Madhyamik Exam: রাতে পোহালেই মাধ্যমিক, জঙ্গলমহল থেকে কাকদ্বীপ তুঙ্গে তৎপরতা, মিলবে বিশেষ পরিষেবা – Bengali News | Madhyamik exam activity from jangalmahal to kakdwip mic stopped by police in jalpaiguri
তু্ঙ্গে প্রস্তুতি Image Credit source: TV9 Bangla
কলকাতা: রাত পোহালেই মাধ্যমিক পরীক্ষা। এবার মাধ্যমিক দিচ্ছে ৯ লক্ষ ২৩ হাজার ১৩ জন পড়ুয়া। চলছে শেষ মূহূর্তের প্রস্তুতি। কোথাও বাস ভাড়া হয়ে গেল ফ্রি, কোতাও আবার একেবারে ভোর থেকে চালু হয়ে যাচ্ছে ফেরি সার্ভিস। পশ্চিম মেদিনীপুরে আবার জঙ্গল লাগোয়া এলাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের পরীক্ষা কেন্দ্রে নিয়ে যাওয়া এবং নিয়ে আসার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করে ফেলেছে বন দফতর। তবে জলপাইগুড়িতে আবার দেখা গেল অপ্রীতিকর ছবি। মাধ্যমিক পরীক্ষার আগের দিন মাইক বাজিয়ে চলছিল স্কুল স্পোর্টস। খবর পেয়ে মাঠে গিয়ে মাইক বন্ধ করল পুলিশ। মাইক বাজিয়ে জলপাইগুড়ি টাউন ক্লাব ময়দানে স্কুল স্পোর্টসের আয়োজন করার অভিযোগ উঠল জলপাইগুড়ি সুনীতিবালা সদর গার্লস হাইস্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে। এদিন দুপুরে স্থানীয় এক মাধ্যমিক পরীক্ষার্থী অভিযোগ করেন। বিষয়টি পুলিশ সুপার উমেশ খান্ডবাহালের নজরে আসতেই তড়িঘড়ি উপযুক্ত ব্যবস্থা নেন। তড়িঘড়ি পুলিশ গিয়ে মাইক বন্ধ করে দেয়।
তবে সুষ্ঠভাবে মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীরা যাতে পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেন তার জন্য তৎপর রয়েছে প্রশাসন। পূর্ব রেলের তরফে ২১ টি ট্রেনের অতিরিক্ত স্টপেজ দেওয়ার ঘোষণা করা হয়েছে। অন্যদিকে নদীমাতৃক সুন্দরবন এলাকায় মাধ্যমিক পরীক্ষার্থীদের জন্য সকাল থেকেই চালু থাকবে ফেরি সার্ভিস। জেটিঘাটে মোতায়েন করা হবে সিভিল ডিফেন্স ও পুলিশ কর্মীদের। প্রশাসনের তরফে এমনটা জানানো হয়েছে। গোসাবা ব্লক এলাকা ৯ টি দ্বীপের মধ্যে রয়েছে। তাই একটি দ্বীপ থেকে অন্য দ্বীপে যাতায়াত করতে নদী পথে নৌকাই একমাত্র ভরসা।তার ওপর জোয়ার ভাটা তো রয়েছে। এমনিতেই বঙ্গোপসাগরের ঘুর্ণাবর্তের কারণে সুন্দরবনের আবহাওয়া একেবারে খারাপ।বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই আকাশের মুখ ভার। সঙ্গে চলছে বৃষ্টি। এই আবহাওয়া যদি চলতে থাকে তাহলে শুক্রবারও সমস্যায় পড়তে পারেন পরীক্ষার্থীরা। শুক্রবার মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রথম দিন সকাল ৬ টা থেকেই মোতায়েন থাকবে সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা। সেই সঙ্গে থাকবে স্থানীয় গোসাবা থানা ও সুন্দরবন উপকূল থানার পুলিশকর্মীরাও।
অন্যদিকে এদিন দুপুর থেকে রাজ্যের যে সমস্ত স্কুলে মাধ্যমিক পরীক্ষার সিট পড়েছে সেখানেও তুঙ্গে তৎপরতা। পরীক্ষার্থীদের সুবিধার্থে স্কুলে ঢোকার গেটেই লাগানো হচ্ছে রুম নম্বর ও সিট নম্বর। তাছাড়াও স্কুলগুলির মধ্যে কেউ যদি পরীক্ষা দিতে গিয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে তাদের জন্য আলাদা করে সিক রুম করা হয়েছে।