১১০ ঘণ্টা টানা শুটিং, বিশ্রাম নিতেন না ‘টুয়েলফথ ফেল’ বিক্রান্ত মসি – Bengali News | Bollywood actor Vikrant Massey reveals he worked for 110 hours non stop during his television days
নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছেন অভিনেতা বিক্রান্ত মসি। কেরিয়ার শুরু করেছিলেন টেলিভিশনের পর্দায়। সেই সময় ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় সিরিয়ালের নাম ছিল ‘বালিকা বধূ’। নাবালিকা কন্যা আনন্দির বিয়ে নিয়ে তৈরি হয়েছিল সিরিয়ালের কাহিনি। যে কারণে ধারাবাহিকের নামই ছিল ‘বালিকা বধূ’। সেই ‘বালিকা বধূ’তে একটি বিশেষ চরিত্রে আত্মপ্রকাশ করেন বিক্রান্ত। চরিত্রের নাম হয় শ্যাম ভাইয়া। এই শ্যাম ভাইয়া ধীরে-ধীরে নিজের জায়গা পাকা করতে শুরু করেন ইন্ডাস্ট্রিতে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ছবি ‘টুয়েলফথ ফেল’।
বাস্তব জীবনের আইপিএস অফিসার মনোজ শর্মার জীবনকে পর্দায় তুলে ধরেছিলেন বিক্রান্ত। কীভাবে দ্বাদশ শ্রেণিতে ফেল করেও গ্রামের এক যুবক ইউপিএসসি পরীক্ষায় পাশ করে আইপিএস অফিসার হলেন, তাই নিয়ে ছিল ছবি। এই ছবিতে অভিনয় করে ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ড জিতে নিয়েছেন বিক্রান্ত। প্রমিসিং অ্যাক্টর (promising actor) তথা সম্ভাবনাময় অভিনেতা হিসেবে দাদাসাহেব ফালকে পুরস্কারও পেয়েছেন তিনি। তবে বিক্রান্তের জীবন সহজ ছিল না। তাঁকে কঠিন অধ্যাবসায়ের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়েছিল একটা সময়।
এই খবরটিও পড়ুন
সেই সময় টেলিভিশনে অভিনয় করতেন বিক্রান্ত। ‘বালিকা বধূ’ ধারাবাহিকে সুযোগ পেয়েছেন। বিনোদন জগতে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার অদম্য লড়াই করার ইচ্ছা মনে নিয়ে নেমেছিলেন ময়দানে। কিছু একটা করতেই হবে এমন চ্যালেঞ্জ নিজেকে ছুড়ে দিয়েছিলেন। এক সাক্ষাৎকারে বিক্রান্ত বলেছেন, আমার জীবনের শুরুটা ছিল ভীষণ কঠিন। ইন্ডাস্ট্রিতে ত্রিসীমানায় ছিলেন না কোনও আত্মীয়। কেবল নিজের উপর বিশ্বাস ছিল। এই অনিশ্চয়তার পেশায় কীভাবে নিজেকে দাঁড় করাব, তাই নিয়ে নিজের মধ্যেই চলছিল লড়াই। প্রচণ্ড পরিশ্রম করেছিলাম জীবনের শুরুতে। ১১০ ঘণ্টা কাজ করেছিলাম। কোনও ছুটি নিইনি। সকালবেলা ফ্লোরে এলে, কখন বাড়ি যাব, সেই হিসেব রাখিনি। একমাত্র কাজকেই করে তুলেছিলাম পাখির চোখ।”