Kashmir 370: কাশ্মীরে ৩৭০ অবলুপ্তির জন্য নিভৃতে ঘুঁটি সাজিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী - Bengali News | How prime minister narendra modi planned to scrap special status of jammu and kashmir - 24 Ghanta Bangla News
Home

Kashmir 370: কাশ্মীরে ৩৭০ অবলুপ্তির জন্য নিভৃতে ঘুঁটি সাজিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী – Bengali News | How prime minister narendra modi planned to scrap special status of jammu and kashmir

Spread the love

নয়াদিল্লি: ২০১৯ সালের ৪ অগস্ট। সন্ধ্যার দিকে রাষ্ট্রপতির বাসভবনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তার কয়েক মাস আগেই বিপুল সংখ্যা গরিষ্ঠতা দ্বিতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে মোদী সরকার। কিন্তু সেদিন সন্ধ্যায় প্রধানমন্ত্রী তাঁর প্রথাগত কনভয় নিয়ে যাননি রাষ্ট্রপতর কাছে। মিডিয়ার ক্যামেরা এবং রাজনৈতিক কারবারিদের আড়াল করে পৌঁছে গিয়েছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দের কাছে। এই সাক্ষাতের পিছনে ছিল বিশেষ উদ্দেশ্য। আসলে মোদী সরকার এমন এক বলিষ্ঠ পদক্ষেপের পরিকল্পনা করছিল। যা ভারতের রাজনীতিতে ঐতিহাসিক হতে চলেছে। সেই পরিকল্পনার বিষয়ে রাষ্ট্রপতির দ্বারস্থ হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

২০১৯ সালে ক্ষমতায় আসার পরই জম্মু ও কাশ্মীরের ৩৭০ দারা বিলুপ্তি করেছিল মোদী সরকার। দীর্ঘদিন ধরে থাকা জম্মু ও কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদার অবলুপ্তি ভারতীয় রাজনীতির বিষয়ে খুব সহজ কাজ ছিল না। তাই এই বিল আনার পরিকল্পনা থেকে তা রূপায়ণ- সবই খুব সন্তর্পণে করেছিল মোদী-শাহরা। তাতে যে তাঁরা সফল ছিলেন তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

ওই দিন সন্ধ্যায় রাষ্ট্রপতির বাসভবনে গিয়ে ৩৭০ ধারা অবলুপ্তি বিষয়টি রামনাথ কোবিন্দকে জানান মোদী। তিনি জানতেন, এই পদক্ষেপ নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতর হবে বিস্তর। বিভিন্ন ইস্যুর মতো বিরোধীরা ঝাঁপিয়ে পড়বে এই পদক্ষেপের বিরুদ্ধে। লোকসভায় বিজেপির সংখ্যা গরিষ্ঠতা থাকলেও রাজ্যসভায় সংখ্যা বেশি রয়েছে বিরোধীরা। তাই আগে থেকে বিষয়টি নিয়ে চর্চা শুরু হলে রাজ্যসভায় তা পাশ না হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। সে জন্যই সকলকে চমকে গিয়ে রাজ্যসভায় প্রথম পেশ করা হয় বিলটি। ভোটে হেরে ছত্রখান বিরোধী শিবির মোদীর এই কৌশলে রীতিমতো ধরাশায়ী হয়ে পড়ে। সংখ্যা গরিষ্ঠতা না থাকা সত্ত্বেও এই বিল রাজ্যসভায় পাশ করিয়ে নেয় বিজেপি। এর পর লোকসভাতেও পাশ হয় জম্মু ও কাশ্মীর রেকগনিশন বিল, ২০১৯।

এই বিল পাশের মাধ্যমে ৩৭০-এর মতো বিতর্কিত ধারার অবলুপ্তি হয়। লাদাখকেও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল হিসাবে ঘোষণা করা হয়। এই ধারা অবলু্প্তির পর ভূস্বর্গের পরিস্থিতি অনেকটাই বদলেছে। সেখানে ঘাঁটি গেড়ে থাকা জঙ্গিদেরও পৌষমাসে ইতি পড়েছে। ভারতের মাটিতে বিভিন্ন নাশকতায় জড়িত পলাতক অনেক জঙ্গি, যারা দীর্ঘদিন ধরেই কাশ্মীরে লুকিয়ে থাকত, তাঁদের গ্রেফতার করেছে এনআইএ বা সেনা। কিন্তু এই সবকিছু পিছনে চুপচাপ, যে কৌশলের রচনা হয়েছিল, তা সত্যিই কুর্ণিশযোগ্য।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *