Sandeshkhali: ‘ফোন এল, তারপর যেন ওনার চাপটা আরও বাড়ল’, রাজীব কুমারের সঙ্গে বৈঠকের পর বললেন রেখা – Bengali News | Chairperson of National Commission for Women Rekha Sharma said after meeting with DGP Rajiv Kumar
কলকাতা: বাংলার পাশাপাশি সন্দেশখালি ইস্যুতে তোলপাড় চলছে দিল্লিতেও। রাষ্ট্রপতি শাসনের দাবিতে সরব হয়েছে জাতীয় তফসিলি কমিশন। একদিন আগে সন্দেশখালি এসেছিলেন জাতীয় মহিলা কমিশনের চেয়ারপার্সন রেখা শর্মা। তবে রেখা শর্মার আসার আগে সন্দেশখালি থেকে ঘুরে এসেছিল জাতীয় মহিলা কমিশনের একটি টিম। রেখা শর্মার মুখেও শোনা গিয়েছে সেই রাষ্ট্রপতি শাসনের প্রস্তাবের কথা। তিনি ১৮টির কাছাকাছি অভিযোগ পেয়েছেন বলেও জানান। তার মধ্যে ২টি ধর্ষণ, ও একগুচ্ছ যৌন হেনস্থার অভিযোগ রয়েছে। শীঘ্রই তিনি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকে রিপোর্ট দেবেন বলেও জানিয়েছেন। দেখা করেছেন ডিজিপি রাজীব কুমারের সঙ্গে। এরইমধ্যে ফের একবার টিভি-৯ বাংলার মুখোমুখি হয়ে সন্দেশখালি ইস্যুতে ক্ষোভ উগরে দিলেন রেখা শর্মা। তবে ডিজিপির সঙ্গে বৈঠকে সব ইস্যুতে তাঁরা সহমত হতে পারেননি বলে জানান। পুলিশের উপর চাপ রয়েছে বলেও মনে করছেন তিনি। তবে পুলিশ গাফিলতির কথা স্বীকার করেছেন বলে জানান রেখা শর্মা। সাফ বলেন, “কিছু বিষয়ে উনি সম্মতি জানালেও অনেকে বিষয়েই সম্মতি মেলেনি। তিনি মেনে নিয়েছেন পুলিশের গাফিলতি হয়েছে। সে কারণেই কেসটা এত বড় হয়েছে।”
খানিক ‘খোঁচা’ দিয়েই তিনি বলেন, “বাংলার পুলিশকর্তারা তো খুব ব্যস্ত। কেন্দ্রের কারও সঙ্গে দেখা করার সময় পান না। উনি যে দেখা করার সাহস দেখিয়েছেন এটা খুবই ভাল। তবে পুলিশের গাফিলতির কথা স্বীকার করাও বড় ব্যাপার। কারণ গাফিলতি মানলেই তাতে কাজ হবে। পুলিশ মহিলাদের কথা শোনেনি, গুরুত্ব দেয়নি। এ সবই আমি তাঁকে বলেছি। একইসঙ্গে পুলিশ আধিকারিকদের বদলির কথাও বলেছি। উনি সেটা গুরুত্ব সহকারে শুনেছেন।”
এই খবরটিও পড়ুন
প্রসঙ্গত, এখনও অধরা সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। তবে পুলিশের জালে ধরা পড়েছে উত্তম সর্দার, শিবু হাজরারা। কিন্তু, শাহজাহান কবে গ্রেফতার হবেন, সেই প্রশ্ন জোরালো হয়েছে। রেখা শর্মা বলছেন, তিনি শেখ শাহজাহানের গ্রেফতারির কথা বলেছেন রাজীব কুমারকে। রেখা শর্মা বলছেন, উনি তো বলছেন ওর বিরুদ্ধে কোনও প্রমাণই তো নেই। কীভাবে গ্রেফতার করব? ওনার মুখের অভিব্যক্তি, শরীরী ভাষা দেখে স্পষ্ট বোঝা গেল উনি চাপে আছেন। মাঝে কয়েকটা ফোন এল। তাতে আরও বদলে গেলেন তিনি। মনে হল তারপর থেকে চাপ যেন আরও বাড়ল। তবে উনি যখন গাফিলতির কথা মানছেন আমি ওনাকে আবার চিঠি লিখব। আশা করছি কাজ হবে।