Sandeshkhali: ‘দরকারে চাঁদা তুলব’, সন্দেশখালির প্রতিবাদীদের আশ্বাস পার্থর, একই সুর মমতারও – Bengali News | Trinamool leaders assured to give deprivation money to Sandeshkhali protestors
কলকাতা: জেলে ঢুকেছে শাহজাহানের মূল দুই শাগরেদ শিবু হাজরা, উত্তম সর্দার। দুঃসময়েও খানিকটা হলেও খুশির ঝিলিক সন্দেশখালির প্রতিবাদীদের মনে। তবে এখনও অধরা সন্দেশখালির বেতাজ বাদশা শেখ শাহজাহান। বঞ্চনার শেষ কী হবে? সেই প্রশ্নই এখন সকলের মনে। এদিকে এরইমধ্যে বীরভূমের প্রশাসনিক সভা থেকে ফের সন্দেশখালি নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গিয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। স্পষ্ট বলেছেন, “মানুষের উপর অত্যাচার হলে আমাদের সরকার ব্যবস্থা নেয়। একটা ঘটনা ঘটেছে। প্রথমে ইডিকে পাঠিয়েছে। তারপর ইডিকে সঙ্গে নিয়ে বিজেপি ঢুকেছে। কিছু মিডিয়া ঢুকেছে। তিলকে তাল করছে। আমি অফিসার পাঠাব। যার যা অভিযোগ আছে তাঁরা শুনবেন। যদি কেউ মনে করে কারও কাছ থেকে কেউ কিছু নিয়েছে তাহলে সেটাও ফিরিয়ে দেওয়া হবে। এটা মনে রাখবেন আমি যখন যেটা বলি আমি সেটা করি।”
অন্যদিকে ভেড়ির লিজ নিয়ে গ্রামবাসীদের অভিযোগ স্বীকার করেছেন সন্দেশখালির বিধায়ক সুকুমার মাহাতো। তিন লক্ষ টাকা বকেয়া রয়েছে। ধৃত তৃণমূল নেতা উত্তম সর্দারের পরিবারের কাছ থেকে টাকা নিয়ে ভুক্তভোগীদের টাকা মেটানোর আশ্বাস দিয়েছেন বিধায়ক। ক্ষতিপূরণের আশ্বাস দিয়েছেন সেচ মন্ত্রী পার্থ ভৌমিকও।
পার্থ বলছেন, “কেউ ঠকিয়ে থাকলে দরকারে দলের ছেলেদের থেকে চাঁদা তুলে আপনাদের টাকা ফিরিয়ে দেব। কেউ বঞ্চিত হবেন না। বসিরহাট লোকসভা কেন্দ্রে যত মানুষ আছে সবাই ২ টাকা করে চাঁদা দিলে এদের টাকা ফিরিয়ে দিতে পারব। তার আগে মানুষের যা সমস্যা আছে সব সমাধান করব। তারপর সন্দেশখালি পঞ্চায়েতেই আমাদের জনসভা করব।”
এই খবরটিও পড়ুন
ভেড়ির বকেয়া মেটানোর প্রসঙ্গ উঠলেও অনেকেই বলছেন, মূল বকেয়ার তালিকা খুঁজে পাওয়া ভার! মৃৎশিল্পী, মুদি দোকান, শাড়ি ব্যবসায়ী, সবজি ব্যবসায়ী, বাকি কত কত টাকা। মৃৎশিল্পীর পঁচিশ হাজার টাকা বাকি। রোল চাউমিনের দোকানে ২৮০০ টাকা। শাড়ির দোকানে ৫৬০০ টাকা। মিষ্টির দোকানে ১৮ হাজার। মুদি, স্টেশনারি সামগ্রীর দোকানে দু’লক্ষ টাকা। কে দেবে? সেই প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে।