Marishda: 'অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিলে রাখেন তা প্রমাণ হল', ঢালাই রাস্তা পেল সেই মারিশদা - Bengali News | after long time completed road construction at marishda villagers happy now - 24 Ghanta Bangla News
Home

Marishda: ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় কথা দিলে রাখেন তা প্রমাণ হল’, ঢালাই রাস্তা পেল সেই মারিশদা – Bengali News | after long time completed road construction at marishda villagers happy now

Spread the love

নতুন রাস্তার উদ্বোধন। Image Credit source: TV9 Bangla

পূর্ব মেদিনীপুর: কথা দিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কথা রাখলেনও। শুভেন্দু অধিকারীর জেলার মানুষ প্রায় ১ কিলোমিটার ঢালাই রাস্তা পেলেন। দারুণ খুশি মারিশদা গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা। রবিবার এই ঢালাই রাস্তার উদ্বোধন করেন পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক। ২০২২ সালের ৩ ডিসেম্বর পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কাঁথিতে জনসভা ছিল তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের। আসার পথে মারিশদার কাছে থামে তাঁর গাড়ি। সেখানকার বাসিন্দারা অভিষেককে তাঁদের রাস্তার সমস্যার কথা জানান।

এলাকার লোকেরা বলেছিলেন, তৃণমূল পরিচালিত মারিশদা পঞ্চায়েত এলাকায় পানীয় জল, ঢালাই রাস্তার সমস্যা। বারবার জেলার নেতাদের জানিয়েও কাজ হয়নি। এরপরই সেদিনের জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে অভিষেক তৎকালীন মারিশদা গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান ঝুনুরানি মণ্ডল, উপপ্রধান রামকৃষ্ণ মণ্ডল ও স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি গৌতম মিশ্রকে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে পদত্যাগ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনজনই পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেই সময় জেলার তৃণমূল সভাপতি ছিলেন তরুণকুমার মাইতি। তাঁর হাত ঘুরেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিসে সেই ইস্তফাপত্র পৌঁছয়।

গত পঞ্চায়েত ভোটে প্রাক্তন প্রধান ঝুনুরানি মণ্ডল ও গৌতম মিশ্র তৃণমূলের প্রতীক না পেয়ে নির্দল প্রার্থী হিসাবে লড়াই করেছিলেন। ঝুনুরানি জিতলেও গৌতম মিশ্র হেরে যান। মারিশদা গ্রামপঞ্চায়েত দখল করে বিজেপি।

এই খবরটিও পড়ুন

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের সভাধিপতি উত্তম বারিক বলেন, “অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যা কথা দেন তা রাখেন এটা প্রমাণিত হল।” অন্যদিকে সেই ঝুনুরানি মণ্ডল এদিন বলেন, “আমাদের নেতা অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় পদত্যাগ করতে বলেছিলেন, দলের নির্দেশ আমি পদত্যাগ করেছিলাম। তবে আজও মানুষের পাশে রয়েছি। দলের প্রতি আমার কোনও ক্ষোভ নেই।”

তবে বিজেপি খোঁচা দিতে ছাড়েনি। স্থানীয় পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ও কাঁথি-৩ ব্লকের নেতা রাজশেখর মণ্ডল বলেন, “এই রাস্তা তো আগে থেকেই পাশ হয়েছিল। আজ হয়ত নেতাদের কোথাও ফিতে কাটার ডাক পড়েনি, তাই এখানে এসেছেন ফিতে কাটতে।”

কাঁথি-৩ ব্লকের যুব তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি গৌরীশঙ্কর মিশ্র বলেন, “মানুষকে ভুল বুঝিয়ে জয়লাভ করেছে। আগামী লোকসভা নির্বাচনে মানুষ যোগ্য জবাব দেবে। যে বিজেপি নেতারা দোকানে বসে মানুষকে বুঝিয়েছিলেন এ রাস্তা কোনওদিন হবে না। আজ আর তাঁদের দেখা যাচ্ছে না।”

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *