিন স্থানীয় সময় সকাল ৮টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত রাশিয়ার ৯৪,০০০ ভোট কেন্দ্র খোলা থাকবে। ১৭ মার্চ রাত ৯টায় শেষ হবে ভোটগ্রহণ। রুশ প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে মস্কো-সহ ২৯টি অঞ্চলে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন ব্যবহার করা হবে। এর পাশাপাশি ভোট নেওয়া হচ্ছে অলনাইলেও। ২৯ জানুয়ারি থেকে ১১ মার্চ পর্যন্ত অনলাইনে ব্যালট জমা নেওয়া হয়েছে। ৪৭ লক্ষ মানুষ অনলাইনে ভোট দিয়েছেন। অনলাইন ভোটের ফল ১৭ মার্চ রাত ১০টা থেকে ১১টার মধ্যে জানা যাবে।
এখনও পর্যন্ত চার মেয়াদে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট হয়েছেন পুতিন। ২০০০ সালে প্রথমবার রুশ প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হয়েছিলেন। এরপর, ২০০৪, ২০১২ এবং ২০১৮ সালে পুনর্নির্বাচিত হন তিনি। এবার জয়ী হলে, আরও ছয় বছর তাঁর এই চেয়ারে থাকা পাকা হয়ে যাবে। এর আগে, সর্বোচ্চ চারবার কোনও ব্যক্তি রাশিয়ায় প্রেসিডেন্ট পদে থাকতে পারতেন। সংবিধান সংশোধন করে পুতিন নিজেই প্রেসিডেন্টের মেয়াদের সংখ্যা বাড়িয়ে নিয়েছেন। এর ফলে, এবারের নির্বাচনে তো বটেই, ২০৩০ সালে ষষ্ঠ মেয়াদেও পুনরায় নির্বাচিত হতে বাধা নেই তাঁর।