Nose Ring: বাম নাকেই কেন নাকছাবি পরার রীতি? এর আসল কারণ জানেন না ৯০ শতাংশ - Bengali News | Why do you wear it in the left nose? - 24 Ghanta Bangla News
Home

Nose Ring: বাম নাকেই কেন নাকছাবি পরার রীতি? এর আসল কারণ জানেন না ৯০ শতাংশ – Bengali News | Why do you wear it in the left nose?

Spread the love

নাকে নাকছাবি পরার রেওয়াজ এখন অতীত। তবে একেবারেই বিরল তাও নয়। বিয়ের মরসুমে তো বটেই, ফ্যাশন দুনিয়ায় ট্রেন্ডিং থাকতেও নাকছাবি পরার চল রয়েছে। শুধু ভারতে নয়, সারা বিশ্বেই নাক-কান বিঁধিয়ে সুন্দর সুন্দর কানের দুল, নাকছাবি পরতে পছন্দ করেন মহিলারা। পুরুষরাও কান ও নাকের গয়না পরতে পছন্দ করেন। তবে বিয়ের সময় ব্রাইডাল লুকে বাম নাকে নাকছাবি বা নথ পরার নয়া ট্রেন্ড দেখা যায়। বিয়ের সময় নথ বা নাকছাবি ছাড়া ব্রাইডাল মেকআপ যেমন অসম্পূর্ণ, তেমনি হিন্দু মতে বিবাহের সময় নাকছাবি পরা গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হয়।

হিন্দু ধর্মে, নাকছাবি বা নথ হল বিবাহিত মহিলার ষোলো গয়নার অন্যতম বলে মনে করা হয়। ভারতীয় ঐতিহ্য মতে, নাকছাবি সবসময় বামনাকেই পরার রীতি রয়েছে। অনেকে ফ্যাশন বা স্টাইলের জন্য ডান নাকের পাশে বা নাকের মাঝে নথ বা নাকছাবি পরেন, তবে ভারতীয় মহিলাদের বাম নাকে নাকছাবি পরার রীতি। কিন্তু শুধুমাত্র বাম নাকেই কেন নাকছাবি পরা হয়? এর পেছনের কারণ ব্যাখ্যা করা হয়েছে জ্যোতিষশাস্ত্রে।

কেন নাকছাবি শুধুমাত্র বাম দিকে পরা হয়?

এই খবরটিও পড়ুন

বিবাহিত মহিলাদের নাকের বাম পাশে একটি নাকছাবি পরতে দেখা যায়। বিশ্বাস করা হয় যে নাকের বাম অংশ মহিলাদের ঋতুস্রাবের সঙ্গে জড়িত। নাকে নাকছাবি পরার জন্য যখন এটি ছিদ্র করা হয়, তখন তা মাসিক নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে।

নাকছাবি পরার সুবিধা কী?

জ্যোতিষশাস্ত্রে উল্লেখ করা হয়েছে যে,  নববিবাহিতাদের নাকের নাকছাবি পরার অর্থ হল বিবাহিত জীবনে শক্তি ও সম্পর্ক মজবুত করতে সাহায্য করে। শুভ অনুষ্ঠানে বিবাহিত মহিলার নাকছাবি একটি শুভ লক্ষণ বলে মনে করা হয়। বিবাহিতাদের সৌন্দর্যই বৃদ্ধির জন্যই নয়, দেবী লক্ষ্মীকে তুষ্ট করতে ও আশীর্বাদ পেতেও সাহায্য করে। জ্যোতিষশাস্ত্রে সোনা বা রুপোর নাকছাবি পরা শুভ বলে মনে করা হয়।

স্বাস্থ্যবিধি

বাম পাশে নাকছাবি পরার পেছনে রয়েছে কিছু বৈজ্ঞানিক তথ্যও। বিজ্ঞান বলছে, বাম দিকে নাকের আংটি পরলে ঋতুস্রাবের সময় মহিলাদের যে সমস্যা তৈরি হয় তা থেকে দ্রুত মুক্তি পাওয়া যায়। নাকছাবি পরলে মহিলাজনিত বিভিন্ন রোগের ঝুঁকিও কমে যায়।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *