Human Skeleton: রান্নাঘরের মাটি খুঁড়তেই বেরিয়ে এল আস্ত নারী কঙ্কাল! হাড় হিম কাণ্ড বাদুড়িয়ায় – Bengali News | A Human Skeleton Recovered from a kitchen of a house in Baduria
বাদুড়িয়া: মাটির বাড়ি। রান্নাঘর। দেখতে আর পাঁচটা সাধারণ মাটির বাড়ির মতোই। কিন্তু এই বাড়ির মধ্যেই যেন লুকিয়ে ছিল রহস্যের পাহাড়। আজ বেলা গড়াতেই বাড়ির সামনে পুলিশের ছড়াছড়ি। আশপাশে কৌতুহলী মানুষজনের ভিড়। পুলিশের নজরদারিতে রান্নাঘরের ভিতরে মাটি খোঁড়াখুঁড়ি। ব্যাপার কী! কী লুকিয়ে রাখা আছে রান্নাঘরের ভিতরে? কী ভাবছেন? মাটির তলায় গুপ্তধন? নাহ, মাটি খুঁড়ে যা বেরল… তাতে আশপাশের সকলের শরীর দিয়ে একেবারে হিমস্রোত বয়ে গেল। একটা আস্ত নর কঙ্কাল। মাংস বলতে আর কিছু নেই। শুধু কঙ্কালটা পড়ে রয়েছে। রান্নাঘরের ভিতর মাটি খুঁড়ে এই মানব কঙ্কাল বেরিয়ে আসতেই হইচই পড়ে গিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার বাদুড়িয়া থানায় এলাকায় ঈশ্বরীগাছায়।
স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠছে, কার কঙ্কাল বেরল রান্নাঘরের মাটির নীচ থেকে? কাউকে কি খুন করে পুতে দেওয়া হয়েছিল? কারাই বা করল এই ভয়ঙ্কর কাণ্ড? সেই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেরিয়ে এল আরও চাঞ্চল্যকর তথ্য। একেবারে হাড় হিম করে দেওয়ার জোগাড়। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, এটি একটি নারী কঙ্কাল। কঙ্কালটি রহিমা খাতুন নামে এক মহিলার বলে অনুমান করছে পুলিশ। পুলিশ সূত্রে খবর, ঘটনাটি ঘটেছিল ২০২২ সালে। নারী পাচার কাণ্ডের প্রমাণ লোপাটের জন্য এই মহিলাকে খুন করে ওই বাড়ির রান্নাঘরের মাটির নীচে চাপা দিয়ে দেওয়া হয়েছিল জানা যাচ্ছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যাচ্ছে, রহিমার সঙ্গে বাকিবিল্লাহ মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির সম্পর্ক তৈরি হয়েছিল। পরবর্তীতে রহিমা জানতে পেরে গিয়েছিল যে বাকিবিল্লাহ নারী পাচারের সঙ্গে যুক্ত। সেই সময় প্রমাণ লোপাটের জন্য রহিমাকে খুন করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। আর এরপর সবার চোখের আড়ালে দু’দিন ধরে রান্নাঘরের মাটি খুঁড়ে পুঁতে দেওয়া হয়েছিল রহিমার দেহ। অভিযোগ তেমনই।
প্রসঙ্গত, আগেই বাকিবিল্লাহ মণ্ডল ও তারাবান মণ্ডলকে নারী পাচারের অভিযোগের একটি মামলায় গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরবর্তীতে পুলিশি জেরার মুখে বাকিবিল্লাহ নিজের এই কুকীর্তির কথা স্বীকার করেছিল। আর এরপরই পুলিশ অভিযুক্তদের নিয়ে ঘটনাস্থলে আসে এবং রান্নাঘরের মাটি খুঁড়ে কঙ্কাল উদ্ধার করে।