Veg Thali Price: দেশ জুড়ে ভেজ থালি সস্তা হয়েছে ফেব্রুয়ারিতে, কেন জানেন? - Bengali News | Veg Thali become cheap in February but Non Veg Thali become costlier - 24 Ghanta Bangla News
Home

Veg Thali Price: দেশ জুড়ে ভেজ থালি সস্তা হয়েছে ফেব্রুয়ারিতে, কেন জানেন? – Bengali News | Veg Thali become cheap in February but Non Veg Thali become costlier

Spread the love

নয়াদিল্লি: বাড়িতে ভেজ থালি তৈরির খরচ কমার ধারাবাহিকতা বজায় থাকল ফেব্রুয়ারিতেও। ফেব্রুয়ারিতে ভেজ থালির তৈরির খরচ যেমন কমেছে, তেমন বেড়েছে নন-ভেজ থালি তৈরির খরচ। ভেজ থালির তৈরির খরচ ২ শতাংশ কমে হয়েছে ২৭ টাকা ৫০ পয়সা। অন্য দিকে নন-ভেজ থালি তৈরির খরচ ৪ শতাংশ বেড়ে ৫৪ টাকা হয়েছে। যদি গত বছরে নিরিখে, ভেজ থালি তৈরির খরচ ৭ শতাংশ বেড়েছে। কিন্তু নন-ভেজ থালি তৈরির খরচ কমেছে।

সাধারণত ভেজ থালিতে রুটি, সব্জি (পেঁয়াজ, টম্যাটো এভং আলু), ভাত, জাল, দই ও স্যালাড থাকে। নন-ভেজে ডালের বদলে চিকেন অন্তর্ভুক্ত হয়। এই খাবার তৈরির নিরিখেই খরচ বৃদ্ধি বা হ্রাসের হিসাব হয়েছে। রান্নার উপাদানের দাম বৃদ্ধি-কমের জেরেই এই থালির দামে তফাত হয়েছে। অপর দিকে সব্জি বা চিকেনের দামের সঙ্গে পরিবেশগত সম্পর্কও রয়েছে।

ক্রিসিল মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড অ্যানালিটিক্সের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ফেব্রুয়ারিতে ভেজ থালি তৈরির খরচ কমার কারণ, পেঁয়াজের দাম কমে যাওয়া। ফেব্রুয়ারিতে পেঁয়াজের দাম ১৪ শতাংশ কমেছে। আলুর দাম কমেছে ৩ শতাংশ। কিন্তু চিকেনের দাম ১০ শতাংশ বেড়েছে। এর জেরেই নন-ভেজ থালির খরচও বেড়েছে। অন্ধ্র প্রদেশে বার্ড ফ্লু এবং গরম বৃদ্ধির জেরেই চিকেনের দাম বেড়েছে। সেই সঙ্গে রমজানে চাহিদা বৃদ্ধিও দাম বাড়ার অন্যতম কারণ।

কিন্তু ফেব্রুয়ারি মাসের প্রবণতার সঙ্গে সারা বছরের প্রবণতার মিল নেই। গত বছরের নিরিখে ভেজ থালির দাম বেড়েছে, নন-ভেজের দাম কমেছে। ক্রিসিলের মতে, গত এক বছরে পেঁজায় ও টম্যাটোর দাম যথাক্রমে ২৯ এবং ৩৮ শতাংশ বেড়েছে। যার জেরে গত এক বছরে ভেজ থালির খরচ বেড়েছে ৭ শতাংশ বেড়েছে। পেঁয়াজ, টম্যাটোর পাশাপাশি চাল এবং ডালের দাম বৃদ্ধি ভেজ-থালির খরচা বাড়িয়েছে।

রবি শস্য বাজারে না আসা পর্যন্ত শস্যের দাম কমবে না বলেই মত বিশেষজ্ঞ সংস্থার। কিন্তু পরিবেশ অনুকূল থাকলে টম্যাটোর দাম কমতে পারে। রবি চাষের পেঁয়াজ ইতিমধ্যেই বাজারে আসতে শুরু করেছে। এর জেরে পেঁয়াজের দামও কমেছে। কিন্তু বছরের পরের দিকে এর দাম কম থাকবে, এ রকম সম্ভাবনা কম বলে মত ক্রিসিলের। অপ্রত্যাশিত আবহাওয়ার জন্য খাদ্য এবং সামগ্রিক মুদ্রাস্ফীতিতে বড় ঝুঁকি রয়েছে। ক্রিসিলের ইন্ডিয়া আউটলুক ২০২৪ রিপোর্ট অনুযায়ী, খাদ্য সরবরাহ বাড়ানোর জন্য সরকারের পদক্ষেপ মুদ্রাস্ফীতির প্রভাবকে কিছুটা হ্রাস করতে পারে।

চলতি অর্থবর্ষে অসম বর্ষার বণ্টনের ফলে সব্জির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। খাদ্যশস্যের মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। সবজির দাম চাহিদা-সরবরাহের অসামঞ্জস্যের জন্য কম-বেশি হয়। আবহাওয়ার ব্যাঘাতের কারণে তা আরও তীব্র আকার ধারণ করে। সরকার সাধারণত সরবরাহ পরিচালনা এবং মুদ্রাস্ফীতি রোধে রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা এবং আমদানি বাড়ানোর মতো পদক্ষেপ করে। তবুও উৎপাদন হ্রাস এবং অনিয়মিত আবহাওয়ার কারণে দাম বৃদ্ধির চ্যালেঞ্জ অব্যাহত থাকে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *