জাপটে ধরে খান চুমু—এটাই সুস্থতার মহৌষধ – Bengali News | Kiss Day 2024: Do you know these surprising health benefits of kissing?
গুগল বলছে, ইন্টারন্যাশানাল কিসিং ডে প্রতি বছর জুলাই মাসের ৬ তারিখ পালিত হয়। কিন্তু বাতাসে যখন প্রেম বইছে, আর রাত পোহালে ভ্যালেনটান্স ডে, তখন ১৩ ফেব্রুয়ারিতেই পালিত হচ্ছে কিস ডে। যদিও ঠোঁটে ঠোঁট রেখে ‘ভালবাসি’ জানানোর জন্য কোনও বিশেষ দিন দরকার পড়ে না। কারও কাছে ভ্যালেনটান্স ডে ‘ওয়েস্টার্ন কালচার’-এর অংশ। আবার কারও কাছে ‘ন্যাকামি’। তাই অনেকেই এড়িয়ে যান ভ্যালেনটান্স ডে-কে। কিন্তু প্রেমিকা সামনে থাকলে ভালবাসায় তাঁর ঠোঁট ছুঁতে মন্দ লাগে না। তাছাড়া চুমু খাওয়ার রয়েছে কিছু পজ়িটিভ দিক। সহজ ভাষায় বলতে, স্বাস্থ্যে উপকারিতা। কাছের মানুষটা যেমন সামনে থাকলে মন ভাল হয়ে যায়, তেমনই তাকে চুমু খেলে ‘দিল গার্ডেন গার্ডেন’ হয়ে যায়। প্রিয় মানুষের উপস্থিতি ঠিক যেভাবে আপনার সারাদিনের ক্লান্তি কেড়ে নিতে পারে, চুমুও ঠিক একইভাবে আপনার মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে পারে। তাই ঠোঁটে ঠোঁট রাখলে কী-কী উপকারিতা মেলে, প্রেমের মরশুমে জেনে রাখুন।
১) প্যাশনের সঙ্গে সঙ্গীকে জড়িয়ে ধরে চুমু খান। এতে হৃদস্পন্দনের গতি বাড়লেও রক্তচাপ একদম বশে থাকবে। প্রিয় মানুষের চুম্বন রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এতে দেহে রক্ত সঞ্চালন সচল থাকে।
২) প্রেমিকার ঋতুস্রাব হয়েছে? তলপেটের যন্ত্রণা তাকে ছিঁড়ে খাচ্ছে? এই সময় আপনার চুমু তার দাওয়াই হতে পারে। চুম্বন মেন্সট্রুয়াল ক্রাম্প কমাতে সাহায্য করে। তার সঙ্গে মাথার যন্ত্রণা কমাতে সাহায্য করে চুমু।
এই খবরটিও পড়ুন
৩) চুমুতে দূর হতে পারে ক্যাভিটির সমস্যা। স্মুচ করার সময় লালার সঙ্গে এক ধরনের তরল প্রবাহিত হয়। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দাঁতের প্লাক পরিষ্কার হয়ে যায়। এই প্লাকগুলোই ক্যাভিটির সমস্যা বাড়ায়। আর স্মুচ করলে সেই সময়ও দূর হয়ে যায়।
৪) এ বিষয়ে কোনও সন্দেহ নেই যে, চুমু খেলে মানসিক চাপ কমে। দেহে হ্যাপি হরমোন নিঃসরণ বাড়ে। সেরোটোনিন, ডোপামিন, অক্সিটোসিনের মতো মন ভাল করা হরমোনের নিঃসরণ বাড়ে। এতে মানসিক চাপ কমে। স্ট্রেস, অ্যানজাইটি, ডিপ্রেশনের সঙ্গে লড়াই করতে চুমু খান।
৫) সঙ্গীকে চুমু খেয়ে ওজন কমিয়ে ফেলতে পারেন। আপনার ৩০ মিনিট মেকআউট সেশনে বা ফোরপ্লেতে প্রতিটা স্মুচে আপনি ৮ থেকে ১৬ ক্যালোরি বার্ন করতে পারেন। তবে, আপনাকে প্যাশনের সঙ্গে চুমু খেতে হবে সঙ্গীকে।