Peyaj posto: গরমে সুস্থ থাকতে লাউ-শুক্তোর পাশাপাশি নিয়ম করে খান পোস্ত, পেট ঠান্ডা থাকবে
আজ নয়, প্রায় হাজার হাজার বছর ধরে বাঙালির রান্নাঘর কাঁপিয়ে চলেছে এই ছোট্ট একটা দানা। বাঙালির হেঁশেলে অবসম্ভাবী এই উপকরণ, যা টেক্কা দেওয়া ক্ষমতা রাখে মাছ-মাংসকেও। বাঙালির পাত অসম্পূর্ণ পোস্ত ছাড়া। এমনকী যে কোনও ভাল পদের মধ্যেও থাকে পোস্ত
বাঙালি রান্নায় পোস্তর ব্যবহারের ফর্দ করতে বসলে শেষ হবে না কিছুতেই।জলে ভিজিয়ে শিলে রেখে নোড়া দিয়ে চার বার ঘষলেই কেল্লাফতে। আজকাল যদিও অনেকের বাড়িতেই শিলনোড়া থাকে না। মিক্সিতেই বাটতে হয়
কাঁচালঙ্কা দিয়ে পোস্ত বাটলে বেশ লাগে খেতে। আলু পোস্ত, ঝিঙে পোস্ত, চিংড়ি পোস্ত, পটল পোস্ত পাশাপাশি আছে পেঁয়াজ পোস্ত। এই পেঁয়াজ পোস্ত খেতে লাগে বেশ। খাঁটি বাঙালি খাবার এই পেঁয়াজ পোস্ত। গরম ভাতে এর কোনও তুলনা নেই
এই রান্নাটি তৈরি করতে বিশেষ কিছু উপকরণের দরকার হয় না। কেবল পোস্ত, পেঁয়াজ কুচি, সর্ষের তেল, নুন, শুকনো লঙ্কা আর কাঁচালঙ্কা দিয়েই তৈরি করা যায়। বানিয়ে নেওয়াও খুবই সহজ
প্রথমে একটা বাটিতে পোস্ত ভিজিয়ে রেখে দিন। ৩০ মিনিট মতো রেখে দিতে হবে। জল ছেঁকে আলাদা করে বাটতে হবে। তবে, শিলে বেটে রান্না করলে এর স্বাদ ভালো হয়। সঙ্গে একটা বা দুটো কাঁচালঙ্কা দেবেন
এবার মিক্সার গ্রাইন্ড বা শিলের মধ্যেই কাঁচালঙ্কা ও শুকনো লঙ্কা দিয়ে পেস্ট বানিয়ে নিন। পেস্টটি একটু মোটা রাখতে হবে, মিহি পেস্ট হলে টেক্সচার ভালো আসবে না। কড়াইতে কিছুটা সর্ষের তেল দিয়ে দিন। যতক্ষণ না একটু ধোঁয়া বেরোচ্ছে ততক্ষণ তেল গরম হতে দিন। এবার তাতে কাটা পেঁয়াজগুলি দিয়ে দিন।
গ্যাসটা মিডিয়াম রেখে পেঁয়াজগুলো ভেজে যেতে হবে। পেঁয়াজ একটু ভাজা হলেই তার মধ্যে পোস্ত বাটা দিন। লঙ্কা কুচি করে মেশাতে পারেন। যেমন ঝাল খান সেই মত লঙ্কা দেবেন।
পেঁয়াজ পোস্ত সঙ্গে মশলা মাখামাখি হয়ে গেলে নুন দিয়ে দিন। এবার পরিবেশন করুন গরম ভাতের সঙ্গে। গরমে এই পেঁয়াজ পোস্ত পেট ঠান্ডা রাখে। এই পোস্তর সঙ্গে মাছ-মাংস কোনও কিছুরই প্রয়োজন পড়ে না







