Recruitment Scam Case: CBI যেন ‘ফেলুদা’ আর ‘দুর্নীতি’ সোনার কেল্লা, হাইকোর্টে ব্যাখ্যা গোয়েন্দা সংস্থার – Bengali News | Recruitment Scam Case in High Court: CBI claims, there are problems are they will arrest culprits
সত্যজিৎ রায়ের ছবি সোনার কেল্লাImage Credit source: GFX- TV9 Bangla
কলকাতা: মাসের পর মাস ধরে চলছে নিয়োগ দুর্নীতির মামলা। বেশ কয়েকজন হেভিওয়েট গ্রেফতার হয়েছেন, আবার অনেকে ছাড়াও পেয়ে গিয়েছেন। তদন্তের গতি নিয়ে বারবার বিভিন্ন এজলাসে ভর্ৎসনা মুখে পড়তে হয়েছে দেশের অন্যতম গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই-কে। প্রশ্নের মুখে পড়েছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটও। তবে আশা ছাড়তে নারাজ তারা। তদন্ত চলছে। অভিযুক্তরা গ্রেফতারও হবে, এই আশ্বাস দিতে গিয়ে নিজেদের জনপ্রিয় গোয়েন্দা চরিত্র ‘ফেলুদা’র সঙ্গে তুলনা করল সিবিআই। তাদের দাবি, বাধা যতই আসুক না কেন ‘প্রদোষ মিত্তিরে’র মতো তারাও কিণারায় পৌঁছবেই। মঙ্গলবার বিচারপতি অমৃতা সিনহার এজলাসে এ কথাই বলেছে তারা।
প্রাথমিক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এদিন হলফনামা জমা দিয়েছে সিবিআই। কীভাবে এই দুর্নীতি হয়েছে সেটা উল্লেখ করা হয়েছে রিপোর্টে। ইডি-ও এদিন আদালতে জানিয়েছে নিয়োগ সংক্রান্ত মামলার সূত্রে ‘লিপস অ্যান্ড বাউন্ডস’ সংস্থার আরও কিছু সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। তবে ভর্ৎসনার সুরে বিচারপতি অমৃতা সিনহা এদিন বলেন, চিহ্নিত করার পরেও এত দেরি কেন? এমনভাবে তদন্ত চলছে যাতে সবাই বেরিয়ে আসবে। কাউকে পাবেন না। বিচারপতি সিনহা তদন্তকারী সংস্থার উদ্দেশে বলেন, ‘আপনারা কি ভেবেছিলেন সব মসৃণ হবে?’
ইডির আইনজীবী ধীরজ ত্রিবেদী এদিন জানিয়েছেন, তাঁরা আরও সম্পত্তির হদিশ পেয়েছেন, কন্ঠস্বরের নমুনাও পরীক্ষা করা হচ্ছে। কিন্তু খোদ ইডি মামলায় ফেঁসে যাওয়ায় দেরি হচ্ছে বলে দাবি করেছে ইডি। পরের শুনানিতে রিপোর্ট দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী।
এই খবরটিও পড়ুন
সিবিআই-এর আইনজীবী এদিন বলেন, “বারবার প্রশ্ন উঠছে এত দেরি কেন? আমরা বিশ্বাস করি প্রদোষ মিত্র সোনার কেল্লায় বারবার ঢুকতে বাধা পেয়েছিল। দেরিতে হলেও দোষীরা গ্রেফতার হয়েছিল।” এ কথা শুনে বিচারপতি সিনহা বলেন, “আশা করা যায়, সিবিআই একদিন গন্তব্যে পৌঁছে যাবে।” আগামী ১২ মার্চ মামলার পরবর্তী শুনানি।
বঞ্চিত চাকরি প্রার্থীদের আইনজীবী ফিরদৌস শামিম এদিন দাবি জানান, প্যানেল প্রকাশ করা সম্ভব না হলেও যাঁরা পরীক্ষার্থী ছিলেন, তাঁদের নম্বর প্রকাশ করা হোক। অন্যদিকে, বোর্ডের আইনজীবী সুবীর স্যানাল জানান, বোর্ড জানিয়েছিল ৯৪ জনকে নেওয়া হয়েছিল প্যানেলের বাইরে থেকে, বোর্ডের অনুমতি ছাড়া কে কত নম্বর সেটা বলা যাবে কি না জানা নেই। তিনি আরও উল্লেখ করেছেন, ৯৪ জনের চাকরি বাতিল হলেও সেখানে নতুন করে কাউকে নিয়োগ সম্ভব নয়, কারণ প্যানেল আগেই হয়ে গেছে। পরে ওই প্যানেল অনুযায়ী কিছু করা যায় না।