Gestational diabetes: পাঁচ মাসের প্রেগন্যান্সি, হঠাৎ করে ডায়াবেটিস ধরা পড়েছে? যা খাবেন আর বাদ দেবেন – Bengali News | Gestational diabetes diet what to eat and what to skip
ডায়াবেটিসের ঝুঁকি এড়াতে যা খাবেন
বেশ কয়েক বছর আগেও বলা হত মেয়েদের পূর্ণতা মাতৃত্বে। তবে এখন এই ভাবনা অনেকখানি বদলেছে। জোর করে মাতৃত্ব কারোর উপর চাপিয়ে দেওয়া যায় না, এটি যে কোনও মানুষের ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। তবে মাতৃত্ব কোনও রকম অসুখ নয়, আর তাই এমন সুন্দর একটি মুহূর্ত সব মেয়েই চান সুন্দর করে উপভোগ করতে। তবে এখনও আমাদের সমাজে কেউ যদি জ্ঞান বিতরণের সুযোগ পায় সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার করতে ছাড়েন না। আর তাই ‘সুখবর’ শোনানোর পর পরামর্শ দেওয়ার লোকের কোনও অভাব নেই। পাকা পেঁপে আর আনারস না খাওয়ার পরামর্শ দেন অনেকেই। আবার কেউ বলেন খেতে। যদিও এই ফল খাওয়ার বাছ বিচার নিয়ে সুর্নিদিষ্ট কোনও ব্যখ্যা নেই। ন্যাশনাল লাইব্রেরি অফ মেডিসিন-এ প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলিতে এই গর্ভকালীন ডায়াবেটিস ( Gestational diabetes) এর প্রকোপ অনেক বেশি। এর মধ্যে মালয়েশিয়াতে ১৮.৩ শতাংশ মহিলা গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত আর ভারতে গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩.৬ শতাংশ।
ইদানিং কালে গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ার ঘটনা অনেকখানি বেড়েছে। আর তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে জোর দিন রোজের খাওয়াদাওয়াতে। পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। টাইপ ১ টাইপ ২ ডায়াবেটিসের মত গর্ভাবস্থায় একরকম ডায়াবেটিস দেখা যায়। একে বলা হয় জেস্টেশনাল ডায়াবেটিস। মূলত ২৪-২৮ সপ্তাহের মধ্যে ডায়াবেটিসের লক্ষণ প্রকট হয়। যাদের ওজন বেশি থাকে, হরমোনের অসামঞ্জস্যতায় ভুগছেন, পারিবারিক ইতিহাসে ডায়াবেটিস রয়েছে তাদেরই এই সময় সুগার বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা থাকে। সুগার নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়ম করে ইনসুলিন নিতে হয়। আর গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস ধরা পড়লে গর্ভস্থ সন্তানের জন্ডিস বা রক্তে শর্করা কমে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। আর যে সব মা এই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত থাকেন তাঁদের সব সময় সি সেকশন করা হয়।
রোজকার ডায়েটে ফাইবার বেশি করে রাখতে হবে। ফল, লেবু, শাকসবজি, গোটা শস্য এসব বেশি করে খেতে হবে। ফাইবার বেশি খেলে রক্তশর্করা নিয়ন্ত্রণে থাকে আর বেশি খিদেও পায় না। মুরগির মাংস, মাছ, পনির এসব খান নিয়ম করে। প্রোটিন খেতেই হবে। তবে হাই প্রোটিন নয়। মুরগির লেগ বেশি না খেয়ে থাইয়ের অংশ থেকে খান, এতে চর্বি তুলনায় অনেক কম থাকে। বিভিন্ন রকম বীজ, স্কিমড মিল্ক, ইয়োগার্ট, ব্রকোলি, পালংশাক এসব রাখুন ডায়েটে।
ট্রান্স ফ্যাট, স্যাচুরেটেড ফ্যাটা, ভাজা খাবার এসব থেকে দূরে থাকুন। অতিরিক্ত নুন খাবেন না। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়তে পারে।
Disclaimer: এই প্রতিবেদনটি শুধুমাত্র তথ্যের জন্য, কোনও ওষুধ বা চিকিৎসা সংক্রান্ত নয়। বিস্তারিত তথ্যের জন্য আপনার চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করুন।