TMCP in Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার নাম জড়াল রাজন্যা হালদারের স্বামী প্রান্তিকের - Bengali News | Large TMCP leader Prantik Chakraborty's name mentioned in a letter filed in High Court in Recruitment scam - 24 Ghanta Bangla News
Home

TMCP in Recruitment Scam: শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে এবার নাম জড়াল রাজন্যা হালদারের স্বামী প্রান্তিকের – Bengali News | Large TMCP leader Prantik Chakraborty’s name mentioned in a letter filed in High Court in Recruitment scam

তৃণমূলের ছাত্র নেতা প্রান্তিক চক্রবর্তীImage Credit source: Facebook

কলকাতা: পেঁয়াজের খোসার মতো নিয়োগ দুর্নীতির পরতে পরতে বেরিয়ে আসবে রহস্য আর দুর্নীতির তথ্য। বছর দেড়েক আগে এমন মন্তব্য করেছিলেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আইনজীবী। সময় গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে সেই ভবিষ্যদ্বাণী যেন মিলে যাচ্ছে। এবার সামনে এল আরও কয়েকটি নতুন নাম। নেতা-মন্ত্রীরা যখন জেলে, তখন নিয়োগ দুর্নীতিতে জড়াল তৃণমূলের ছাত্রনেতাদের নাম। সম্প্রতি সিআইডি একটি রিপোর্ট পেশ করেছেন কলকাতা হাইকোর্টে। সেই রিপোর্টে রয়েছে একটি চিঠি, যা একজন সরকারি আধিকারিক দিয়েছেন বলে সূত্রের খবর। সেই চিঠিতেই তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের নাম রয়েছে। সেই সঙ্গে নাম রয়েছে টিএমসিপি-র সহ সভাপতি প্রান্তিক চক্রবর্তীর।

উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে শাসক দলের দায়িত্ব রয়েছে প্রান্তিকের হাতে। চিঠিতে উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রনেতা বলেই উল্লেখ করা হয়েছে তাঁকে। অভিযোগ উঠেছে, ২০১৮-১৯ সালে কোনও নিয়োগ পদ্ধতি ছাড়াই ৮৫০ জনের চাকরি হয়েছিল শিক্ষক পদে। চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, তৃণাঙ্কুর ভট্টাচার্যের গাড়িতেই নাকি ঘুরত এই নিয়োগ দুর্নীতির টাকা। আর চাকরি দেওয়ার নামে যে টাকা সংগ্রহ করা হত, তা নাকি নেওয়া হত প্রান্তিকের GPAY অ্যাকাউন্টে।

চিঠিতে আরও অভিযোগ রয়েছে, প্রান্তিকের হোয়াটসঅ্যাপ নম্বর চেক করলেই নাকি বেরিয়ে আসবে বিস্ফোরক সব তথ্য। মন্ত্রীকে অ্যাডমিট কার্ড পাঠিয়ে চাকরি দেওয়ার কথা বলেছিলেন চ্যাটে, এমন অভিযোগও রয়েছে প্রান্তিকের বিরুদ্ধে। চিঠির প্রেরক তাঁর পরিচয় গোপন রেখেছেন।

সম্প্রতি একটি ছবি পরিচালনা করেছেন প্রান্তিক চক্রবর্তী। আর সেই ছবিতে অভিনয় করেছেন তৃণমূল নেত্রী তথা প্রান্তিকের স্ত্রী রাজন্যা হালদার। প্রশ্ন উঠেছে, দুর্নীতির টাকাতেই করা হয়েছে সিনেমা? জিটিএ এলাকা নিয়েই ছবি বানিয়েছেন প্রান্তিক। তবে প্রান্তিক অভিযোগ নস্যাৎ করে দাবি করেছেন, টাকার বিনিময়ে চাকরি দিয়ে থাকলে ওই এলাকায় ছবি বানাতে পারতেন না। TV9 বাংলার তরফে প্রান্তিকের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, “পাহাড়ের কাহিনি নিয়ে ছবি বানিয়েছি। ওখানকার হলে প্রচুর মানুষ সিনেমা দেখতে যাচ্ছেন। আমার সাফল্যে ইর্ষান্বিত হয়েই বোধ হয় এমন অভিযোগ করছেন কেউ।” তাঁর দাবি, এই অভিযোগ তাঁর কাছে হাস্যকর বলে মনে হচ্ছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *