Mukesh Ambani: এই দু'জনকে সবথেকে বেশি বেতন দেন মুকেশ অম্বানী, এক এক দিনের আয় শুনলে চমকে যাবেন - Bengali News | Nikhil meswai and hital meswani are the highest paid employees of mukesh ambanis company reliance - 24 Ghanta Bangla News
Home

Mukesh Ambani: এই দু’জনকে সবথেকে বেশি বেতন দেন মুকেশ অম্বানী, এক এক দিনের আয় শুনলে চমকে যাবেন – Bengali News | Nikhil meswai and hital meswani are the highest paid employees of mukesh ambanis company reliance

নিখিল ও হিতাল মেসওয়ানিImage Credit source: GFX- TV9 Bangla

নয়া দিল্লি: বর্তমানে এশিয়ার সবথেকে ধনী ব্যক্তি মুকেশ অম্বানী। রিলায়েন্স ইন্ডাস্ট্রিজ-এর কর্তা মুকেশের ব্যবসার হাতেখড়ি যে তাঁর বাবা ধীরুভাই অম্বানীর হাতে হয়েছিল, তা বলাই বাহুল্য। তবে ধীরুভাই অম্বানী চেয়েছিলেন, তাঁর ছেলে সবদিক থেকে এগিয়ে থাকবে। ভবিষ্যতে ব্যবসা করতে গেলে যাতে আটকাতে না হয়, তার জন্য একজন দক্ষ মানুষের কাছে কাজ শেখার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ধীরুভাই। রসিকভাই মেসওয়ানিই ছিলেন মুকেশের ‘গুরু।’ আজ মুকেশ সংস্থার কর্তা। আর তাঁর সংস্থায় সর্বাধিক বেতন পান সেই রসিকভাই মেসওয়ানির দুই ছেলে।

তবে শুধুমাত্র গুরুভাই নন, ওই দুই কর্মী মুকেশ অম্বানীর আত্মীয়ও বটে। ধীরুভাই অম্বানীর দিদি ত্রিলোচনার সন্তান ছিলেন রসিকভাই। আর তাঁরই ছেলে অর্থাৎ সম্পর্কে মুকেশ অম্বানীর ভাইপো হন নিখিল মেসওয়ানি ও হিতাল মেসওয়ানি। রসিকভাই সংস্থার ডিরেক্টরদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন। এই সংস্থায় তাঁর বড় অবদান ছিল বলেও জানা যায়।

হিতাল মেসওয়ানি ১৯৯০ সালে সংস্থায় যোগ দেন। ১৯৯৫ সাল থেকে তিনি সংস্থার বোর্ডের একজন অন্যতম সদস্য। পেনসিলভেনিয়া ইউনিভার্সিটি থেকে ম্যানেজমেন্ট ও প্রযুক্তি নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তিনি। কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর পাশাপাশি অর্থনীতিতেও ডিগ্রি আছে তাঁর। রিলায়েন্সের একাধিক প্রজেক্টে সাফল্য এসেছে তাঁর হাত ধরেই। সূত্রের খবর, বছরে ২৪ কোটি টাকা বেতন পান ওই ব্যক্তি।

হিতাল মেসওয়ানির আর এক ভাই হলেন নিখিল মেসওয়ানি। তিনি বর্তমানে সংস্থার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। বর্তমানে রিলায়েন্সের মুম্বই ইন্ডিয়ানস-এর ব্যবসা দেখাশোনা করেন তিনি। তাঁর বেতনও ২৪ কোটি টাকা অর্থাৎ হিসেব বলছে একদিনে তাঁদের বেতন প্রায় ১৬ লক্ষ টাকা। উল্লেখ্য,  অম্বানী নিজে যা বেতন তুলতেন সংস্থা থেকে তার থেকেও বেশি পান এই দুই সদস্য। তবে করোনা পরিস্থিতি সময় নিজে বেতন নেওয়া বন্ধ করে দিয়েছিলেন তিনি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *