PM Narendra Modi: সুপ্রিম কোর্টের জন্য ৮০০ কোটি বরাদ্দ, ‘কেউ পিটিশন না দাখিল করে’ খোঁচা প্রধানমন্ত্রীর – Bengali News | Centre Allotes 800 crore rs for Supreme Court Expansion, PM Narendra Modi says Hopefully now no one files a petition in Supreme court
সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।Image Credit source: PTI
নয়া দিল্লি: নতুন সংসদ ভবন পেয়েছে দেশ। এবার সংস্কার হতে চলেছে সুপ্রিম কোর্টও। দেশের শীর্ষ আদালতের সম্প্রসারণের ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সুপ্রিম কোর্টের হীরক জয়ন্তীর অনুষ্ঠানে এই ঘোষণা করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি জানান, ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে সুপ্রিম কোর্টের সম্প্রসারণ ও সংস্কারের জন্য।
রবিবার সুপ্রিম কোর্টের ৭৫ তম বার্ষিকীর অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেন, “আমাদের সরকার দেশের আদালতগুলির পরিকাঠামো উন্নয়ন ও সংস্কারের লক্ষ্যে দৃঢ়প্রতীজ্ঞ। সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী ও মামলাকারীরা কী কী সমস্যার মুখে পড়েন, সে সম্পর্কে আমার সরকার অবগত। গত সপ্তাহেই আমরা ৮০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছি সুপ্রিম কোর্টের সম্প্রসারণ ও পরিষেবা উন্নত করার জন্য।”
আর্থিক বরাদ্দের কথা উল্লেখ করেই বিরোধীদের একহাত নেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, “আশা করি এবার কেউ সুপ্রিম কোর্টে পিটিশন দাখিল করে বলবে না যে এটা বেকার খরচ। ঠিক যেমন সেন্ট্রাল ভিস্তা প্রকল্পের সময় বলেছিল।”
প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, “আমাদের সরকার যেমন জীবনযাত্রা সহজ করা, যোগাযোগ ব্যবস্থা আরও উন্নত করা ও যাতায়াতের পথ সুগম করার উদ্যোগ নিয়েছে, ঠিক একইভাবে সুপ্রিম কোর্ট ও সরকার বিচারব্যবস্থা সহজ করার লক্ষ্যেও কাজ করছে।”
এই অনুষ্ঠান থেকেই প্রধানমন্ত্রী মোদী সুপ্রিম কোর্টের একটি নতুন ওয়েবসাইটও উদ্বোধন করেন। প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের ব্যাপক প্রশংসাও করেন আদালতকে ডিজিটালাইজড করার জন্য।
সুপ্রিম কোর্টের সম্প্রসারণ-
১৯৫০ সালের ২৮ জানুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের যাত্রা শুরু হয়। সেই সময়ে সুপ্রিম কোর্টের জন্য আলাদা কোনও ভবন ছিল না, সংসদ ভবনেই আদালত শুরু হয়েছিল। ১৯৫০ সালের আসল সংবিধানে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি ও সাতজন বিচারপতি নিয়ে বিচারব্যবস্থা গঠন করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির সংখ্যা বৃদ্ধি সংসদের উপরই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল। ১৯৫০ সাল থেকে ২০১৯ সালের মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতির সংখ্যা ৭ গুণ বাড়িয়ে ৩৪ করা হয়।