Bangla Pakkho: গোটা বিশ্বে এই প্রথম! বাঁটুল, নন্টে-ফন্টেদের সৃষ্টিকর্তার স্মৃতিতে বড় পদক্ষেপ বাংলা পক্ষের – Bengali News | Bangla Pakkho takes major initiative in memory of Narayan Debnath the architect of Bantul the great, Nonte Fonte
বাংলা পক্ষের বড় উদ্যোগImage Credit source: Facebook
হাওড়া: হাঁদা ভোঁদা, নন্টে-ফন্টে বা বাঁটুল দি গ্রেটের সঙ্গে পরিচয় নেই, এমন কোনও বাঙালিকে খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। ছোটবেলার দিনগুলিকে তারা সবসময় হাসিখুশিতে ভরিয়ে রেখে এসেছে। বাংলার তথা বাঙালির কালজয়ী কমিক চরিত্র তারা। সেই হাঁদা-ভোঁদা, নন্টে-ফন্টেদের সৃষ্টিকর্তা নারায়ণ দেবনাথকে বাঙালির মননের আরও গভীরে পৌঁছে দিতে উদ্যোগী হল বাংলা পক্ষ। বৃহস্পতিবার নারায়ণ দেবনাথের দ্বিতীয় মৃতুবার্ষিকীতে হাওড়ার ডুমুরজলা স্টেডিয়ামের কাছে প্রতিষ্ঠা করা হল তাঁর আবক্ষ মূর্তি। মূর্তি উন্মোচনে উপস্থিত ছিলেন বাংলার পক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায়, রাজ্যের মন্ত্রী অরূপ রায়-সহ বিশিষ্টজনরা।
বাংলা পক্ষের তরফে গর্গ চট্টোপাধ্যায় বলেন, “বিশ্বে নারায়ণ দেবনাথের প্রথম মূর্তি আজ হাওড়ায় বাংলা পক্ষ স্থাপন করল। আমরা বোঝাতে চাই, বাংলার কার্টুন শিল্প বিশ্ব মানের। তাই বিশ্বে প্রথম, কথাটির একটি বিশেষ অর্থ রয়েছে। তিনি একজন বিশ্বমানের কার্টুনিস্ট ছিলেন। বাঁটুল, হাঁদা-ভোদা, নন্টে-ফন্টের মাধ্যমে তিনি যেভাবে বাঙালি শৈশব গড়েছেন দশকের পর দশক ধরে, তাতে আমরা সকলেই তাঁর সন্তান।” নারায়ণ দেবনাথের এই কালজয়ী সৃষ্টিগুলি নিয়ে যাতে আগামী দিনে বাংলার পুঁজিপতিরা সময়োপযোগী কার্টুন সিনেমা বানান, সেই কথাও বলেন গর্গ চট্টোপাধ্যায়।
মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসও বলছেন, এটাই প্রথম মূর্তি স্থাপিত হল নারায়ণ দেবনাথের। সঙ্গে শিল্পী নারায়ণ দেবনাথের সঙ্গে তাঁর ব্যক্তিগত সম্পর্কের স্মৃতিচারণাও করলেন মন্ত্রী। জানালেন, “নারায়ণ দেবনাথ আমাদের সকলের কাছেই আবেগ। তিনি আমার বিধানসভা এলাকারই মানুষ। বহু বছর ধরে ওনার বাড়িতে আমার যাতায়াত। খুবই আত্মিক সম্পর্ক ছিল তাঁর সঙ্গে।” ছোটবেলায় নারায়ণ দেবনাথের সৃষ্টি পড়ার জন্য কীরকম ব্যাকুল থাকতেন তিনি, সে কথাও এদিন তুলে ধরেন মন্ত্রী।