Love: ভালবাসা চিরন্তন! ৪৯ বছরের মহিলার সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধলেন ১০৩ বছরের স্বাধীনতা সংগ্রামী – Bengali News | Freedom fighter of 103 years old married with 49 years old woman in Bhopal this is his third marriage
৪৯ বছরের ফিরোজ জাহানের সঙ্গে বিয়ে ১০৩ বছরের হাবিব নাজারের।
ভোপাল: প্রেম মানে না বয়স, মানে না সামাজিক বিধি-নিষেধ। এর বহু প্রমাণ রয়েছে। প্রেমের টানে যেমন স্বামী, সন্তান ছেড়ে ভিন দেশে পাড়ি দিতেও পা কাঁপে না প্রেমীদের, তেমনই প্রায় হাঁটুর বয়সি মেয়েকে বিয়ে করার ঘটনাও কম নয়। তবে এবার শতায়ু পেরোনো বৃদ্ধকে বিয়ে করে প্রেমে নজির স্থাপন করলেন ৪৯ বছরের ফিরোজ জাহান। তাঁদের প্রেম ও বিয়ের কথা এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় নেটিজেনদের চর্চার অন্যতম বিষয়।
৪৯ বছর বয়সি ফিরোজ জাহান বিয়ে করেছেন ১০৩ বছর বয়সি হাবিব নাজারকে। মধ্য প্রদেশের রাজধানী ভোপালের ইতওয়ারা এলাকার বাসিন্দা হাবিব স্বাধীনতা আন্দোলনের সক্রিয় সদস্য ছিলেন। বর্তমানে তিনি বয়সে সেঞ্চুরি করলেও শারীরিকভাবে যথেষ্ট পোক্ত রয়েছেন। গত বছরের জানুয়ারিতে তিনি ফিরোজ জাহানের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধেছেন। একবছরের মাথায় বলা যায়, প্রথম বিবাহ বার্ষিকীতে তাঁদের বিয়ের খবরটি ভাইরাল হয়ে উঠেছে। তাঁদের নিকাহ করার একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে, নিজের বাড়িতেই ফিরোজের সঙ্গে নিকাহ করছেন হাবিব।
তবে ফিরোজ জাহান হাবিবের প্রথম স্ত্রী নয়। এর আগে দুটি বিয়ে করেছিলেন তিনি। বর্তমানে তাঁরা দুজনেই প্রয়াত। তাই ১০৩ বছর বয়সে এসে পুনরায় সঙ্গী খুঁজে নিলেন হাবিব। অর্থাৎ বিয়েতে হ্যাটট্রিক করলেন শতায়ু পেরোনো এই স্বাধীনতা সংগ্রামী।
এই খবরটিও পড়ুন
কিন্তু ১০৩ বছর বয়সে কেন বিয়ে করলেন হাবিব?
শতায়ু পেরোনোর পর হাবিব জানান, তাঁর জীবনে কোনও কিছুর অভাব নেই। কেবল মনে অভাব রয়েছে, বৃদ্ধের কথায়, কমি হামারে দিলো মে হ্যায়। অর্থাৎ একাকিত্ব কাটাতেই ফিরোজকে সঙ্গিনী বাছলেন হাবিব।
হাবিব জানান, তাঁর প্রথম স্ত্রী মহারাষ্ট্রের নাসিকের এবং দ্বিতীয় স্ত্রী উত্তর প্রদেশের লখনউয়ের বাসিন্দা ছিলেন। প্রথম স্ত্রীর মৃত্যুর পর তিনি দ্বিতীয় বিয়ে করেন। তাঁর সেই স্ত্রীও মারা গিয়েছেন। তাই একাকিত্ব কাটাতে পুনরায় বিয়ে করলেন।
ফিরোজ জাহানও কোনও চাপে পড়ে নয়, তিনিও একাকিত্ব কাটাতে স্বেচ্ছায় হাবিবকে সঙ্গী হিসাবে বেছে নিয়েছেন। তিনি জানান, এটা তাঁর দ্বিতীয় বিয়ে। তাঁর প্রথম স্বামীর মারা গিয়েছেন। তারপর থেকে তিনি একাকী থাকতেন। ১০৩ বছরের হাবিবকেও দেখাশোনা করার কেউ ছিল না। তাই তাঁকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেন ফিরোজ। তবে ১০৩ বছরের স্বামীর সঙ্গে তিনি ভাল রয়েছেন বলে জানান ফিরোজ। তাঁর কথায়, “আমার স্বামী সম্পূর্ণ সুস্থ এবং তাঁর কোনও মেডিক্যাল ইস্যু নেই।”