Narendra Modi: ‘নমো ড্রোন দিদি’ এবার গ্রামে গ্রামে, আকাশপথে নজর রাখবেন গৃহবধূরা – Bengali News | PM Narendra Modi Namo Drone Didi Initiative for Women Empowerment
নয়া উদ্যোগ প্রধানমন্ত্রী মোদীরImage Credit source: Twitter
নয়া দিল্লি: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরে গোটা দেশে নারী ক্ষমতায়নে এক বিরাট পরিবর্তন এসেছে। এবার সেই নারী ক্ষমতায়নের পথে আরও এক বড় ধাপ এগোল প্রধানমন্ত্রী মোদীর নেতৃত্বাধীন ভারত সরকার। শুরু করা হল ‘নমো ড্রোন দিদি’-র কর্মসূচি। সোমবার প্রধানমন্ত্রী মোদী দেশের বিভিন্ন প্রান্তের এক হাজার ‘নমো ড্রোন দিদি’-র হাতে ড্রোন বিলি করলেন। নয়া দিল্লি, ভোপাল, ডিব্রুগড়, পূর্ব চম্পারণ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে মহিলারা আজ তাঁদের প্রতিভা ও দক্ষতা তুলে ধরেন।
এদিন দিল্লিতে ‘সশক্ত নারী-বিকশিত ভারত’ এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমার বিশ্বাস একবিংশ শতাব্দীতে দেশের প্রযুক্তিগত বিপ্লবে নারী শক্তিই পথ দেখাবে। বর্তমানে তথ্য ও প্রযুক্তি ক্ষেত্র, মহাকাশ গবেষণার ক্ষেত্র ও বিজ্ঞানচর্চার ক্ষেত্রে কীভাবে ভারতীয় মহিলারা তাঁদের জায়গা বানিয়ে নিচ্ছেন, তা আমরা সকলেই দেখতে পাচ্ছি। বেসামরিক বিমানে মহিলা পাইলটের সংখ্যার দিক থেকে ভারত বর্তমানে বিশ্বে প্রথম।”
नए भारत की नमो ड्रोन दीदियों पर हर देशवासी को गर्व है!
आज पूरा देश हमारी ड्रोन दीदियों के कौशल का साक्षी बना। जिन्हें हमारी बहन-बेटियों के कौशल पर भरोसा नहीं था, उन्हें देश की सशक्त होती नारीशक्ति की इन तस्वीरों को जरूर देखना चाहिए। pic.twitter.com/BsUjM361SD
— Narendra Modi (@narendramodi) March 11, 2024
কেন্দ্রীয় সরকারের এই ‘নমো ড্রোন দিদি’ কর্মসূচির মাধ্যমে দেশের স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের ক্ষমতায়নে আরও বেশি করে নজর দেওয়া হচ্ছে। দেশের প্রায় ১৫ হাজার স্বনির্ভর গোষ্ঠীকে এই বিশাল কর্মযজ্ঞের সঙ্গে যুক্ত করা হবে। ড্রোন চালানোর ক্ষেত্রে স্বনির্ভর গোষ্ঠীর মহিলাদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। এর মাধ্যমে কৃষিক্ষেত্রে এক ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলেই আশা করা হচ্ছে। বিশেষ করে শস্যের উপর নজর রাখা, সার স্প্রে করা, বীজ বপন করা থেকে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সাহায্য হবে।
প্রধানমন্ত্রী মোদীর কথায়, “আগামী বছরগুলিতে দেশে ড্রোন প্রযুক্তি ব্যাপকভাবে বাড়বে। সেক্ষেত্রে ‘নমো ড্রোন দিদি’ কর্মসূচিতে প্রশিক্ষিত মহিলাদের কাজের জন্যও এক নতুন দিগন্ত খুলে যাবে। গত দশ বছরে যেভাবে দেশের স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির বিকাশ হয়েছে, তা নিয়ে গবেষণাপত্র তৈরি করা যায়। নারী ক্ষমতায়নে এক নতুন ইতিহাস রচনা করেছে স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলি।”