Traffic Rules Violation: ৬৪৩ বার ট্র্যাফিক আইন ভেঙেছে, এই স্কুটি চালককে হন্যে হয়ে খুঁজছে পুলিশ – Bengali News | Bengaluru Traffic Police is looking for a scooty rider who violated Traffic rules 643 times in 11 months

0

স্কুটার (প্রতীকী ছবি)Image Credit source: Pixabay

বেঙ্গালুরু: ট্র্যাফিক আইনের যেন তোয়াক্কাই করেন না এই ব্যক্তি। হেলমেট ছাড়াই দিব্যি ঘুরে বেরান স্কুটি চেপে। বার বার ট্র্যাফিক বিধি লঙ্ঘণ করেছেন। গতবছরের জানুয়ারি থেকে ১৬ ডিসেম্বর, মাত্র এই ১১ মাসেই তাঁর স্কুটি ৬৪৩ বার আইন ভেঙেছে। জরিমানাও হয়েছে মোটা অঙ্কের। সব মিলিয়ে ৩ লাখ ২২ হাজার টাকার জরিমানা বকেয়া রয়েছে তাঁর। বিষয়টি নজরে আসতেই তাজ্জব হয়ে গিয়েছে ট্র্যাফিক পুলিশও।

ঘটনাটি কর্নাটকের বেঙ্গালুরু শহরের। ওই স্কুটি বা স্কুটিচালককে হন্যে হয়ে খুঁজছেন বেঙ্গালুরুর ট্র্যাফিক পুলিশের অফিসাররা। কিন্তু এখনও পর্যন্ত ধরা যায়নি। পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, ওই স্কুটির রেজিস্ট্রেশন নম্বর কেএ০৪কেএফ৯০৭২। ট্র্যাফিক পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তি যতবার আইন ভেঙেছেন, তার বেশিরভাগই হয়েছে আরটি নগর তরলাবালু জংশন এলাকায়। মোট যতবার ট্র্যাফিক বিধি ভেঙেছেন, তার ৬০ শতাংশই হয়েছে ওই চত্বরে। সেই দৃশ্য ধরাও পড়েছে ক্যামেরায়।

আর যতবার তিনি আইন ভেঙেছেন, ততবারই একটি জিনিস একেবারে কমন। মাথায় হেলমেট নেই। প্রত্যেকবার রাস্তায় বসানো ক্যামেরায় দেখা গিয়েছে, হেলমেট ছাড়াই ঘুরে বেরাচ্ছেন ওই ব্যক্তি। যেন হেলমেট কী জিনিস, জানেনই না এই ব্যক্তি। পিছনে আবার আর একজনকে নিয়েও স্কুটি চালাতে দেখা গিয়েছে ওই ব্যক্তিকে। তার মাথাতেও হেলমেট নেই। এভাবে বেপরোয়া স্কুটি চালিয়ে তিনি যেমন নিজের জন্য বিপদের আশঙ্কা তৈরি করছেন, তেমনই পথচলতি অন্যান্য গাড়ির চালকের জন্যও বিপদ বাড়াচ্ছেন। আর এই বিষয়টি বেশ গুরুত্ব দিয়ে দেখছে বেঙ্গালুরু ট্র্যাফিক পুলিশ।

এক সিনিয়র পুলিশ অফিসার জানিয়েছেন, ‘পুলিশ ইতিমধ্যেই ওই চালকের মুখ শণাক্ত করেছে। তবে এখনও পর্যন্ত ওই স্কুটি চালক কিংবা স্কুটির কোনও সন্ধান এখনও পায়নি পুলিশ। আমরা জানতে পরেছে, ওই ব্যক্তির ট্র্যাফিক বিধি ভাঙার জন্য মোটা টাকার জরিমানাও বকেয়া রয়েছে। এই ধরনের আইনভঙ্গকারীদের কোনওভাবে রেয়াত করা হবে না। যাঁর নামে এই গাড়ি রয়েছে, আমরা তাঁর বিরুদ্ধে নোটিসও জারি করব।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may have missed