Ola vs Ather: ইভি স্কুটারের যুদ্ধে এথারকেই জয়ী ঘোষণা ওলার চ্যাটবটের! – Bengali News | Ather 450x is the best Electric Scooter in India, told AI Chatbot of Ola Electric
ইলেকট্রিক স্কুটার বর্তমানে বেশ জনপ্রিয়। আর দেশের প্রথমসারির ইলেকট্রিক স্কুটার নির্মাতাদের মধ্যে প্রথমেই নাম আসে ওলা (Ola Electric) ও এথারের (Ather Energy)। এখানে হিরো ভিডা (Hero Vida), বাজাজ চেতক (Bajaj Chetak) বা টিভিএস আইকিউবের (TVS iQube) কথা আসছে না। কারণ, প্রয়োজনীয় স্মার্ট ফিচার্সের দিক দিয়ে ওলা ও এথারের স্কুটার বাকিদের থেকে অনেক এগিয়ে।
এথার ও ওলার একে অপরকে টেক্কা দেওয়ার খেলায় বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যে বাজিমাত করে ওলা, তা তাদের বিক্রি হওয়া স্কুটারের সংখ্যার সঙ্গে এথারের স্কুটারের সংখ্যার তুলনা করলেই বোঝা যায়। যদিও, কাস্টমার রিভিউ বলে, ওলার সার্ভিস করাতে অনেক ঝক্কি পোহাতে হয়। অন্যদিকে, এথারের সার্ভিস করাতে কাস্টমারদের তেমন কোনও ঝামেলাই পোহাতে হয় না কাস্টমারদের।
এই খবরটিও পড়ুন
বেশ কয়েক মাস ধরেই ওলা ইলেকট্রিক তাদের নিজস্ব এআই চ্যাটবট ‘কৃত্রিম’ নিয়ে কাজ করছে। সম্প্রতি এই চ্যাটবটের বিটা ভার্সন মানুষের ব্যবহারের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে। আর তারপরই এই চ্যাটবট ঘটিয়েছে এক কাণ্ড। একজন এক্স প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারকারীর পোস্টে দেখা যাচ্ছে তিনি এই চ্যাটবটটিকে প্রশ্ন করছেন, “ভারতের সেরা ইলেকট্রিক স্কুটার কোনটি, যা আমার কেনা উচিত?” আর এই প্রশ্নের উত্তরে ওলার এআই চ্যাটবট যা জানিয়েছে তাতে মাথা ঘুরে যেতে পারে ওলা ইলেকট্রিকের।
Krutrim prompting ather pic.twitter.com/e6uTbGdxYV
— Gupta V.V (@GuptaVV1) February 27, 2024
কৃত্রিম বলছে, “এথার এনার্জির 450x Gen 3 হল ২০২৩-এ ভারতের সেরা ইলেকট্রিক স্কুটার। যা আপনি কিনতে পারেন। এই স্কুটারের ইলেকট্রিক মোটর ৮৭ BHP শক্তি সম্পন্ন এবং এই স্কুটারের ARAI-সার্টিফায়েড রেঞ্জ ১৪৬ কিলোমিটার। এই স্কুটার তার দুর্দান্ত বিল্ড কোয়ালিটির সঙ্গে আরোহীকে এক প্রিমিয়াম এক্সপেরিয়েন্স দেয়”। যদিও এথার 450x Gen 3-এর ব্যাপারে একটি ভুল তথ্যও দিয়েছে এই চ্যাটবট। সে লিখেছে এই স্কুটারের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ১২০ কিলোমিটার। আসলে এথার এনার্জির যে কোনও স্কুটারের সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৯৩ থেকে ৯৫ কিলোমিটারের মধ্যে। যদিও প্রোডাকশনে থাকা 450 apex-এর গতিবেগ ঘণ্টায় ১০০ কিলোমিটারের বেশি।
এর আগে প্রখ্যাত ইউটিউবার নিখিল কামাথের শোয়ে গিয়ে এথার এনার্জির সিইও তরুণ মেহতা জানিয়েছিলেন, ওলা ও এথারের মধ্যে আসলে ঠিক কী পার্থক্য রয়েছে। তাঁর কথায়, মার্কেটিংয়ের দিক থেকে ওলা কয়েক যোজন এগিয়ে রয়েছে এথারের থেকে। এর প্রমাণস্বরূপ বলা যায়, ওলা অ্যাপ থেকে আমরা বাইক বা ক্যাব বুক করে থাকি। ফলে সাধারণ মানুষের কাছে ‘ওলা’ নামটি বেশ পরিচিত। অন্যদিকে, ইলেকট্রিক স্কুটার সম্পর্কে আগ্রহ থাকা মানুষের কাছেই একমাত্র এথার পরিচিত নাম। আর এথার কোন ক্ষেত্রে এগিয়ে রয়েছে সেই বিষয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘Word Of Mouth’ বা ‘কাস্টমারকে দেওয়া কথা’। অর্থাৎ, কোনও কাস্টমার এথারের স্কুটারকে চোখ বুঝে ভরসা করতে পারেন কোম্পানির বলা রেঞ্জ বা অন্যান্য বিষয়ের উপর। আর এবার ওলার চ্যাটবটও প্রায় সেই কথাই জানাল, দেখা গেল ওই এক্স হ্যান্ডেলের পোস্টে।