Milind Deora: ‘চা বিক্রেতা প্রধানমন্ত্রী, মুখ্যমন্ত্রী অটোচালক…’, কেন হঠাৎ এ কথা বললেন কংগ্রেস-ত্যাগী মিলিন্দ? – Bengali News | Former Congress Leader Milind Deora joins Shiv Sena, Says Chaiwala Becoming Prime Minister Inspires him
শিবসেনায় যোগ দিলেন মিলিন্দ দেওরা।Image Credit source: PTI
মুম্বই: লোকসভা নির্বাচনের আগে আবারও বড় ধাক্কা কংগ্রেসে (Congress)। হাতছাড়া আরও এক গুরুত্বপূর্ণ নেতা। রবিবার যখন মণিপুর থেকে ভারত জোড়ো ন্যায় যাত্রা শুরু করছেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi), সেই সময়ই দল থেকে ইস্তফা দিলেন প্রাক্তন মন্ত্রী মিলিন্দ দেওরা (Milind Deora)। ইস্তফার ঘণ্টাখানেক পরই তিনি যোগ দেন একনাথ শিন্ডের শিবসেনায়। কংগ্রেসের সঙ্গে দীর্ঘ ৫৫ বছরের সম্পর্ক ছিন্ন করার কারণ কী? কেনই বা হঠাৎ শিবসেনায় যোগ দিলেন তিনি? এই সমস্ত প্রশ্নের উত্তর দিলেন মিলিন্দ দেওরা নিজেই।
কংগ্রেস ছেড়ে শিবসেনায় যোগ দেওয়ার পরই মিলিন্দ দেওরা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী শিন্ডে আমার দক্ষতা ও ক্ষমতার উপরে বিশ্বাস রেখেছেন। তাই দলবদল”। এক্স হ্যান্ডেলে দীর্ঘ এক পোস্টে মিলিন্দ জানান, একনাথ শিন্ডের সরকারের অধীনে তিনি মহারাষ্ট্রে ব্যাপক উন্নতি হতে দেখেছেন। বর্তমান রাজনীতিতে পরিবর্তনগুলি সমতাবাদী মূল্যবোধকে পুনঃস্থাপন করছে।
প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে মহারাষ্ট্রের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডের উদাহরণ দিয়ে মিলিন্দ দেওরা বলেন, “বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্রে একজন সাধারণ চা-বিক্রেতা আজ আমাদের প্রধানমন্ত্রী এবং দেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন অটোচালক। এই পরিবর্তনগুলিই ভারতীয় রাজনীতিকে আরও ভাল করে তুলছে এবং সমতার মূল্যবোধকে পুনঃস্থাপন করছে।”
প্রাক্তন কংগ্রেস নেতা দাবি করেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দৃষ্টিভঙ্গি তাঁকে উদ্বুদ্ধ করেছে। তিনি বলেন, “মুম্বই ও মহারাষ্ট্রের উন্নয়নের জন্য একনাথ শিন্ডের যে দৃষ্টিভঙ্গি-চিন্তাভাবনা রয়েছে, তাতে আমি উদ্বুদ্ধ। আমি তাঁকে এই কাজে সাহায্য করতে চাই। একইভাবে প্রধানমন্ত্রী মোদী ও অমিত শাহের দেশের জন্য দৃষ্টিভঙ্গিও আমায় কর্মযজ্ঞে সামিল হতে উদ্বুদ্ধ করেছে। আমি এমন একজন নেতার অধীনে কাজ করতে চাই যে সৃষ্টিশীল ধারণাকে গুরুত্ব দেয়, আমার গুণ ও দক্ষতা চিনতে পেরে, আমায় দেশের উন্নতির কাজে ব্যবহার করে। একনাথ শিন্ডেজি আমার উপরে বিশ্বাস রেখেছেন।”
শেষে তিনি কংগ্রেসের সমালোচনাও করেন। দেওরা বলেন, “আমায় দলে একঘরে করে দেওয়া হয়েছিল। গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময়ও আমায় ডাকা হত না। এরপরও গান্ধী পরিবারের সঙ্গে আমার পরিবারের সুসম্পর্ক বজায় রেখেছি। দলেও একনিষ্ঠভাবে থেকেছি। ১০ বছর আমি কোনও ব্যক্তিগত ক্ষমতা বা পদ ছাড়াই দলের উন্নতির জন্য সবরকমের চেষ্টা করেছি।”